• NEWS PORTAL

  • বুধবার, ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৩

মতামত

পাঠ্যপুস্তকের ভুলে লাভ কার!
পাঠ্যপুস্তকের ভুলে লাভ কার!

পাঠ্যপুস্তকের পুরো ব্যাপারটাই একতরফা। শিক্ষক-শিক্ষার্থী-অভিবাবকরা এর শিকার। সন্তানদের লেখাপড়া ও মানুষ হবার প্রক্রিয়া পুরোপুরি ছেড়ে দিতে হয় এনসিটিভির মর্জির ওপর। জাত আমলা এবং শিক্ষক-আমলারা যা বানিয়ে দেন,  তা-ই গেলাতে হয় সন্তানদের। সেই ধারায় এবার নতুন পাঠ্য বইয়ের ভুল-ভ্রান্তি, নকলবাজি ও আজগুবি কনটেন্টের ছড়াছড়ি। এ নিয়ে আলোচনা- সমালোচনা, ধোলাই-মালাই হয়েছে যথেষ্ট। আধুনিক প্রজন্ম গড়ে তোলার উপাদান এই পুস্তকগুলোতে আছে কিনা – সেই আলোচনাও চলছে। অপরিপক্ক শিক্ষানীতি, তা বাস্তবায়ন করতে গিয়ে হিমশিম খাওয়া, তারওপর লেজেগোবরে পাঠ্যক্রম ক্ষেত্রবিশেষে উদ্ভটও। কোথাও কোথাও উৎকট। বছর শেষে তা সহ্য করা কি নিয়তি? নইলে কেন পাঠ্যক্রম স্থিতিশীল করা হয় না? কেন বছর বছর পাঠ্যপুস্তকে মনগড়া পরিবর্তন? সেই ধারাবাহিকতায় এবার আরো বিতিকিছছিরি অবস্থা। পুরান ভুলের সাথে নতুন ভুল মিলিয়ে গুরুচরণ দশা করে ফেলা হয়েছে শিশু-কিশোরদের বইগুলো। 

শনিবার, ২১ জানুয়ারি ২০২৩, ১৫:২৫

ডিজিটাল দেশে অ্যানালগ ইমিগ্রেশন
ডিজিটাল দেশে অ্যানালগ ইমিগ্রেশন

জটিলতার সমাধান বের করলেন শ্যালিকার বর অর্থাৎ ভায়রা! সে একজন মলিকুলার বায়োলজিস্ট। গবেষনাই তার পেশা। গবেষণা করে যেটা বের করলেন সেটা হল গ্রামিনের কোন নাম্বার যদি এক বছরের বেশী সময় ধরে বন্ধ থাকে তবে সেই সিমের মালিকানা আর থাকে না এবং গ্রামীণ সেই নাম্বার অন্যত্র বিক্রি করে দেয়। পঞ্চগড়ের কোন এক গ্রামের কোন এক মহিলা সখ করে জীবনের প্রথম সিম হিসাবে কিনেছেন মাত্র কয়েক মাস আগে, তিনি পেয়েছেন আমার নাম্বারটির।  সেই মহিলার স্বামী একজন আমীন অর্থাৎ জমি মাপামাপির কাজ করে। লোকটি খুবি সন্দেহ প্রবন। তার ধারনা যে তার বউ পরকীয়া করার জন্যই ফোন নিয়েছে। এবং আজ সে একটা বড় প্রমান হাতে পেয়েছে।

সোমবার, ১৬ জানুয়ারি ২০২৩, ১৪:৫৮

ধ্বংসস্তূপ থেকে বেরিয়ে আসা ফিনিক্স বিরাট কোহলি
ধ্বংসস্তূপ থেকে বেরিয়ে আসা ফিনিক্স বিরাট কোহলি

অনেকে যখন যবনিকা পড়তে যাচ্ছে বলে অবিচ্যুয়ারি লিখতে বসেছেন তখনই টি-২০তে সেঞ্চুরি করে প্রবলভাবে ফিরে আসলেন। সদ্য শেষ হওয়া টি-২০ বিশ্বকাপে পাকিস্তানের বিপক্ষে খেলে দিলেন এক নেইল বাইটিং এপিক! সেই ৮২ রান এক জোড়া সেঞ্চুরির পাশেও উজ্জ্বল থাকবে ইতিহাসে। বিশ্বকাপের পরে ছোট ফর্মেটে বিরতী। ওডিআই শুরু হতেই আবার আগের সেই খুনে ফর্মে। কিছুদিন আগে ওয়াসিম জাফর বলেছিলেন—`আহত সিংহ রক্তের স্বাদ পেয়েছে, এবার ওর ‘শিকার’ চলতে থাকবে…’ জাফর ঠিক ছিলেন। বিরাট শেষ চার ম্যাচে তিনটি সেঞ্চুরি করলেন। সর্বশেষ ১৫ জানুয়ারি তিরুঅন্তপুরমে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে। একটা চান্সলেস নিখুঁত এপিক ইনিংস। ১১০বলে ১৬৬রানে অপরাজিত ১৩টি চার ৮টি ছয় স্ট্রাইকরেট১৫০.৯!

সোমবার, ১৬ জানুয়ারি ২০২৩, ১৩:০২

আমরা ভুল, সরকার সঠিক
আমরা ভুল, সরকার সঠিক

আমরা আশঙ্কা করেছিলাম ইনফ্লাশনে দেশ শ্রীলঙ্কার মত হবে। সরকার জানত; হবে না। সরকার আরও জানত এদেশের মানুষ ক্রমান্বয়ে ৫৫ ডিগ্রি তাপে টিকে থাকতে পারে, ৬ ডিগ্রিতেও পারে, সারা বছর প্রোটিন না খেয়েও পারে। দফায় দফায় জ্বালানি তেল, বিদ্যুৎ, গ্যাস, পরিবহন, সকল সেবামূল্য বেড়ে গিয়ে জনজীবন দুর্বিসহ। নীরব ঘাতকের সকল প্রকার পণ্যসহ জীবন রক্ষাকারী ওষুধের দাম বেড়েছে। এই শহরের বস্তিবাসীও ১শ টাকার কমে এক বেলা খেতে পারে না। এরকম ভয়াবহ দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির পরও বিনা ঘোষণায় আরও অনেক কিছুর দাম বেড়েছে। সব মিলিয়ে অবস্থা এমন যে গরিব মানুষ দূরের কথা, মধ্যবিত্তের ক্রয়ক্ষমতাও শেষ। 

সোমবার, ৯ জানুয়ারি ২০২৩, ১৪:৩১

বাংলাদেশের প্রতিটি আন্দোলনে ছাত্রলীগের ভূমিকা প্রশংসনীয়
বাংলাদেশের প্রতিটি আন্দোলনে ছাত্রলীগের ভূমিকা প্রশংসনীয়

শিক্ষা, শান্তি ও প্রগতির পতাকাবাহী সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। প্রতিষ্ঠাতা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। বর্তমানে বাংলাদেশের প্রধান রাজনৈতিক ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। ১৯৪৮ সালের ৪ জানুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক হলের অ্যাসেম্বলি হলে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠা করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। প্রতিষ্ঠাকালীন সময়ে এর নাম ছিল পূর্ব পাকিস্তান মুসলিম ছাত্রলীগ। প্রতিষ্ঠার পর থেকে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ বিভিন্ন সময়ে বাংলাদেশের বিভিন্ন অধিকার সংক্রান্ত আন্দোলনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন, শিক্ষার অধিকার, বাঙালির স্বায়ত্তশাসন প্রতিষ্ঠা, গণঅভ্যুত্থান, স্বাধীনতা ও স্বাধিকার আন্দোলন।

বুধবার, ৪ জানুয়ারি ২০২৩, ১৮:৪৮

বাংলাদেশে কি কোন সেরা নারী ক্রীড়াবিদ নেই!
বাংলাদেশে কি কোন সেরা নারী ক্রীড়াবিদ নেই!

বাংলাদেশের সর্বস্তরে একটি স্লোগান ব্যাপকভাবে উচ্চারিত-নারী স্বাধীনতা, নারীর ক্ষমতায়ন ও নারীর সমঅধিকার। এই স্লোগানের আড়ালে কী ঘটে সেটা কাউকে বলে দিতে হবে না। এগুলো যে কেবল কথার কথা তার সর্বশেষ নজির রাখল ক্রীড়া সাংবাদিকদের সংগঠন ‘ক্রীড়া লেখক সমিতি’। সমিতির ৬০ বছর পূর্তিতে স্বাধীনতার পর ৫০ বছরে ‘দেশের সেরা ১০’ ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব নির্বাচন করে সম্মাননা দিয়েছে তারা। এই তালিকায় ১ম সাকিব আল হাসান, ২য় কাজী সালাহউদ্দীন, ৩য় নিয়াজ মোর্শেদ। দ্বিতীয় হওয়ায় কাজী সালাহউদ্দীন সম্মাননা প্রত্যাখ্যান করেছেন। বাফুফে’তে তার আমলের অর্জন নিয়ে এখানে আলোচনার কিছু নেই। সেই ব্যর্থতা ‘দেশের সেরা ১০’ সম্মাননার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।

বুধবার, ৪ জানুয়ারি ২০২৩, ১৫:২১