• NEWS PORTAL

  • রবিবার, ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

পে-স্কেলের দাবিতে ‘ভুখা মিছিল’ ও ঘেরাও কর্মসূচির ঘোষণা

প্রকাশিত: ২২:০৮, ৩১ জানুয়ারি ২০২৬

ফন্ট সাইজ
পে-স্কেলের দাবিতে ‘ভুখা মিছিল’ ও ঘেরাও কর্মসূচির ঘোষণা

নবম পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ ও ৭ দফা দাবিতে নতুন করে কঠোর আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদ।

আগামী ১ থেকে ৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সারা দেশে প্রতিদিন ২ ঘণ্টা কর্মবিরতি পালনের পাশাপাশি দাবি আদায় না হলে ৬ ফেব্রুয়ারি প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন অভিমুখে ‘ভুখা মিছিল’ করার ঘোষণা দিয়েছেন সংগঠনটির নেতারা।

শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশ থেকে এই কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। সংগঠনের মুখ্য সমন্বয়ক মো. ওয়ারেছ আলীর সভাপতিত্বে সমাবেশে জোটভুক্ত ৩৫টিরও বেশি সংগঠনের সদস্যরা অংশ নেন।

সমাবেশ থেকে ঘোষণা করা হয়, আগামী ১ ফেব্রুয়ারি থেকে ৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে ১১টা পর্যন্ত দেশের সব সরকারি কর্মচারীরা নিজ নিজ দফতরের সামনে অবস্থান, বিক্ষোভ ও কর্মবিরতি পালন করবেন। এই সময়ের মধ্যে দাবি মানা না হলে আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার সকাল ১০টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন ‘যমুনা’ অভিমুখে ‘ভুখা মিছিল’ ও ঘেরাও কর্মসূচি পালন করা হবে।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, গত ৭ বছর ধরে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন এবং গত ৫ ডিসেম্বরের বিশাল মহাসমাবেশের পরও সরকার দাবি আদায়ে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছে না। ২১ জানুয়ারি কমিশন রিপোর্ট জমা দিলেও অর্থ উপদেষ্টা গেজেট প্রকাশ না করে কমিটি গঠনের মাধ্যমে কালক্ষেপণ করছেন। বিশেষ করে জ্বালানি উপদেষ্টার সাম্প্রতিক এক মন্তব্যে– ‘অন্তর্বর্তী সরকার পে-স্কেল বাস্তবায়ন করবে না’–কর্মচারীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও হতাশা ছড়িয়ে পড়েছে।

বক্তারা বাজারমূল্যের সঙ্গে সংগতি রেখে অবিলম্বে ১২টি গ্রেডে সর্বনিম্ন ৩৫,০০০ টাকা ও সর্বোচ্চ ১,৪০,০০০ টাকা বেতন নির্ধারণ করে ৯ম পে-স্কেলের গেজেট জারির দাবি জানান। এ ছাড়া ২০১৫ সালের পে-স্কেলে হরণকৃত ৩টি টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড পুনর্বহাল, বেতন জ্যেষ্ঠতা রক্ষা এবং গ্রাচুইটির হার ১০০ শতাংশ করার দাবি জানানো হয়।

অন্যান্য দাবির মধ্যে রয়েছে: স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে পেনশনের ব্যবস্থা করা, ব্লক পোস্টে কর্মরতদের ৫ বছর পরপর উচ্চতর গ্রেড প্রদান, সচিবালয়ের মতো সকল দপ্তরে অভিন্ন নিয়োগবিধি প্রণয়ন ও রেশন পদ্ধতি চালু এবং উন্নয়ন প্রকল্পের চাকরিকাল গণনার বৈষম্য দূর করা।

সমাবেশে স্বাগত বক্তব্য দেন সংগঠনের সমন্বয়ক মো. মাহমুদুল হাসান। সংহতি জানিয়ে বক্তব্য দেন জাতীয় সংসদ সচিবালয়, সুপ্রিম কোর্ট, আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় কর্মচারী ফেডারেশন এবং প্রাথমিক শিক্ষক ঐক্য পরিষদসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতারা।

বিভি/টিটি

মন্তব্য করুন: