• বৃহস্পতিবার, ২৬ মে ২০২২ | ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯

তোমারে লেগেছে এতো যে ভাল..

জসিম মল্লিক

প্রকাশিত: ১৪:০১, ৯ মে ২০২২

ফন্ট সাইজ
তোমারে লেগেছে এতো যে ভাল..

ফাইল ছবি

সকালে ঘুম ভেঙ্গেই প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান সহ কয়েকজন বন্ধুর পোষ্ট থেকে জানলাম আমার অতিপ্রিয় ব্যাক্তি কে জি মোস্তফা আর নাই। ’তোমারে লেগেছে এতো যে ভাল চাঁদ বুঝি তা জানে’, ’আয়নাতে ওই মুখ দেখবে যখন..’ পৃভৃতি কালজয়ী গানের শ্রষ্ঠা সাংবাদিক, কবি এবং হোমিওপ্যাথিক ডাক্তার কে জি মোস্তফা চলে গেলেন! যখনই ঢাকা যাই প্রেসক্লাবে গেলে কে জি ভাইয়ের সাথে দেখা করতে ভুল করি না। আমাকে বিশেষ স্নেহ করতেন তিনি। ১৯৮৩/৮৪ সালের কথা। আমি তখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ি। মহসিন হলে থাকি। বিরাট টানাটানি আমার। খাওয়ার পয়সা থাকে না প্রায়ই। বিচিত্রায় টুকটাক কাজ করে যে পয়সা পেতাম তা দিয়ে চলে না। 


একদিন গেলাম ডিএফপিতে। সেখান থেকে সচিত্র বাংলাদেশ নামে একটা প্রত্রিকা প্রকাশিত হয়। সম্পাদক কে জি মোস্তফা। তাকে আগে দেখিনি। চিনিও না। তিনিও আমাকে চেনেন না। কিন্তু আমি কাজ চাই বলায় তিনি আমাকে কাজ দিলেন। চলচ্চিত্রের মানুষদের ইন্টারভিউ করতে দিলেন। আগে কখনও এই ধরণের কাজ করিনি। মনে আছে প্রথম বাংলা চলচ্চিত্র মুখ ও মুখোশের পরিচালক জব্বার খানের ইন্টারভিউ করেছিলাম। তারপর সূর্য দীঘল বাড়ির শেখ নিয়ামত আলী, সুমিতা দেবী, রানী সরকার, আনোয়ার হোসেন প্রমুখের ইন্টারভিউ করেছিলাম। সেই থেকে কে জি ভাইয়ের সাথে সখ্যতা। এমন বিরল  মানুষ দেখিনি আমি। এই বিরল প্রতিভার মানুষগুলো চলে যাচ্ছেন! কেজি ভাই যেখানে থাকেন ভাল থাকেন।

জসিম মল্লিক, কানাডা প্রবাসী লেখক-সাংবাধিক

 

মন্তব্য করুন: