• NEWS PORTAL

  • বুধবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২

অস্তিত্বের স্বার্থেই ওজোনস্তর রক্ষা করতে হবে: পরিবেশ উপমন্ত্রী 

প্রকাশিত: ১৪:১৯, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২২

ফন্ট সাইজ
অস্তিত্বের স্বার্থেই ওজোনস্তর রক্ষা করতে হবে: পরিবেশ উপমন্ত্রী 

বিশ্ব ওজোন দিবস-২০২২ উপলক্ষে শোভাযাত্রা

ওজোনস্তর ক্ষয়কারী দ্রব্য বা গ্যাস যা এসি, ফ্রিজ, এরোসল, ফোম, ইনহেলারে ব্যবহার করা হয় সেগুলো মন্ট্রিল প্রটোকল নির্ধারিত পরিমাণে আমদানি ও ব্যবহার হ্রাসে বাংলাদেশ সফল হয়েছে। বায়ুমন্ডলের গুরুত্বপূর্ণ ওজোনস্তর সুরক্ষার জন্য এবং নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতেই ওজোনস্তরের ক্ষয় রোধ করতে হবে। বিশ্ব ওজোন দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরতে এমনই বক্তব্য দেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন উপমন্ত্রী হাবিবুন নাহার।  

শুক্রবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বিশ্ব ওজোন দিবস-২০২২ উপলক্ষে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে একটি সমাবেশ ও শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

শোভাযাত্রাটি শাহবাগ জাতীয় যাদুঘর প্রাঙ্গণ থেকে শুরু হয়ে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এসে শেষ হয়। সমাবেশ ও শোভাযাত্রাটি উদ্বোধন করেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী হাবিবুন নাহার ও সচিব ড. ফারহিনা আহমেদ। 

উপমন্ত্রী বলেন, সেই সঙ্গে জ্বালানি সাশ্রয়ী ও পবিবেশ বান্ধব গ্যাস ও প্রযুক্তির প্রচলন ও প্রসারে কাজ করে যাচ্ছে বাংলাদেশ। এক্ষেত্রে দেশের বেসরকারি খাতের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। এ ছাড়া পিপিপি মডেলে বেশ কিছু প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়েছে। বর্তমানে আরও কিছু প্রকল্প বাস্তবায়নাধীন রয়েছে। 

ওজোনস্তর ক্ষয়কারী গ্যাসসমূহ পৃথিবীর তাপমাত্রা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখায় এর ব্যবহার হ্রাসের মাধ্যমে পৃথিবীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি ২ ডিগ্রির মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার জন্য ভূমিকা রাখছে।

উপমন্ত্রী হাবিবুন নাহার বলেন, ১৯৮৭ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর ওজোনস্তর রক্ষার উদ্দেশ্যে বিশ্ব নেতারা কানাডার মন্ট্রিল শহরে মন্ট্রিল প্রটোকল নামে একটি প্রটোকল স্বাক্ষর করেন। দিবসটি স্মরণীয় করে রাখা ও ওজোনস্তর রক্ষার জন্য জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে ১৯৯৫ সন থেকে বিশ্ব ওজোন দিবস বিশ্বব্যাপী পালিত হচ্ছে। জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচি কর্তৃক এ বছরের নির্ধারিত প্রতিপাদ্য-'পঁয়ত্রিশে মন্ট্রিল প্রটোকল, জীবন রক্ষায় অঙ্গীকার অবিচল।' নিজদের অস্তিত্বের স্বার্থেই ওজোনস্তর রক্ষা করতে হবে। 

শোভাযাত্রায় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় ও এর নিয়ন্ত্রণাধীন বিভিন্ন সংস্থার কর্মকর্তা-কর্মচারী, পেশাজীবি সংগঠন ও বিভিন্ন বেসরকারি শিল্প প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, বাংলাদেশ স্কাউট ও গার্লস গাইডের সদস্য অংশগ্রহণ করেন।

বিভি/টিটি

মন্তব্য করুন: