• NEWS PORTAL

  • বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬

এবার প্রকৌশলীর ঘুসের টাকা গুনে পকেটে নেওয়ার ভিডিও ভাইরাল

প্রকাশিত: ২১:৩৭, ৪ মার্চ ২০২৬

ফন্ট সাইজ
এবার প্রকৌশলীর ঘুসের টাকা গুনে পকেটে নেওয়ার ভিডিও ভাইরাল

ছবি: সংগৃহীত

লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলা এলজিইডির উপসহকারী প্রকৌশলী মোহাম্মদ আলীর ঘুস গ্রহণের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। অফিসে বসে ফাইল আটকে রেখে এক ঠিকাদারের কাছ থেকে লাখ টাকার বান্ডিল গুনে পকেটে নেওয়ার এ দৃশ্য এখন জেলাজুড়ে টক অব দ্য টাউনে পরিণত হয়েছে।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, ইজিপি (e-GP) টেন্ডারের মাধ্যমে মুন্সীগঞ্জ জেলার লৌহজং উপজেলার এক ঠিকাদার একটি সড়কের কাজ পান। কাজ শেষে বিলের নথিপত্রে স্বাক্ষর করার বিনিময়ে মোটা অঙ্কের ঘুস দাবি করেন উপসহকারী প্রকৌশলী মোহাম্মদ আলী। দীর্ঘদিন ফাইল আটকে রাখায় শেষপর্যন্ত ওই ঠিকাদার তাকে চাহিদা পরিমাণ টাকার একটি বান্ডিল দিতে বাধ্য হন।

৪৩ সেকেন্ডের ভাইরাল হওয়া ওই ভিডিওতে শোনা যায়, উপসহকারী প্রকৌশলী মোহাম্মদ আলী ঠিকাদারকে উদ্দেশ করে বলছেন, আপনারা বসেন, বিল রেডি করিতেছি, এখনই সই করে দিচ্ছি। এরপর ঠিকাদারের দেওয়া টাকার বান্ডিলটি তিনি অত্যন্ত স্বাভাবিক ভঙ্গিতে গুনে নিজের প্যান্টের পকেটে রাখেন। টাকা পাওয়ার পরই তিনি ফাইল ছাড়তে রাজি হন। তবে বিষয়টি কৌশলে নিজের মোবাইল ফোনে ধারণ করে রাখেন ওই ঠিকাদার।

এদিকে বুধবার (৪ মার্চ) রাতে ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া ঘুস গ্রহণের ওই ভিডিওটি মোহাম্মদ আলীর সাবেক কর্মস্থল মুন্সীগঞ্জ জেলার লৌহজং উপজেলায় থাকার সময়ের বলে তার ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।

সূত্রটি জানায়, ইতোপূর্বে ঘুস নেওয়ার অভিযোগে অভিযুক্ত মোহাম্মদ আলীকে শাস্তিমূলক বদলি হিসেবে কমলনগরে পাঠানো হয়। প্রায় ছয় মাস ধরে তিনি কমলনগর উপজেলা এলজিইডি উপসহকারী প্রকৌশলী হিসেবে কর্মরত আছেন। তবে নতুন কর্মস্থলে তার পুরোনো ঘুস গ্রহণের ভিডিও ক্লিপ ছড়িয়ে পড়ায় অফিসপাড়াসহ স্থানীয়দের মাঝে ক্ষোভ বিরাজ করছে।

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে অভিযুক্ত উপসহকারী প্রকৌশলী মোহাম্মদ আলীর মোবাইল ফোনে গণমাধ্যম থেকে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।

এমনকি কমলনগর উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) আবদুল কাদের মোজাহিদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার পক্ষ থেকে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।

জানা গেছে, অভিযুক্ত প্রকৌশলী মোহাম্মদ আলীর গ্রামের বাড়ি ঢাকা জেলার অদূরে মানিকগঞ্জ জেলায়।

বিভি/এআই

মন্তব্য করুন: