• NEWS PORTAL

  • শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জেলের জালে ধরা পড়লো ৭ মণ ওজনের ‘শাপলা পাতা’ মাছ

প্রকাশিত: ২২:৫৮, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ফন্ট সাইজ
জেলের জালে ধরা পড়লো ৭ মণ ওজনের ‘শাপলা পাতা’ মাছ

ছবি: সংগৃহীত

নোয়াখালীর হাতিয়াসংলগ্ন মেঘনা নদীতে স্থানীয় জেলেদের জালে ধরা পড়েছে প্রায় ৭ মণ (২৮০ কেজি) ওজনের একটি বিশালাকার শাপলা পাতা (স্টিংরে) মাছ। বিরল আকারের এই মাছটি দেখতে স্থানীয়দের ভিড় জমে যায় এবং পরবর্তীতে উন্মুক্ত ডাকে বিক্রি হয় ৮২ হাজার টাকায়।

মঙ্গলবার নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার ভাসানচরের সীমান্তবর্তী মেঘনা নদীতে ‘গাজী মেম্বার’ নামক স্থানীয় এক মৎস্য ব্যবসায়ীর ট্রলারের জেলেরা মাছ ধরতে যান। নদীতে ফেলে রাখা চরঘেরা জালে বিশাল আকৃতির এই শাপলা পাতা মাছটি আটকা পড়ে। জোয়ার শেষে পানি কমে গেলে জেলেরা মাছটি ডাঙ্গায় তুলতে সক্ষম হন।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে মাছটি বিক্রির উদ্দেশ্যে হাতিয়ার ঐতিহ্যবাহী চেয়ারম্যান ঘাটের গাজী মেম্বারের আড়তে আনা হয়।

আড়তে মাছটি বিক্রির জন্য তোলা হলে এক নজর দেখতে উৎসুক মানুষের উপচেপড়া ভিড় জমে। পরবর্তীতে হাঁকডাকের মাধ্যমে স্থানীয় মাছ ব্যবসায়ী বিষু বেপারী সর্বোচ্চ ৮২ হাজার টাকা দর হেঁকে মাছটি কিনে নেন।

ব্যবসায়ী বিষু বেপারী গণমাধ্যমকে জানান, মেঘনা নদীতে সচরাচর এত বড় আকারের শাপলা পাতা মাছ সহজে দেখা যায় না। মাছটি কাঙ্ক্ষিত লাভে বিক্রির উদ্দেশ্যে তিনি ঢাকা অথবা চট্টগ্রাম অঞ্চলের কোনো বড় পাইকারি বাজারে পাঠানোর ব্যবস্থা করছেন।

সুবর্ণচর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা (হাতিয়া উপজেলার অতিরিক্ত দায়িত্বে নিয়োজিত) মো. ফয়জুর রহমান চরঘেরা জালের ক্ষতিকর দিক তুলে ধরেন। তিনি গণমাধ্যমকে জানান, এ পদ্ধতিতে নদীতে শক্ত খুঁটি পুঁতে চারপাশ ঘিরে জাল বসানো হয়, যা নদীর মৎস্য সম্পদের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর এবং সরকারের আইনে সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

পাশাপাশি মাছটির আইনগত সুরক্ষার বিষয়ে তিনি বলেন, মৎস্য আইনে শাপলা পাতা মাছ শিকারে সরাসরি নিষেধাজ্ঞা না থাকলেও ‘বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা আইন-২০১২’ অনুযায়ী শাপলা পাতা বা পাতা মাছ ধরা ও বিক্রি করা সম্পূর্ণ দণ্ডনীয় অপরাধ।

চেয়ারম্যান ঘাটে নিষিদ্ধ মাছটি বিক্রি হওয়ার বিষয়ে স্থানীয় মৎস্য বিভাগ আগে অবগত ছিলো না বলে জানান তিনি।

বিভি/এআই

মন্তব্য করুন: