• NEWS PORTAL

  • শনিবার, ২২ জুন ২০২৪

Inhouse Drama Promotion
Inhouse Drama Promotion

বিজেএস-ইএমকের ফেলোশিপ প্রোগ্রাম শুরু, সুযোগ পেলেন ৪০ গণমাধ্যমকর্মী

প্রকাশিত: ১৩:৫৭, ৬ জুন ২০২৩

আপডেট: ১৩:৫৮, ৬ জুন ২০২৩

ফন্ট সাইজ
বিজেএস-ইএমকের ফেলোশিপ প্রোগ্রাম শুরু, সুযোগ পেলেন ৪০ গণমাধ্যমকর্মী

এডওয়ার্ড মারো কেনেডি (ইএমকে) সেন্টারের পৃষ্ঠপোষকতায় সাংবাদিকদের জন্য একটি ফেলোশিপ পোগ্রাম শুরু হয়েছে। বাংলাদেশি জার্নালিস্টস ইন ইন্টারন্যাশনাল মিডিয়ার (বিজেআইএম) অলাভজনক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বিল্ডিংঅ্যাসেটস জার্নালিজম স্কুল (বিজেএস) বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত ৪০ সাংবাদিক নিয়ে তা শুরু করে। সোমবার (৫ জুন) রাজধানীর ইএমকে সেন্টারে ফেলোশিপ পোগ্রামটি শুরু হয়। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিজেএস এসব তথ্য জানায়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘উন্নত সাংবাদিকতার জন্য প্রয়োজনীয় কর্মশালা’ শীর্ষক এই ফেলোশিপ প্রোগ্রামে রয়েছেন বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদক, ফটোসাংবাদিক ও ভিডিওসাংবাদিকরা। ১০ সপ্তাহব্যাপী এই প্রোগ্রামের জন্য মধ্য-ক্যারিয়ারে থাকা সাংবাদিকদের কঠোর যাচাই-বাছাইয়ের পর নির্বাচন করা হয়। পেশাদার সাংবাদিকের বহুমুখী কর্মপ্রতিভা শাণিত করে তোলাই এর অন্যতম উদ্দেশ্য। ইএমকে সেন্টার প্রদত্ত স্মল গ্র্যান্ট ২০২২-২৩ বিজয়ী হয়ে বিজেএস দেশের সাংবাদিকতা বিকশিত করে তুলতে এই ফেলোশিপ পরিচালনা করছে।

এই কর্মশালায় সাতটি বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। তা হলো, মোবাইলফোন সাংবাদিকতা, গল্পবলা ও সংবাদ উৎস সংগ্রহ ও সংরক্ষণ, সংবাদ নীতি ও অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা, দীর্ঘলেখনী সাংবাদিকতা, ভুয়া নিউজ ও ভুল তথ্য খুঁজে বের করার সাধারণ কিছু নিয়মাবলী, বহুমুখী সাংবাদিকতা ও প্রতিকূল পরিবেশে সাংবাদিকতা প্রশিক্ষণ। অনাবাসিক এই কর্মশালায় অন্তত ৭০ শতাংশ নম্বর ওঠাতে পারলে অংশগ্রহণকারীদের একটি সনদ এবং প্রথম তিনজনকে আকর্ষণীয় ক্রেস্ট দেওয়া হবে।

কর্মশালার প্রশিক্ষকদের মধ্যে রয়েছেন এএফপি ব্যুরোপ্রধান শফিকুল আলম, প্রথম আলোর বিশেষ প্রতিনিধি রোজিনা ইসলাম, আল-জাজিরা প্রতিনিধি ফয়সাল মাহমুদ, এএফপি ফ্যাক্টচেক সম্পাদক কদরউদ্দিন শিশির, ডিডব্লু একাডেমি প্রশিক্ষক মাকসুদা আজিজ, পুলিৎজারজয়ী একমাত্র বাংলাদেশি সাংবাদিক মোহাম্মদ পনির হোসেন এবং আন্তর্জাতিক পুরষ্কারপ্রাপ্ত সাংবাদিক স্যাম জাহান।

বিজেএসের প্রধান প্রশিক্ষক স্যাম জাহান বলেন, ‘জাতীয় পর্যায়ের প্রশিক্ষক কর্তৃক পরিচালিত এমন ফেলোশিপ ও প্রশিক্ষণ প্রোগ্রাম সাধারণত দেখা যায় না। তা ফেলোদের দক্ষতা বাড়াবে এবং আরো ভালো সাংবাদিক হওয়ার দুর্দান্ত সুযোগ তৈরি করবে। আশা করি, আমরা ভবিষ্যতেও এই ধরনের প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখতে পারব।’

ফেলোশিপপ্রাপ্ত সাংবাদিকরা হলেন, মো. সাহাবীর মিয়া, মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান, আবদুল্লাহ আল জোবাইর, ঝুমুর সাহা, মারজিয়া হাশমি মম, নাসিলুম আহমেদ শুভ, সাইমুন মুবিন, মনিরুজ্জামান, সবুজ মাহমুদ, ফারিজা সাবরিন, রাফিয়া খানম চৌধুরী, ফৌজিয়া সুলতানা, শারীফা সুলতানা (রিমু সিদ্দিক), ইফফাত জাহান, ফারহানা হক, মো. হেদায়েত উল্লাহ, মো. আরশাদ আলী, মো. সাজ্জাদ হোসেন, মো. জাহিদুল ইসলাম, গোলাম রব্বানী, মো. মিরাজ হোসেন, শেখ শাহরুখ ফারহান, মো. মিনহাযুল আবেদিন রিয়াজ চৌধুরী, এম এম হাশমি, নায়েম শান, মো. তানজিল আহমেদ, মো. ওসমান গণি, মো. তাজনুর ইসলাম, তাসলিমুল আলম তৌহিদ, শোয়েব আব্দুল্লাহ, মাহফুজুর রহমান মানিক, স্টেফান রোজারিও, নূর মোহাম্মদ, অমিত বণিক, মো. আসাদুজ জামান, হাসান আল মানজুর, মো. মারিফুল ইসলাম, ইয়াসির আরাফাত ও কেরী আশীর্বাদ বিশ্বাস (পিয়াস)।    
 

বিভি/রিসি

মন্তব্য করুন: