• NEWS PORTAL

  • শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬

সৃজন পাঠচক্রে ‘সংখ্যায় বিভক্ত জীবন’ ও বিপ্লবের তাৎপর্য

প্রকাশিত: ১৭:৪৮, ৭ নভেম্বর ২০২৬

ফন্ট সাইজ
সৃজন পাঠচক্রে ‘সংখ্যায় বিভক্ত জীবন’ ও বিপ্লবের তাৎপর্য

সম্প্রতি বাংলা একাডেমিতে আয়োজিত সৃজন পাঠচক্রে উপস্থিত ছিলেন দেশের স্বনামধন্য কবি লেখক ও সাহিত্যপ্রেমীগণ। আয়োজনটি ২টি পর্বে বিভক্ত ছিলো। প্রথম পর্বে মোহাম্মদ জামিল আক্তার রচিত ও কবি হাইকেল হাশমী অনূদিত 'সংখ্যায় বিভক্ত জীবন' গল্পগ্রন্থের পাঠ-পর্যালোচনা, দ্বিতীয় পর্বে ছিল রেজাউল করিম রনির 'জাতীয় জীবনে বিপ্লব এর তাৎপর্য' বিষয়ে একক বক্তৃতা। 

বর্তমান সময়ের একজন একজন গুরুত্বপূর্ণ উর্দু সাহিত্যিক মোহাম্মদ জামিল আক্তার। সৃজন থেকে প্রকাশিত হয়েছে তার গল্পগ্রন্থ 'সংখ্যায় বিভক্ত জীবন'। গ্রন্থটির অনুবাদক কবি ও কথাসাহিত্যিক হাইকেল হাশমী বলেন, লেখকের গল্পের ব্যাপ্তি কোন বিশেষ স্থানে সীমাবদ্ধ নয় বরং যে কোন জায়গা এবং সমাজকে প্রতিনিধিত্ব করে। তিনি বাংলাদেশে উর্দু ভাষার অতীত ও বর্তমান নিয়ে কথা বলেছেন। তবে বাংলাদেশে উর্দুর ভবিষ্যৎ নিয়ে তিনি সন্দিহান।

অনুবাদককে এই কাজের জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে আলোচক গল্পকার ও প্রাবন্ধিক ড. আনোয়ারুল হক বলেন, বইটি পড়ে অভিভূত হয়েছি। প্রতিটি গল্প আমাদের যাপিত জীবনের বয়ান। জন্মনিবনন্ধন থেকে মৃত্যুর পর গোরেও যে-সংখ্যায় বিভক্ত জীবনকে লেখক যেভাবে উপলব্ধি করেছেন, তা এককথায় অভিনব। পাঠক বইটি পড়লে চমৎকৃত এবং বিস্মিত হবেন আমি নিশ্চিত!

'সংখ্যায় বিভক্ত জীবন' গ্রন্থটি নিয়ে কবি ও প্রাবন্ধিক ওয়াহিদ জামান অনুবাদের টার্মলজি নিয়ে কথা বলেন। উৎকৃষ্ট অনুবাদের শর্ত নিয়েও তিনি কথা বলেন। গল্পগুলো সম্পর্কে তিনি আরও বলেন, এই গল্প শুধু শিল্পগুণমানে সীমাবদ্ধ না। এই লেখক জীবনকে দেখিয়েছেন। জীবনের মূল্যকেও উপস্থাপন করেছেন।

দ্বিতীয় পর্বের একক বতৃতায় কবি ও চিন্তক রেজাউল করিম রনি বিপ্লবের ইতিহাস তুলে ধরেন। কোন দেশের কোন সময় বিপ্লব কোন কারণে সফল এবং ব্যর্থ হয়েছে তাও তিনি আলোচনা করেন। বাংলাদেশের বিপ্লব প্রসঙ্গে এসে তিনি বলেন, 'বাংলাদেশ ১৯৭১ সালে লিবারেশন অর্জন করেছিল, কিন্তু ফ্রিডম অর্জন করেছে ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সিপাহী জনতার অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে'।এই মন্তব্যের যৌক্তিকতা তিনি নানাভাবে ব্যাংখ্যা বিশ্লেষনের মাধ্যমে তুলে ধরেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- ড. আনোয়ারুল হক, রেজাউল করিম রনি,  রফিক লিটন, তৌহিদ আহাম্মেদ লিখন, ফরিদুল ইসলাম নির্জন, খালিদা তালুকদার, আহমেদ বাসার, হাইকেল হাশমী, জুননু রাইন, সাকিব লোহানী, গাজী গিয়াস উদ্দিন, রেশম লতা, মেহেনাজ আক্তার, উম্মে সায়মা, সুমাইয়া আক্তার প্রিমা, ওয়াহিদ জামান, তনুশ্রী ঘোষ জবা, ফাহিমা আফরিন, পূজা ঘোষ, মাইশা ইসলাম, ফাতেমা আক্তার নিহা, সুদীপ্ত হান্নান, মনসুর আহমেদ খাঁন, সাব্বির আহমেদ সুবীর, জহির আহমেদ, শ্মশান ঠাকুর, আহমেদ রিজভী, নহলী নাফিসা খান, শাবানা নাভেদ, ড. লিপন মুস্তাফিজ, মো. ইব্রাহিম আজাদ, জামিল হাসান, রুদ্র মুহাম্মদ আনারুল, সুরাইয়া জাহান, রাবিবুজ্জামান লিয়াদ, মো. মেহেদী হাসান, ফজজুল হক মাতাব্বর, মোস্তাফিজুর রহমান বাবু, জন এস জাহাঙ্গীর আলম, আহমেদ জুয়েল, আহমেদ বাবু, মো. হাছির বিশ্বাস, মো. জাহাঙ্গীর আলম, সাদমান সজীব প্রমুখ কবি সাহিত্যিকগণ।

বিভি/এজেড

মন্তব্য করুন: