• NEWS PORTAL

  • রবিবার, ০৩ জুলাই ২০২২ | ১৯ আষাঢ় ১৪২৯

শেখ হাসিনার সততা ও কর্মস্পৃহাকে ভয় পায় বিএনপি: জুনাইদ আহমেদ পলক

রংপুর ব্যুরো

প্রকাশিত: ১৬:৫৬, ২৬ মে ২০২২

আপডেট: ১৬:৫৬, ২৬ মে ২০২২

ফন্ট সাইজ
শেখ হাসিনার সততা ও কর্মস্পৃহাকে ভয় পায় বিএনপি: জুনাইদ আহমেদ পলক

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, শেখ হাসিনার সততা ও কর্মস্পৃহাকে ভয় পায় বিএনপি। সেজন্য নির্বাচনে অংশ নিতে চায়না দলটি। তাদের সব প্রতিশ্রুতি ভেস্তে গেছে বলেই আসছে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে অপরকতা প্রকাশ করছে তারা।

বৃহস্পতিবার (২৬ মে) সকালে নগরির ফলিসাকুঠি গ্রামে ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়া হাই-টেক পার্কের ভিত্তি প্রস্তর অনুষ্ঠান শেষে গণমাধ্যম কর্মীদের সাথে আলাপকালে এই কথা বলেন তিনি। 

এর আগে ভার্চ্যুয়ালী যুক্ত হন স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী। রংপুর জেলা পরিষদ অডিটরিয়ামে সুধি সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, আজকের দিনটি অত্যন্ত আনন্দের। রংপুরে ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়া হাই-টেক পার্কের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করায় আইটি ইন্ডাস্ট্রিতে রংপুরবাসীর অবদান রাখার ক্ষেত্র প্রস্তুত হলো। প্রতিযোগীতার এই যুগে এই অঞ্চলের তরুণদের টিকে থাকতে হলে প্রযুক্তি শিক্ষার বিকল্প নাই। আর এজন্যই সরকার একটি প্রযুক্তি নির্ভর জাতি গড়ে তুলতে চান।

তিনি বলেন, রংপুর সবসময়ই অবহেলিত এলাকা ছিলো, এখানে কখনও শিল্পায়ন হয়নি। রংপুরবাসীর উন্নয়নে সরকার নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়া হাই-টেক পার্কের মাধ্যমে এখানকার যুবকদের নিজের পায়ে দাঁড়ানোর সুযোগ সৃষ্টি হবে। এই পার্কে তিন হাজার মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ ধাকবে। আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহারে ডিজিটাল বাংলাদেশ ঘোষণার সময় অনেকেই বিদ্রুপ করেছে। অথচ এখন এই ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবতা। 

এদিকে আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক আরও বলেন, ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়া বিজ্ঞান গবেষণার পাশাপাশি জাতীয় রাজনীতিতে নীরবে-নিভৃতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে গিয়েছেন। শিক্ষা জীবনে তিনি ছাত্রলীগের সঙ্গে সম্পৃক্ত হন ষাট এর দশকে। আইয়ুব খানের সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলন করতে গিয়ে ১৯৬২ সালে তিনি আটক হন, কিছু দিন জেলও খাটেন। ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়া বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের চেয়ারম্যানসহ বিভিন্ন পদে দক্ষতা ও সাফল্যের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁর গবেষণা কর্মের পরিধি ছিলো ব্যাপক। ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়া শুধু তার কাজের জন্য নয়, বিজ্ঞানমনস্ক জাতি গঠনে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে বেঁচে আছেন এবং থাকবেন। এই কারণে আমরা এই হাই-টেক পার্কের নামকরণ রংপুরের এই কৃতি সন্তানের নামেই করা হয়েছে। আজ আনুষ্ঠানিকভাবে ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়া হাই-টেক পার্কের কাজ শুরু হয়েছে। আগামী দু’ বছরের মধ্যে অবকাঠামো নির্মাণ শেষ হলেই শুরু হবে শিক্ষা ও কর্ম সংস্থানের কার্যক্রম।

স্বাগত বক্তব্যে বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (গ্রেড-১) ডা. বিকর্ণ কুমার ঘোষ বলেন, এখন পর্যন্ত হাই-টেক পার্কসমূহে ১৯০টি প্রতিষ্ঠানকে স্পেস ও প্লট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে এর মধ্যে ১২৩টি প্রতিষ্ঠান ইতিমধ্যে কাজ শুরু করেছে এবং ১৫১টি স্থানীয় স্টার্টআপ কোম্পানিকে বিনামূল্যে স্পেস/কো-ওয়ার্কিং স্পেস বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষ আইটি ইন্ডাস্ট্রির জনবলের চাহিদার দিক বিবেচনা করে বিভিন্ন প্রশিক্ষণের মধ্যমে আইসিটি খাতে দক্ষ জনবল তৈরি হয়েছে ৩৬ হাজার। বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষ কর্তৃক আইসিটি খাতে প্রায় ২২ হাজার মানুষের প্রত্যক্ষ কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে। 

১৭০ কোটি টাকা ব্যয়ে ১০ দশমিক ৬৮ একর জমিতে এই হাই-টেক পার্কে ৩ হাজার মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। অন্ষ্ঠুানে আইসিটি বিভাগ ও বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষ, জেলা প্রশাসননের কর্মকর্তাগণসহ জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

বিভি/জেইউ/এএন

মন্তব্য করুন: