• NEWS PORTAL

  • বৃহস্পতিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৪

আজ পবিত্র লাইলাতুল কদরের সম্ভাব্য প্রথম রাত

প্রকাশিত: ২২:৩৭, ৩১ মার্চ ২০২৪

আপডেট: ২২:৩৮, ৩১ মার্চ ২০২৪

ফন্ট সাইজ
আজ পবিত্র লাইলাতুল কদরের সম্ভাব্য প্রথম রাত

প্রতীকী ছবি

শুরু হচ্ছে রমজানের শেষ দশক ‘নাজাত’। আর এই শেষ ১০ দিনের বিজোড় রাতগুলিতেই আছে মহিমান্বিত সেই বিশেষ রাত ‘লাইলাতুল কদর’ বা ‘শবে কদর’। পবিত্র কোরআন নাজিলের রাত। সেই অনুযায়ী সোমবারের (০১ এপ্রিল) রাতই প্রথম বিজোড় রাত। 

নাজাতের দশকে এমন এক রাতের কথা বলা হয়েছে, যেই রাতের ইবাদত হাজার মাসের ইবাদতের চেয়েও উত্তম। কারণ, এ রাতেই প্রথম পবিত্র মক্কার হেরা পর্বতের গুহায় মহান আল্লাহ মুহাম্মাদ (সা.)-এর কাছে পবিত্র কোরআন নাজিল করেন। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘আমি একে নাজিল করেছি কদরের রাতে। তুমি কি জানো, কদরের রাত কী? কদরের রাত হাজার মাসের চেয়েও উত্তম।’ (সুরা কদর: ১-৩)

‘শবে কদর’ কথাটি ফারসি। শব মানে রাত বা রজনী আর কদর মানে সম্মান, মর্যাদা, গুণাগুণ, সম্ভাবনা, ভাগ্য ইত্যাদি। শবে কদর অর্থ হলো মর্যাদার রাত বা ভাগ্যরজনী। শবে কদরের আরবি হলো লাইলাতুল কদর তথা সম্মানিত রাত।

তবে মর্যাদার এই রাতটি নাজাতের শেষ ১০ দিনের মধ্যে আছে। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘রমজানের শেষ দশদিনে তোমরা কদরের রাত তালাশ কর।’ (বুখারী : ২০২০; মুসলিম : ১১৬৯)

মহিমান্বিত এ রাতকে আল্লাহ তাআলা রমজানের শেষ দশকের বেজোড় রাতে সুপ্ত রেখেছেন। তিনি এটাকে সুনির্দিষ্ট করেননি। রাসুল (সা.) রমজানের শেষ দশকে এ রাতের অনুসন্ধান করতে বলেছেন। আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, আল্লাহর রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘তোমরা রমজানের শেষ দশকের বেজোড় রাতে শবে কদর অনুসন্ধান করো।’ (বুখারি: ২০১৭) 

পবিত্র কোরআনের অন্য স্থানে এ রাতকে বরকতময় রাত বলেও উল্লেখ করা হয়েছে। হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি ইমানের সঙ্গে সওয়াবের নিয়তে কদরের রাতে ইবাদত করবে; তার অতীতের গুনাহ মাফ করে দেওয়া হবে।’ (বুখারি: ১৯০১) 

তাই আজ রাত থেকে শুরু হচ্ছে শেষ দশকের বেজোড় রাত। মূলত, রমজানের ২১, ২৩, ২৫, ২৭, ২৯ এই পাঁচ রাত যদি পূর্ণ বিশ্বাস নিয়ে কোন বান্দা মহান আল্লাহ’র সন্তুষ্টির জন্য ইবাদত করেন, তাহলে সেই বান্দার ইবাদত আল্লাহ্ হাজার মাসের ইবাদতের চেয়েও উত্তম হিসেবে কবুল করবেন বলে আশা করা যায়।

বিভি/এমআর

মন্তব্য করুন: