• NEWS PORTAL

  • বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

জিয়াউল ‘সিরিয়াল কিলার’ ছিলেন: ট্রাইব্যুনালে সাবেক সেনাপ্রধান ইকবাল

প্রকাশিত: ১১:৪৬, ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

আপডেট: ১১:৪৭, ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

ফন্ট সাইজ
জিয়াউল ‘সিরিয়াল কিলার’ ছিলেন: ট্রাইব্যুনালে সাবেক সেনাপ্রধান ইকবাল

সাবেক সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসান ‘সিরিয়াল কিলার’ ছিলেন বলে জানিয়েছেন সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল (অব.) ইকবাল করিম ভূঁইয়া। এ কারণে জিয়াউলের পদোন্নতির বিরোধিতা করেছিলেন বলেও দাবি করেন তিনি।

বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ জেরার জবাবে এ দাবি করেন এই সাবেক সেনাপ্রধান। তাকে জেরা করেন আসামিপক্ষের আইনজীবী আমিনুল গণি টিটো। এ সময় জিয়াউল আহসানের বোন আইনজীবী নাজনীন নাহারসহ আরও কয়েকজন সঙ্গে ছিলেন।

এর আগে শতাধিক গুম-খুনের অভিযোগে মানবতাবিরোধী অপরাধের এ মামলার আসামি বরখাস্ত মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসানকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন ট্রাইব্যুনালে এদিন অপর বিচারক ছিলেন মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

জেরার এক পর্যায়ে আইনজীবী আমিনুল গণি টিটোর প্রশ্নে জবাবে ইকবাল করিম ভূঁইয়া বলেন, ‘জিয়াউল আহসান একজন সিরিয়াল কিলার। এ কারণে আমি তার পদোন্নতি দেয়ার পক্ষে ছিলাম না। তবে পদোন্নতি বোর্ডের অধিকাংশই তাকে ভালো কর্মকর্তা হিসেবে আখ্যা দিয়ে পদোন্নতি দিতে সুপারিশ করেছেন।’

আপনি সেনাপ্রধান থাকাকালে ২০১২-১৫ সালের মধ্যে জিয়াউল আহসান কয়টি পদোন্নতি পেয়েছেন? আইনজীবী টিটোর এমন প্রশ্নের জবাবে অবসরপ্রাপ্ত জেনারেল ইকবাল করিম ভূঁইয়া বলেন, একটি পদোন্নতি পেয়েছেন- লেফটেন্যান্ট কর্নেল থেকে কর্নেল পদে।

এ সময় তার পদোন্নতির ব্যাপারে পদোন্নতি বোর্ডের কতজন কর্মকর্তা সুপারিশ করেছেন জানতে চান আসামির আইনজীবী টিটো। জবাবে ইকবাল করিম বলেন, ‘অধিকাংশই মতামত দিয়েছেন। তাদের মতামতের ভিত্তিতে জিয়াউল আহসানকে পদোন্নতি দেওয়া হয়। তবে বোর্ডের অনেক সদস্যই নিজেদের ভবিষ্যৎ স্বার্থ চিন্তা করে মতামত দিয়েছেন।’

সাবেক সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসানের পদোন্নতি ঠেকাতে চাওয়ার কথা তুলে ধরে ইকবাল করিম বলেন, ‘আমি মেজর জেনারেল মোমেনকে ডেকে বলেছি যে, জিয়াউল আহসান একজন সিরিয়াল কিলার। আমি তার পদোন্নতি দেয়ার পক্ষে নই। তুমি পদোন্নতি সভায় এভাবেই উপস্থাপন করবে। পরে সভায় এভাবেই উপস্থাপন করেছেন মোমেন। তথাপি জিয়াউলকে ভালো কর্মকর্তা হিসেবে অভিহিত করে পদোন্নতির জন্য সুপারিশ করেছেন অধিকাংশ সদস্য।

গত ৪ জানুয়ারি জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের বিষয়ে শুনানি শেষ করে প্রসিকিউশন। শুনানিতে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে শতাধিক গুম-খুনের দায়ে তার বিরুদ্ধে তিনটি অভিযোগ পড়ে শোনান প্রধান কৌঁসুলি মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম।

বিভি/টিটি

মন্তব্য করুন: