• NEWS PORTAL

  • শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬

পপ তারকা ব্রিটনি স্পিয়ার্স গ্রেফতার

প্রকাশিত: ০৯:১৯, ৬ মার্চ ২০২৬

ফন্ট সাইজ
পপ তারকা ব্রিটনি স্পিয়ার্স গ্রেফতার

ছবি: ব্রিটনি স্পিয়ার্স (সংগৃহীত)

আবারও আইনি জটিলতায় পড়েছেন মার্কিন পপ তারকা ব্রিটনি স্পিয়ার্স। যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় পুলিশ তাকে গ্রেফতার করেছে বলে আদালত সূত্রে জানা গেছে।

বুধবার প্রশান্ত মহাসাগরীয় সময় রাত সাড়ে ৯টার দিকে ক্যালিফোর্নিয়া হাইওয়ে প্যাট্রল তাকে গ্রেফতার করে। আদালতের নথি অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার ভোরে তাকে ছেড়ে দেওয়া হলেও আগামী ৪ মে ভেঞ্চুরা কাউন্টি সুপিরিয়র কোর্টে হাজিরা দিতে হবে।

তবে ঠিক কী কারণে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে, সে বিষয়ে আদালতের নথিতে স্পষ্ট কোনো তথ্য উল্লেখ করা হয়নি।

ব্রিটনি স্পিয়ার্সের এক প্রতিনিধি বিবিসি নিউজকে বলেন, ‘এটি একটি দুর্ভাগ্যজনক ও ক্ষমার অযোগ্য ঘটনা। ব্রিটনি উপযুক্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন এবং আইন মেনে চলবেন।’

তিনি আরও জানান, গায়িকার সন্তানরা তার সঙ্গেই থাকবে এবং নিকটাত্মীয়রা তার সার্বিক কল্যাণের জন্য দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা করছেন।

গ্রেফতারের খবর প্রকাশ হওয়ার পর বৃহস্পতিবার ইনস্টাগ্রাম থেকে নিজের অ্যাকাউন্ট মুছে ফেলেন ব্রিটনি স্পিয়ার্স।

পপ সংগীতের ইতিহাসে অন্যতম সফল শিল্পী ব্রিটনি স্পিয়ার্সের ঝুলিতে রয়েছে ‘টক্সিক’, ‘এভরিটাইম’, ‘গিভ মি মোর’, ‘উম্যানাইজার’ ও ‘বেবি ওয়ান মোর টাইম’-এর মতো জনপ্রিয় গান।

২০২৪ সালের জানুয়ারিতে তিনি ঘোষণা দিয়েছিলেন, আর কখনও সংগীত জগতে ফিরবেন না। ২০২২ সালে এলটন জনের সঙ্গে গাওয়া একটি দ্বৈত গানই ছিলো তার শেষ কাজ।

তবে চলতি বছরের শুরুতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া একটি পোস্টে (যা পরে মুছে ফেলা হয়) তিনি ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠান না করলেও ভবিষ্যতে যুক্তরাজ্য বা অস্ট্রেলিয়ায় লাইভ কনসার্ট করার আগ্রহ রয়েছে।

ব্যক্তিগত জীবনে দীর্ঘ সময় আইনি অভিভাবকত্বের অধীনে ছিলেন ব্রিটনি। ২০২১ সাল পর্যন্ত টানা ১৩ বছর তার বাবা জেমি স্পিয়ার্সের কনজারভেটরশিপের অধীনে ছিলেন তিনি। ওই সময়ে তার ব্যক্তিগত জীবন ও আর্থিক বিষয়গুলো বাবার নিয়ন্ত্রণেই ছিলো।

২০২৩ সালে প্রকাশিত তার স্মৃতিকথা ‘দ্য উম্যান ইন মি’-তে সেই অভিজ্ঞতার কথা বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন ব্রিটনি।

এদিকে ২০২৫ সালের শেষদিকে তার সাবেক স্বামী কেভিন ফেডারলাইনও ‘ইউ থট ইউ নিউ’ নামে একটি স্মৃতিকথা প্রকাশ করেন।

বিভি/এআই

মন্তব্য করুন:

সর্বাধিক পঠিত