মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ মোড় নিয়েছে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ন্ত্রণের দিকে!
১২তম দিনে গড়াল ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল জোটের পাল্টাপাল্টি হামলা। যুদ্ধটি মোড় নিয়েছে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ন্ত্রণের দিকে। তেল পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ রুট হরমুজ প্রণালিতে মাইন ফেলছে ইরান। এক ডজনের বেশি মাইন স্থাপনকারী নৌযান ধ্বংসের দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
বিশ্বে তেল সরবরাহের এক-পঞ্চমাংশ এই হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবহন করা হয়। তাই গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথটি বন্ধ হলে জ্বালানি খাতে বৈশ্বিক টালমাটাল পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। যার প্রভাব এরই মধ্যে জ্বালানি ও পুঁজিবাজারে পড়তে শুরু করেছে।
এখনও হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখেছে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী। একাধিক আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম—বিশেষ করে পশ্চিমা সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়েছে, কিছুদিন ধরে হরমুজ প্রণালিতে মাইন স্থাপন করছে ইরান।
এমন অবস্থায় মাইন স্থাপনকারী অন্তত ১৬টি নৌযান ধ্বংসের দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালের মাধ্যমে ইরানকে হুঁশিয়ার করে অবিলম্বে মাইন অপসারণ এবং হরমুজ প্রণালিকে বাধামুক্ত রাখতে বলেছেন তিনি। তার দাবির সমর্থনে একাধিক ভিডিও প্রকাশ করেছে মার্কিন সামরিক বাহিনী।
এদিকে, ইরানের রাজধানী তেহরানসহ একাধিক এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা অব্যাহত রেখেছে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র। ইরানের পাল্টা হামলায় বিস্ফোরণ হয়েছে ইসরায়েলের তেল আবিব ছাড়াও হাইফা, জেরুজালেমসহ একাধিক এলাকায়।
ইরানের ছোঁড়া অন্তত পাঁচটি ড্রোন ধ্বংসের দাবি করেছে সৌদি আরব। এদিকে, লেবাননে বিমান হামলা ও স্থল অভিযান অব্যাহত রেখেছে ইসরায়েল। গত ২৪ ঘণ্টায় অন্তত পাঁচজন লেবানিজ নিহত হয়েছেন।
বিভি/পিএইচ



মন্তব্য করুন: