• NEWS PORTAL

  • সোমবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২

খোলা জানালা

জাদুময় সেই দিনরাতগুলো

জাদুময় সেই দিনরাতগুলো

প্রতিটা মানুষের মধ্যেই একটা নির্জণতা আছে, একটা একলা মন আছে। প্রতিটা মানুষই কখনও না কখনও নিঃসঙ্গ ও একা। যখন চারিদিকে সবাই ঘিরে থাকে তখন মনে হয় জীবন কানায় কানায় পূর্ণ। সফল মানুষের সুবিধা হচ্ছে তাঁকে ঘিরে থাকার মানুষের অভাব হয় না। কিন্তু ব্যর্থতার চক্রে যার জীবন বাঁধা পড়ে আছে সে সবসময় একলা, নিঃসঙ্গ। কিন্তু সফল মানুষটিও কোনো একসময় একলা অনুভব করেন। কোনো এক নির্জন মুহূর্তে তারও মনে হয়, তার কেউ নাই। আসলে প্রতিটি মানুষ একলা। আমরা পরিবার, বন্ধু, আত্মীয় নিয়ে বাঁচতে চাই, উৎসব করতে চাই, লতিয়ে, পেঁচিয়ে, জড়িয়ে থাকতে চাই। কিন্তু কখনও কি নিজেকে প্রশ্ন করেছি আমার আত্মার অস্তিত্ব কি! আমি কোথা থেকে এসেছি কোথায় যাব কখনও কি জানার চেষ্টা করেছি! বেঁচে থাকা জীবনে মানুষ কত কি করে। এক এক জনের জীবন দর্শন এক এক রকম। আমি আমার শৈশব কৈশোর থেকেই প্রবল অনুভূতি সম্পন্ন ছিলাম। ছোট খাট ঘটনা, ছোট ছোট অবহেলা, ছোট ছোট অভাব, ছোট ছোট কথা আমাকে নাড়া দিয়ে যেতো প্রচন্ডভাবে। আমাকে প্রভাবিত করত। 

চৈতি আর ডালিয়ার অপেক্ষা ফুরোলো শূন্যতাকে সঙ্গী করে
চৈতি আর ডালিয়ার অপেক্ষা ফুরোলো শূন্যতাকে সঙ্গী করে

স্বামীকে আগলে রেখেছিলেন। হাসপাতালের বিছানাতেও অসুস্থ স্বামীকে খেলা দেখার ব্যবস্থা করে দিতেন। অবসর সময় যেন অসুস্থ স্বামীর বিরক্তি বোধ তৈরি না হয়, নিজে পাশে বসে থেকে বই পড়ে শোনাতেন। আশার বাণী শোনাতেন। প্রবোধ দিতেন সুস্থ হয়ে উঠবেন, হয়তো চৈতি নিজেও বিশ্বাস করতেন সুস্থ হয়ে ফিরে আসবেন রুবেল।  কেননা ২০১৯ সালে সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে সফল অস্ত্রোপচার শেষে তার কাছে ফিরে এসেছিলেন রুবেল। আবার নতুন করে শুরু করেন, সবুজ ঘাসে ক্রিকেটকে সখ্য করে চলা। কিন্তু এবার চৈতির অপেক্ষাকে মিথ্যে করে দিয়ে চলে গেলেন রুবেল। চৈতির অপেক্ষা ফুরোলো শূন্যতাকে সঙ্গী করে। 

বুধবার, ২০ এপ্রিল ২০২২, ১৪:০৮