• NEWS PORTAL

  • মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২৬

সবার সেরা ময়মনসিংহ বোর্ড, সবচেয়ে পিছিয়ে বরিশাল

প্রকাশিত: ১৬:৩৯, ৩০ ডিসেম্বর ২০২১

ফন্ট সাইজ
সবার সেরা ময়মনসিংহ বোর্ড, সবচেয়ে পিছিয়ে বরিশাল

এবছরের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমান পরীক্ষায় ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের মধ্যে পাসের হারে শীর্ষস্থান দখল করেছে নতুন প্রতিষ্ঠিত ময়মনসিংহ মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড। এই বোর্ডে গড় পাসের হার ৯৭ দশমিক ৫২। অন্যদিকে পাসের হারে পিছিয়ে আছে বরিশাল শিক্ষা বোর্ড। এই বোর্ডে পাসের হার ৯০ দশমিক ১০। ফলের সর্বোচ্চ জিপিএ’র দিক থেকে বরাবরের মতো এবারও শীর্ষে আছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড। এই বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪৯ হাজার ৫৩০ জন।

শিক্ষাবোর্ড থেকে পাওয়া তথ্যমতে, 
ময়মনসিংহে পাসের হার ৯৭ দশমিক ৫২ শতাংশ,  জিপিএ-৫ পেয়েছে ১০,০৯২ জন। 
সিলেট বোর্ডে পাসের হার ৯৬ দশমিক ৭৮ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪৮৩৪ জন।
কুমিল্লা বোর্ডে পাসের হার ৯৬ দশমিক ২৭ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৪,৬২৬ জন। 
দিনাজপুর বোর্ডে পাসের হার ৯৪ দশমিক ৮০ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৭,৫৭৮ জন। 
রাজশাহী বোর্ডে পাসের হার ৯৪ দশমিক ৭১ শতাংশ, জিপিএ ৫ পেয়েছে ২৭,৭০৯ জন। 
ঢাকা বোর্ডে পাসের হার ৯৩ দশমিক ১৫ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪৯,৫৩০ জন। 
যশোর বোর্ডে পাসের হার ৯৩ দশমিক শূন্য ৯ শতাংশ, জিপিএ ৫ পেয়েছে ১৬,৪৬১ জন। 
চট্টগ্রাম বোর্ডে পাসের হার ৯১ দশমিক ১২ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১২,৭৯১ জন। 
বরিশাল বোর্ডে পাসের হার ৯০ দশমিক ১৯ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১০,২১৯ জন।  

সব শিক্ষা বোর্ড মিলিয়ে এবার এসএসসিতে মোট পরীক্ষার্থী ছিলো ২২ লাখ ৪০ হাজার ৩৯৫ জন। এর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ২০ লাখ ৯৬ হাজার ৫৪৬ জন। গত বছরের মতো এবারও ছেলেদের তুলনায় মেয়েরা এগিয়ে আছে। এবছর মেয়েদের পাসের হার ৯৪.৫০ শতাংশ এবং ছেলেদের ৯২.৬৯ শতাংশ। এবছর মোট ছেলে পরীক্ষার্থী ছিলো ১১ লাখ ৪২ হাজার ৯৪ জন, উত্তীর্ণ হয়েছে ১০ লাখ ৫৮ হাজার ৬২৮ জন। মেয়ে পরীক্ষার্থী ছিলো ১০ লাখ ৯৮ হাজার ৩০১ জন, উত্তীর্ণ হয়েছে ১০ লাখ ৩৭ হাজার ৯১৮ জন।

এবছরের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমান পরীক্ষায় ১ লাখ ৮৩ হাজার ৩৪০ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে। জিপিএ-৫ পাওয়ার দিক থেকেও ছেলেদের তুলনায় এগিয়ে রয়েছে মেয়েরা। এবার জিপিএ-৫ পেয়েছে এক লাখ ৩৫ হাজার ৭৮ জন মেয়ে এবং ৭৯ হাজার ৭৬২ জন ছেলে।

শিক্ষা বোর্ডগুলোর সূত্রে জানা গেছে, মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমান পরীক্ষায় গড় পাসের হার ৯৩ দশমিক ৫৮ শতাংশ। ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে শুধু এসএসসি পরীক্ষায় গড় পাসের হার ৯৪ দশমিক ০৮ শতাংশ। মাদরাসা বোর্ডের পাসের হার ৯৩.২২ শতাংশ। এছাড়া কারিগরি বোর্ডের পাসের হার ৮৮.৮৯ শতাংশ।

দেশের ৫ হাজার ৪৯৪টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শতভাগ শিক্ষার্থী পাস করেছে। তবে দেশের ১৮টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো পরীক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি। 

ওয়েবসাইটে ফল জানবেন যেভাবেঃ 
শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে, শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে গিয়ে রোল নাম্বার, পরীক্ষার নাম এবং বোর্ড সিলেক্ট করে ফলাফল জানা যাবে। প্রথমে ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে পরীক্ষার ধরন নির্বাচন করতে হবে। এরপর পরীক্ষার বছর, বোর্ড, রোল, রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিতে হবে। ওয়েব নিরাপত্তার জন্য একটি অঙ্ক সেখানে দেওয়া থাকবে সেটির যোগফল লিখে সাবমিট বাটনে ক্লিক করলেই ফলাফল পাওয়া যাবে। তবে ফল জানার জন্য প্রতি বছর অতিরিক্ত ট্রাফিকের কারণে সার্ভার সংক্রান্ত সমস্যা হয়। তাই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে রেজাল্ট জানতে কিছুটা বেশি সময় লাগতে পারে। এক্ষেত্রে প্রতিটি বোর্ডেরও নিজস্ব ওয়েবসাইট রয়েছে। সেখান থেকেও ফলাফল জানা যাবে।

এসএমএসের মাধ্যমে জানা যাবে যেভাবেঃ
মোবাইলে এসএমএস-এর মাধ্যমে ফল পাওয়ার জন্য SSC লিখে স্পেস দিয়ে বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে আবার স্পেস দিয়ে পাসের বছর লিখে পাঠাতে হবে ১৬২২২ নম্বরে। উদাহরণ-SSC DHA 123456 2021 লিখে পাঠাতে হবে ১৬২২২ নম্বরে। ফিরতি এসএমএসে জানা যাবে ফল।

মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের জন্য DAKHIL লিখে স্পেস দিয়ে বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর লিখে আবার স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে পাসের সাল লিখে পাঠাতে হবে ১৬২২২ নম্বরে। উদাহরণ-DAKHIL MAD 123456 2021 লিখে পাঠাতে হবে ১৬২২২ নম্বরে। ফিরতি এসএমএসে জানা যাবে ফল।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, করোনা মহামারির কারণে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় গত ১৪ নভেম্বর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হয়। ৩ হাজার ৬৭৯টি কেন্দ্রে ৩৯ হাজার ৩৫টি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী অংশ নেয়।

করোনার কারণে এবার সব বিষয়ের পরীক্ষা হয়নি। শুধু গ্রুপভিত্তিক (বিজ্ঞান, মানবিক, ব্যবসায় শিক্ষা ইত্যাদি) তিনটি বিষয়ে সময় ও নম্বর কমিয়ে এই পরীক্ষা হয়। এবার অন্য আবশ্যিক বিষয় ও চতুর্থ বিষয়ের পরীক্ষা হয়নি। এসব বিষয়ে জেএসসি ও সমমানের পরীক্ষার নম্বরের ভিত্তিতে ‘ম্যাপিং’ করে নম্বর দেওয়া হয়।

বিভি/এসডি

মন্তব্য করুন: