কড়া পাহাড়ায় মাদুরো, নজিরবিহীন অভিযানে নিহত অন্তত ৪০
ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কের ব্রুকলিনের মেট্রোপলিটন ডিটেনশন সেন্টার বা এমডিসিতে কড়া নিরাপত্তায় রাখা হয়েছে। মাদক চোরাচালানের অভিযোগে করা মামলায় প্রেসিডেন্ট মাদুরোকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
এদিকে, আন্তর্জাতিক নিয়মনীতির পরোয়া না করে ভিনদেশে আগ্রাসন চালিয়ে প্রেসিডেন্টকে তুলে নেয়ার নিন্দা জানিয়েছেন জাতিসংঘ ছাড়াও বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধানরা। এ ঘটনায় শুধু ভেনেজুয়েলা নয়; যুক্তরাষ্ট্রজুড়েও শুরু হয়েছে যুদ্ধবিরোধী বিক্ষোভ। মাদুরো অপহরণকাণ্ডে মার্কিন বাহিনীর হামলায় দেশটিতে নিহত হয়েছে অন্তত ৪০ জন।
আন্তর্জাতিক আইনকে পাত্তা না দিয়ে একটি সার্বভৌম দেশের রাষ্ট্রপ্রধানকে আটকের ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছে জাতিসংঘসহ বিভিন্ন দেশের সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধানরা। জাতিসংঘ মহাসচিবের এক মুখপাত্র জানান, ভেনেজুয়েলায় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানে তিনি খুবই উদ্বিগ্ন। এই ঘটনা শুধু ভেনেজুয়েলার জন্য নয়, পুরো অঞ্চলের জন্যই ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।
অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন শহরে শুরু হয়েছে যুদ্ধবিরোধী বিক্ষোভ। যুদ্ধবিরোধী স্লোগান লেখা প্ল্যাকার্ড-ব্যানার নিয়ে রাস্তায় নেমেছে সাধারণ মানুষ। কারও কারও হাতে ভেনেজুয়েলার পতাকাও দেখা গেছে। নিকোলাস মাদুরোকে আটকের ঘটনার নিন্দা জানিয়েছেন নিউইয়র্কের নতুন মেয়র জোহরান মামদানি। ভেনিজুয়েলায় ট্রাম্পের হামলাকে আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন বলেও উল্লেখ করেছেন।
তবে, নিকোলাস মাদুরোকে আটক করায় তীব্র নিন্দার পাশাপাশি প্রশংসায়ও ভাসছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মাদুরোকে বন্দী করায় উল্লাস করতে দেখা যায় যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় বসবাসকারী ভেনেজুয়েলান অভিবাসীদের। অনেক আনন্দিত ভেনিজুয়েলানকে ব্রুকলিন ডিটেনশন সেন্টারের বাইরে মাদুরোর জন্য অপেক্ষা করতে দেখা গেছে।
প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করতে ভেনেজুয়েলায় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানকে নজিরবিহীন হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিভি/পিএইচ




মন্তব্য করুন: