তেলের দাম বাড়তেই কমলো স্বর্ণের দাম!
ছবি: ফাইল ফটো
জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি ও যুক্তরাষ্ট্রের সুদের হার নিয়ে অনিশ্চয়তায় বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম সামান্য কমেছে। মূল্যস্ফীতি বাড়ার আশঙ্কার পাশাপাশি মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছেন বিনিয়োগকারীরা।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) বাংলাদেশ সময় দুপুর ২টা ৫৪ মিনিটে স্পট মার্কেটে স্বর্ণের দাম ০.১ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৫৫.৫৯ ডলারে দাঁড়ায়। আগের কার্যদিবসে দাম প্রায় ১ শতাংশ বেড়েছিলো। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রে ডিসেম্বর সরবরাহের স্বর্ণের ফিউচার মূল্য ০.১ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৭০.২০ ডলারে নেমে আসে।
সৌদি আরবের একটি তেল শোধনাগারে হামলার পর সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এতে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ২ ডলারের বেশি বেড়েছে।
ক্যাপিটাল ইকোনমিকসের অর্থনীতিবিদ হামাদ হুসেইনের মতে, তেলের দাম বাড়লে মূল্যস্ফীতির চাপ দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে। এতে ফেড প্রত্যাশার চেয়ে কঠোর অবস্থান নেওয়ার ঝুঁকি বাড়ে, যা স্বর্ণের দামে চাপ সৃষ্টি করে। সুদবিহীন সম্পদ হওয়ায় সুদের হার বেশি থাকলে স্বর্ণে বিনিয়োগের আকর্ষণ কমতে পারে।
বুধবার গ্রিনিচ মান সময় সন্ধ্যা ৬টায় ফেডের সুদহার সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত ঘোষণার কথা। বাজার বিশ্লেষকদের ধারণা, এবার নীতিগত সুদহার অপরিবর্তিত থাকতে পারে। তবে সিএমইর ফেডওয়াচ টুলের তথ্য অনুযায়ী, ডিসেম্বর মাসে সুদহার বাড়ানোর সম্ভাবনা ৮৪ শতাংশ ধরে লেনদেন করছেন বিনিয়োগকারীরা।
বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের ব্যক্তিগত ভোগব্যয় মূল্যসূচকের (পিসিই) তথ্য প্রকাশের কথা। মূল্যস্ফীতি পরিমাপে ফেডের কাছে গুরুত্বপূর্ণ এই সূচকের লক্ষ্যমাত্রা ২ শতাংশ। স্বাধীন বাজার বিশ্লেষক নিকোস জাবুরাস বলেন, পিসিইর তথ্য প্রত্যাশার চেয়ে ইতিবাচক হলে এবং ফেড তুলনামূলক কম কঠোর অবস্থান নিলে স্বর্ণের দাম আবার বাড়তে পারে।
এদিকে রুপার দাম ০.৬ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৫৪.০৪ ডলার এবং প্লাটিনামের দাম ০.১ শতাংশ কমে ১ হাজার ৫৩৮.৫০ ডলারে নেমেছে। বিপরীতে প্যালাডিয়ামের দাম ০.২ শতাংশ বেড়ে ১ হাজার ১২৭.৮০ ডলারে দাঁড়িয়েছে। সূত্র: রয়টার্স
বিভি/এমআর













মন্তব্য করুন: