• NEWS PORTAL

  • শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

রমজানে কাঁচাবাজারে আগুন, করলা-কাঁচামরিচের ডাবল সেঞ্চুরি

প্রকাশিত: ১৪:২৩, ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

আপডেট: ১৪:৩০, ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

ফন্ট সাইজ
রমজানে কাঁচাবাজারে আগুন, করলা-কাঁচামরিচের ডাবল সেঞ্চুরি

ছবি: সংগৃহীত

রোজায় বাজারে ছোলা, মুড়ির দাম কম থাকলেও ইফতারের উপাদান হিসেবে বেশ বেড়েছে লেবু, কাঁচা মরিচ ও শসার দর। ফলের দামও সাধারণের নাগালের বাইরে। নিয়মিত বাজার মনিটরিং না হওয়ায় বাজার নিয়ন্ত্রণে আসছে না বলে অভিযোগ ক্রেতাদের। রোজায় পণ্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখার তাগিদ তাদের।

বৈশাখের আগে সরকার চাল আমদানি করায় বাজারে চালের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। আটাশ জাতের মোটা চাল বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৫২ টাকা। চাল আমদানি বন্ধ হলেই সিন্ডিকেট চালের দাম বাড়িয়ে দেয় বলে অভিযোগ ব্যবসায়ীদের।

সপ্তাহের ব্যবধানে অপরিবর্তিত রয়েছে ব্রয়লার মুরগির দাম। বিক্রি হচ্ছে ১৮০ থেকে ১৯০ টাকায়। সোনালী বিক্রি হচ্ছে  ২৮০ থেকে ৩০০ টাকা কেজিতে। তবে ডিমের দাম কমে ডজন প্রতি বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকায়। 

রমজানের ইফতারের উপাদান হিসেকে ব্যবহৃত খাদ্যপণ্যের দাম কিছুটা কম ও স্থিতিশীল রয়েছে। বুট বিক্রি হচ্ছে ৮৫ থেকে ৮০ টাকায়। ছোলা ১০০ টাকা, ডাবরি ৬০ টাকা। খোলা চিনি বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১০৫ টাকায়। খেসারির ডাল বিক্রি হচ্ছে ৮৫ থেকে ৯০ টাকায়। প্রতিকেজি মুড়ি বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ টাকায়। মান ভেদে চিড়া বিক্রি হচ্ছে ১৩০ থেকে ১৪০ টাকা কেজিতে। আর পাটালি গুড় বিক্রি হচ্ছে কেজি প্রতি ১৩০ টাকা পর্যন্ত। 

তবে উর্ধ্বমুখী সবজির বাজার। উস্তা বিক্রি হচ্ছে কেজিতে ২৪০ টাকায়, খিরাই ৯০ টাকা। শসা বিক্রি হচ্ছে ১৩০ টাকায়। কাঁচামরিচ কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৮০ থেকে ২০০ টাকা। লেবুর দাম বেড়েছে, প্রকারভেদে ডজন প্রতি দাম ১২০ থেকে ১৫০ টাকা। কদিন ধরেই. কাঁচা বাজারে পণ্যের দাম বাড়তি বলছেন ভোক্তারা। এছাড়া, সব ধরনের ফলের দামও বেশি। 

নিত্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে নিয়মিত বাজার মনিটরিং ও সিন্ডিকেট ভেঙে দেওয়ার দাবি সাধারণ মানুষের।

 

বিভি/এআই

মন্তব্য করুন: