• NEWS PORTAL

  • বুধবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৪

নিউইয়র্কে সাংবাদিক ইলিয়াস হোসেন গ্রেপ্তার

প্রকাশিত: ০১:১২, ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৪

ফন্ট সাইজ
নিউইয়র্কে সাংবাদিক ইলিয়াস হোসেন গ্রেপ্তার

ফাইল ছবি

নিউইয়র্ক পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছেন আলোচিত বাংলাদেশি সাংবাদিক ইলিয়াস হোসেন। স্থানীয় সময় রবিবার সকালে (১৮ ফেব্রুয়ারি) তাকে গ্রেফতার করা হয়। নিউইয়র্কের অদূরে একটি দ্বীপ এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা পুলিশ। গ্রেপ্তারের পর তাকে জ্যামাইকার ১১৩ প্রিসেন্ট হাজতে নেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ সময় সোমবার তাকে জামিনের জন্য আদালতে তোলা হবে বলে জানা গেছে।

শনিবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটস এলাকাতে ভিডিও করার পর থেকেই তার খোঁজ শুরু করে নিউইয়র্ক পুলিশ ডিপার্টমেন্ট। হুলিয়া জারির পর থেকে নানা সময়ে নিজের অবস্থান পরিবর্তন করছিলেন তিনি।

পুলিশের ডিটেকটিভ ব্রায়ান গ্রানশো জানান, স্থানীয় সময় রবিবার   সকালে স্টাটেন আইল্যান্ড এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে তাকে। এরপর তাকে জ্যামাইকার ১১৩ প্রেসেন্ট হাজতে নেওয়া হয়েছে। সোমবার তাকে জামিনের জন্য কোর্টে তোলা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ইলিয়াসের বিরুদ্ধে অভিযোগ, গত ২০ জানুয়ারি দুপুরে মিল্টন জ্যাকবকে ফোন করে তার বাড়িতে বোমা নিয়ে আসবেন বলে হুমকি দেন ইলিয়াস। জ্যাকব মিল্টন ও প্রিমা রব্বনীকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভিডিও প্রকাশ করেন ইলিয়াস, যা নিয়ে চলে ব্যাপক আলোচনা।

তবে ভিডিওটি মানহানিকর ও ভিত্তিহীন দাবি করে মিল্টন ও প্রিমা রব্বনী সিভিল ও ক্রিমিনাল আইনে ইলিয়াস হোসেনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ইলিয়াসের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন যুক্তরাষ্ট্রের আদালত।

জানা গেছে, এ মামলায় আদালতে আত্মসমর্পণ করে ইলিয়াসের জামিন আবেদনের শেষ দিন ছিল ১ ফেব্রুয়ারি। সেদিন নিউইয়র্কে পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করে জামিন চান তিনি। তার বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলা জামিনযোগ্য হওয়ায় ছয় ঘণ্টা পর ওইদিন (১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে তাকে ছেড়ে দেয়া হয়। এরপর ১৭ ফেব্রুয়ারি সশরীরে আদালতে হাজিরা দেয়ার কথা থাকলেও উপস্থিত হননি ইলিয়াস। ফলে তার বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ আনা হয়েছে। এরপর তার নামে হুলিয়া জারি করেছে নিউইয়র্ক পুলিশ।

এদিকে, চাঞ্চল্যকর মিতু হত্যা মামলায় মিথ্যা তথ্য সরবরাহ এবং তা প্রচারের অভিযোগে বাংলাদেশের আদালতেও ইলিয়াসের বিরদ্ধে চার্জ গঠন করা হয়েছে।

বিভি/এইচএস

মন্তব্য করুন: