• NEWS PORTAL

  • বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬

এলপিজির সরকারি দাম ১৭০০ হলেও বিক্রেতাদের কিনতে হচ্ছে ১৯০০তে

প্রকাশিত: ২১:৫১, ২ এপ্রিল ২০২৬

ফন্ট সাইজ
এলপিজির সরকারি দাম ১৭০০ হলেও বিক্রেতাদের কিনতে হচ্ছে ১৯০০তে

ছবি: সংগৃহীত

এপ্রিল মাসের জন্য বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) এলপি গ্যাসের দাম ১ হাজার ৭২৮ টাকা নির্ধারণ করেছে। তবে বাজারে এই নির্দেশনার কোনো প্রতিফলন নেই। উল্টো খুচরা বিক্রেতাদের সিলিন্ডার কিনতেই খরচ পড়ছে ১ হাজার ৯০০ টাকা। ফলে গ্রাহকের কাছে তা বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার থেকে ২১০০ টাকায়।

বৃহস্পতিবার (০২ এপ্রিল) ভোক্তাপর্যায়ে ১২ কেজি এলপি গ্যাসের দাম ৩৮৭ টাকা বাড়ানোর ঘোষণা দেয় বিইআরসি। একই সঙ্গে বাড়ে অটোগ্যাসের দামও। তবে মাঠপর্যায়ে গিয়ে দেখা যায়, পণ্যটি বিক্রিই হচ্ছে ২ হাজার ৫০ থেকে ২ হাজার ১০০ টাকায়। সরকারি দামের কোনো ছাপই নেই এলপিজির সিলিন্ডারে।

এদিন সন্ধ্যায় রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার টাকার ওপরে। যদিও বাজারে খুব বেশি কোম্পানির সিলিন্ডারের সরবরাহ নেই। অধিকাংশ দোকানে ওমেরা ও বিএমের গ্যাস মিলছে।

মোহাম্মদপুরের এলপিজি ব্যবসায়ী আবদুস সবুর গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আমাদের ওমেরার সিলিন্ডার কেনাই পড়ছে ১ হাজার ৯৫০ টাকা। সেটা বিক্রি করছি ২ হাজার ১০০ টাকায়। আজ তো দাম বেড়েছে। সামনে কেনার খরচ আরও বাড়তে পারে।’

আরেক ব্যবসায়ী মো. মোজাম্মেল গণমাধ্যমকে বলেন, ‘বাজারে এখন ওমেরা, বিএমের সাপ্লাই আছে। অল্পস্বল্প সানগ্যাস, ফ্রেশের সিলিন্ডারও আছে। কিন্তু সবগুলোর দামই বাড়তি, সরকারি রেটে আমাদের কোনোটাই কেনা পড়ে না।’

বনশ্রীর আইডিয়াল এলপিজির স্বত্বাধিকারী ইউসুফ আলী  বলেন, ‘ডিস্ট্রিবিউশন থেকে আমাদের কেনা পড়তেছে ১ হাজার ৮৭০ টাকা। কোম্পানি থেকে বলা হচ্ছে, এই দাম আরও তিন দফা বাড়তে পারে। সুতরাং ভোক্তাপর্যায়ে এলপিজির দাম ২ হাজার ৫০০ টাকা পর্যন্ত গড়াতে পারে।’

তিনি আরও বলেন, অতিরিক্ত মূল্যের কারণ হিসেবে কোম্পানিগুলো যুদ্ধকেই ইঙ্গিত করছে। সৌদি আরামকোর রেট বেড়ে যাওয়াতে তাদের ক্রয়মূল্য বেড়ে গেছে। বিইআরসিও একই কারণে মূল্যবৃদ্ধি করেছে।

বিভি/এআই

মন্তব্য করুন: