• NEWS PORTAL

  • বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

মতামত

শৃঙ্খলা ও সংযমের প্রতীক এই সেনাবাহিনীই কেন চায় বাংলাদেশ
শৃঙ্খলা ও সংযমের প্রতীক এই সেনাবাহিনীই কেন চায় বাংলাদেশ

ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে সাম্প্রতিক একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা আমাদের রাজনীতির একটি গভীর ও উদ্বেগজনক দিক উন্মোচন করেছে। জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা–১৭ আসনের প্রার্থী ডা. খালিদুজ্জামানের সঙ্গে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্যদের বাকবিতণ্ডা। এটি কোনো বিচ্ছিন্ন ব্যক্তিগত ঘটনা নয়; বরং রাষ্ট্রীয় শৃঙ্খলা, আইন মান্যতা ও রাজনৈতিক সংস্কৃতির প্রশ্নকে সামনে এনেছে। যে সেনাবাহিনী ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে জাতির স্বাধীনতা অর্জনে আত্মত্যাগের মাধ্যমে ইতিহাস গড়েছে, পরবর্তী দশকগুলোতে দুর্যোগে জনগণের পাশে দাঁড়িয়েছে এবং আন্তর্জাতিক শান্তিরক্ষায় বাংলাদেশের মর্যাদা প্রতিষ্ঠা করেছে, সেই একই সেনাবাহিনী ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী অস্থির সময়ে সংযম, নিরপেক্ষতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। এমন একটি প্রতিষ্ঠানের প্রতি অবমাননাকর আচরণ কেবল ব্যক্তিগত শালীনতার ব্যত্যয় নয়; এটি রাষ্ট্রীয় ইতিহাস, জনআকাঙ্ক্ষা ও দায়িত্বশীল স্থিতিশীলতার প্রতিও অবজ্ঞার শামিল।

বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২০:৩৫

নির্বাচনে এআই (AI) বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অপব্যবহার
নির্বাচনে এআই (AI) বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অপব্যবহার

আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) যেমন আমাদের জীবনে অনেক সুবিধা এনে দিচ্ছে, তেমনি এটি নতুন নতুন হুমকিও তৈরি করছে। নির্বাচন যেহেতু সন্নিকটে তাই, সম্প্রতি এর কিছু অপব্যবহার পরিলক্ষিত হচ্ছে। নির্বাচনের দিন যত ঘনিয়ে আসবে, ততই এর মাত্রা বৃদ্ধি পাবে। বিগত দিনের নির্বাচনেও এআই এর অপব্যবহার হয়েছিল। কিন্তু, সেটার ব্যবহার ছিল খুব কম। এখন যেহেতু মানুষের হাতে হাতে স্মার্টফোন এবং এআইভিত্তিক চ্যাটবট যে কেউ ব্যবহার করতে পারে, তাই এর অপব্যবহার নিয়ে চিন্তা করার সময় এসেছে। নির্বাচন আসলে নতুন নতুন গুজব তৈরি করা হয়। নতুন নতুন বট একাউন্টের আবির্ভাব হয়। ভুলতথ্য ও অপতথ্যের ছড়াছড়ি সোশাল মিডিয়াগুলোতে এবং সঙ্গে যুক্ত হয়েছে এআইভিত্তিক ডিপফেক ভিডিও, অডিও ও ছবির অহরহ ব্যবহার।

সোমবার, ২৬ জানুয়ারি ২০২৬, ১৬:৩৩

যুক্তরাষ্ট্র কেন জামায়াতকে “বন্ধু” হিসেবে চায়?
যুক্তরাষ্ট্র কেন জামায়াতকে “বন্ধু” হিসেবে চায়?

 যুক্তরাষ্ট্র জামায়াতে ইসলামিকে “বন্ধু” হিসেবে দেখতে চায়—এই খবরটি `দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট`-এর একটি প্রতিবেদনে সম্প্রতি উঠে এসেছে।` দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট`-এর প্রতিবেদনে যুক্তরাষ্ট্র জামায়াতে ইসলামিকে একটি “মধ্যপন্থী ইসলামী দল” হিসেবে বিবেচনা করছে।আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতের সম্ভাব্য সাফল্যের কারণে যুক্তরাষ্ট্র তাদের সঙ্গে সম্পর্ক বাড়াতে আগ্রহী। তবে যুক্তরাষ্ট্র সতর্ক করেছে, যদি জামায়াত ক্ষমতায় গিয়ে তাদের প্রত্যাশার বিপরীতে শরিয়াভিত্তিক নীতি চাপিয়ে দেয় বা মার্কিন স্বার্থবিরোধী পদক্ষেপ নেয়, তাহলে বাণিজ্যিক নিষেধাজ্ঞা বা শুল্ক আরোপের মতো ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। জামায়াতে ইসলামি বাংলাদেশে একাধিকবার নিষিদ্ধ হয়েছে, বিশেষ করে শেখ হাসিনার সরকারের সময়। ২০২৪ সালের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর দলটি আবার সক্রিয় হয়ে উঠেছে এবং ছাত্র সংগঠনের মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করছে। যুক্তরাষ্ট্রের এই অবস্থান বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বড়সড় কূটনৈতিক বার্তা।

রবিবার, ২৫ জানুয়ারি ২০২৬, ২০:০৮