• NEWS PORTAL

  • শনিবার, ২২ জুন ২০২৪

Inhouse Drama Promotion
Inhouse Drama Promotion

এবারের বর্ষায় ধানমণ্ডিতে জলাবদ্ধতার শঙ্কা খোদ মেয়রের

প্রকাশিত: ২৩:১১, ২২ মে ২০২৪

আপডেট: ২৩:১৬, ২২ মে ২০২৪

ফন্ট সাইজ
এবারের বর্ষায় ধানমণ্ডিতে জলাবদ্ধতার শঙ্কা খোদ মেয়রের

আসন্ন বর্ষায় রাজধানীর ধানমন্ডি, পান্থপথ ও কাঠালবাগানসহ আশপাশের এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হতে পারে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন খোদ ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস। হাতিরঝিল ভরাট করায় এই জলবাদ্ধতার জন্য ঢাকা এলিভেটের এক্সপ্রেসওয়ে দায়ী থাকবে বলেও দাবি করেন মেয়র।

বুধবার (২২ মে) বিকালে রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে নগর উন্নয়ন সাংবাদিক ফোরাম-বাংলাদেশ আয়োজিত 'নিরাপদ নগর দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও বেস্ট আরবান রিপোর্টিং অ্যাওয়ার্ড-২০২৪' অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা জানান।

ডিএসসিসি মেয়র বলেন, ওই এলাকার বৃষ্টির পানি নিরাপদে নেমে যাওয়ার মাধ্যম ছিল হাতিরঝিল। কিন্তু এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের জন্য হাতিরঝিল ভরাট করে সংকুচিত করা হয়েছে। এতে পানির প্রবাহ কমে যাবে। নিষ্কাশনে হবে ধীরগতি। একারণে ওই এলাকায় তীব্র জলাবদ্ধতা হতে পারে। তিনি আরও বলেন, আমাদের পরিকল্পনা করতে হবে জনসংখ্যার ঘনত্বকে মাথায় রেখেই। তবে ঢাকামুখী অভিবাসনের যে স্রোত, তা থামাতে না পারলে উন্নয়নের সুফল পাওয়া যাবে না।

তিনি জানান, ঢাকাকে নিরাপদ ও বাসযোগ্য করতে হলে তিনটি কাজ আমাদের করতে হবে। তা হচ্ছে শহরকে দুর্নীতি মুক্ত করতে হবে। কঠোর আইনের প্রয়োগ করতে হবে। আইন বাস্তবায়নের জন্য দক্ষ বিচার ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। তবে আমাদের কাজের মাধ্যমে শহরের বাসযোগ্যতা আরও বাড়বে।

অনুষ্ঠানে জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও দৈনিক যুগান্তরের সম্পাদক মো. সাইফুল আলম বলেন, ‘নগরের সংকট সমাধানে সরকারের পাশাপাশি নাগরিকদেরও দায়িত্ব নিতে হবে। গ্রাম হবে শহর, শহর হবে বাসযোগ্য- এই স্লোগানে যেতে হবে।’

বায়ুমণ্ডলীয় দূষণ অধ্যয়ন কেন্দ্রের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আহমদ কামরুজ্জামান মজুমদার বলেন, ‘ঢাকা শহরে প্রতিদিন কোথাও না কোথাও আগুন লাগে। এই শহর কতটা নিরাপদ? তা আমাদের প্রশ্নেই ঘাটতি ফুটে ওঠে। পৃথিবীর মেগাসিটির তালিকায় ঢাকা আয়তনের দিক থেকে ৪০তম, অথচ জনসংখ্যার ঘনত্বে প্রথম। এই শহরে ৫ লাখ গাড়ি চলার ব্যবস্থা আছে, অথচ চলে ১৬ লাখ গাড়ি। ঢাকায় রাস্তা, গাছ, জলাশয় অনেক কমলেও বাড়ছে শুধু মানুষ।’

মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্লান্যার্স এর সাধারণ সম্পাদক শেখ মুহম্মদ মেহেদী আহসান। আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ স্থপতি ইনস্টিটিউটের নগরায়ন ও পরিবেশ সম্পাদক স্থপতি সুজাউল ইসলাম খান, সাংবাদিক অমিতোষ পাল, বেস্ট আরবান রিপোর্টিং অ্যাওয়ার্ড- ২০২৪ বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক হেলিমুল আলম প্রমুখ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন নগর উন্নয়ন সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি মতিন আব্দুল্লাহ। সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল খান।

অনুষ্ঠানে ৫ ক্যাটাগরিতে ৬ জন সাংবাদিককে নগর সাংবাদিকতার জন্য 'বেস্ট রিপোর্টিং অ্যাওয়ার্ড-২০২৪' দেওয়া হয়। নিই এইজের রাশেদ আহমেদ, বণিক বার্তার আল ফাতাহ মামুন, সমকালের যৌথভাবে অমিতোষ পাল ও লতিফুল ইসলাম, সারাবাংলা.নেটের রাজনীন ফারজানা এবং ইন্ডিপেন্ডেন্ট টেলিভিশনের নাজমুল সাঈদকে 'বেস্ট রিপোর্টিং অ্যাওয়ার্ড-২০২৪' প্রদান করা হয়।

বিভি/কেএস/পিএইচ

মন্তব্য করুন: