• বৃহস্পতিবার, ২৬ মে ২০২২ | ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯

পলাতক পিকে হালদারের সম্পদ দশ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে

জিয়া খান

প্রকাশিত: ১৫:২২, ১৪ মে ২০২২

ফন্ট সাইজ
পলাতক পিকে হালদারের সম্পদ দশ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে

শুক্রবার (১৩ মে) ভারতের পশ্চিমবঙ্গে ৯ স্থানে অভিযান চালিয়ে বাংলাদেশ থেকে আগ্মগোপনে থাকা প্রশান্ত কুমার হালদার ওরফে পিকে হালদারের বিলাসবহুল বাগানবাড়ি, হোটেল ও ফ্লাটের সন্ধান পেয়েছে ভারতের অর্থ সংক্রান্ত কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। 

একইভাবে পিকে হালদারের অবৈধ সম্পদের খোঁজে দিল্লি ও মুম্বাইয়েও অভিযান চালানোর কথা জানান দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান। সত্যতা পেলে সেই সম্পদ বাজেয়াপ্ত করে বাংলাদেশ সরকারের আওতায় নিয়ে আসার কথাও বলেন তিনি।  তিনি আরো বলেন, প্রথমে পিকের সাড়ে তিনহাজার কোটি টাকা পাচারের তথ্য পেলেও সেই টাকা বর্তমানে দশ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে। 

প্রশান্ত কুমার হালদার বর্তমানে যাকে শুধু ব্যাংক পাড়া নয় দুর্নীতির কারণে দেশে-বিদেশেও পিকে হালদার নামে চেনে সবাই। আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে সর্বশান্ত করে সাড়ে তিনহাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ রয়েছে পিকের বিরুদ্ধে। ২০২১ সালে  দুদকের মামলার আগেই দেশ থেকে পালিয়ে যায় পিকে। 

দেশ-বিদেশে পিকের রয়েছে অঢেল অবৈধ সম্পদ, এরই ধারাবাহিকতায় মিউচুয়াল লিগেল এ্যাসিসটেন্স আইনের মাধ্যমে পিকের অবৈধ সম্পদের খোজ করতে ভারতের অর্থ সংক্রান্ত কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থাকে অনুরোধ করেছিলো বাংলাদেশ। এরই ধারাবাহিকতায় শুক্রবার রাজারহাট, উত্তর ২৪ পরগণার অশোকনগর, দমদমসহ পশ্চিমবঙ্গের অন্তত ৯ জায়গায় চিরুনি অভিযান চালায় সেই দেশের গোয়েন্দারা। 

তাদের অভিযোগ, মাছ ব্যবসার আড়ালে বিপুল বেআইনি টাকার লেনদেন করতেন পিকে হালদারের প্রধান সহযোগী সুকুমার মৃধা। পাচার করা অর্থে ভারতে বিপুল সম্পদের পাহাড় গড়েছেন তিনি ও পিকে হালদার। কিনেছেন বাগানবাড়িও।

শুধু পশ্চিবঙ্গ নয় আরো কয়েকটি জায়গায় ভারতের গোয়েন্দারা অভিযান চালাবে বলে জানান দুদক আইনজীবী।

পিকের বিরুদ্ধে চলমান ৩৬ মামলায় পাচার করা টাকার পরিমান সাড়ে তিনহাজার কোটি টাকা হলেও বর্তমান অনুসন্ধানে সেই টাকা আরো বেশি বলে মনে করেন দুদক আইনজীবী।

পিকে হালদারকে ধরতে ইন্টারপোলের সহায়তা চাওয়া হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে পিকে বর্তমান কানাডায় পালিয়ে আছে।

বিভি/এজেড

মন্তব্য করুন: