জানাজায় হাজারো মানুষ, একই কবরস্থানে চিরনিন্দ্রায় পাশাপাশি শায়িত ৯ জন
মোংলা—খুলনা মহাসড়কে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১৪ জনের মধ্যে ৯ জনকে দাফন করা হয়েছে একই কবরস্থানে পাশাপাশি নয়টি কবরে। জানাযার নামাজে সমবেত হন লাখো মুসল্লি। নামাজে অংশ নেন সরকারের মন্ত্রী, এমপি, জেলা প্রশাসক ও জেলা পুলিশ সুপারসহ আইনশৃংখলা বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ।
অন্য দিকে ৪ জনকে দাফন করা হয় খুলনার কয়রায়। মাইক্রোবাস চালক নাইমের লাশ দাফন করা হয় বাগেরহাটের রামপাল উপজেলায়।
জানাযার নামাজে অংশ নিয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও সরকারের এ প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম জানান, মর্মান্তিক এ দূর্ঘটনায় সমবেদনা জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এবং প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে তিনি ও সরকারের সকল কর্মকর্তাগন ছুটে এসেছেন। দুর্ঘটনার সঠিক তদন্ত করা হবে। এবং নিহতদের পাশে থাকবে সরকার।
বুধবার ছোট ছেলে আহাদুর রহমান সাব্বিরের নতুন বৌ আনতে পরিবারের সবাই খুলনার কয়রায় যান। রাতে সেখানে অবস্থান করে বৃহস্পতিবার দুপুরে বিয়ের সকল আনুষ্ঠানিকতা শেষ করেন। বিকালে নতুন বৌ মার্জিয়া আক্তার মিতুকে সাথে নিয়ে বর সাব্বির মোংলার উদ্দেশে রওনা হন। একই গাড়ীতে ছিলো দুই পরিবারের ১৪জন।
মোংলা—খুলনা মহাসড়কের বেলাই ব্রীজ এলাকায় পৌছালে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর একটি বাস এর সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয় বর—কনে বহনকারী মাইক্রোবাসটির। ঘটনাস্থলে মৃত্যু হয় ৭ জনের। হাসপাতালে নেওয়ার পথে মৃত্যু হয় আরো ৭ জনের। এঘটনায় ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা বলছেন, সঠিক তদন্ত করে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে।
মোংলায় নিহত ৯ জন হলেন, মোংলা পৌর বিএনপির ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সভাপতি আবদুর রাজ্জাক সহ তার পরিবারের সদস্য। অন্য দিকে খুলনার কয়রায় দাফন করা ৪ জন হলেন, নতুন বৌ মার্জিয়া আক্তার মিতু, তার ছোট বোন লামিয়া এবং তাদের নানী ও দাদি। এখনও খুলনায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন, আবদুর রাজ্জাকের এক ছেলের স্ত্রী। তার অবস্থাও আশঙ্কাজনক। রামপালে দাফন করা হয় মাইক্রোবাস চালক নাইমের লাশ।
বিভি/এজেড



মন্তব্য করুন: