• NEWS PORTAL

  • রবিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৬

জনপ্রিয় হচ্ছে টাঙ্গাইলের শাল চাদর

প্রকাশিত: ০৭:৫৫, ২৯ নভেম্বর ২০২২

আপডেট: ০৮:১৭, ২৯ নভেম্বর ২০২২

ফন্ট সাইজ
জনপ্রিয় হচ্ছে টাঙ্গাইলের শাল চাদর

টাঙ্গাইলের নাগরপুর ও দেলদুয়ার উপজেলায় তাঁতের শাড়ির পর দিন দিন জনপ্রিয় হচ্ছে শাল চাদর। তাঁতে তৈরি বাহারী ডিজাইন আর নিপুণ কারুকার্যে আর্কষণীয় শীতের পোষাক শাল চাদর প্রায় সব বয়সের নারী-পুরুষের পছন্দ। তাঁতে তৈরি এসব শাল চাদর শীতের শুরুতেই পৌঁছে যাচ্ছে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলার শোরুমগুলোতে।

নাগরপুর ও দেলদুয়ারের তাঁতে তৈরি শাল চাদর খুব সহজেই নারীমনে স্থান করে নিয়েছে। এ অঞ্চলের শাল চাদরের বৈশিষ্ট্য হল বাহারি রঙের সুতা দিয়ে হাত ও তাঁতকলে আর্কষণীয় ডিজাইনের কারুকার্যে তৈরি করা হয়। দুই/আড়াই হাত প্রস্থ এবং চার/পাঁচ হাত দৈর্ঘ্যে তৈরি হয়। বর্তমানে ফ্যাশান উপযোগী করে এ শাল চাদর তৈরি করা হচ্ছে বলে জানান কারিগররা।

নাগরপুর উপজেলার পংবাই জোড়া, কেদারপুর দেলদুয়ার উপজেলার আবাদপুর ও এলাসিন গ্রামে সব চেয়ে বেশি শাল চাদর তৈরি হচ্ছে বলে জানা গেছে। দুই উপজেলার অঞ্চলের প্রায় ৬ শতাধিক পরিবার শাল চাদর তৈরি করে জীবিকা নির্বাহ করছেন।

তাঁত মালিক ও শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সারা বছর শাড়ী তৈরি করলেও শীত মৌসুমের শুরু থেকে মধ্য শীত পর্যন্ত তারা বেশি পরিমাণে শাল চাদর তৈরি করেন। তাঁত শ্রমিকরা জানান, একজন শ্রমিক দিনে হাতে ৮ টা তাঁত বোনাতে পাপে আর হ্যান্ডলোম মেশিনে ১২ থেকে ১৫টা শাল চাদর তৈরি করেন। এতে যা মুজুরী পান তাতে কোনোরকমে তাদের সংসার চলে। 

তাঁত মালিকরা জানান, সুতাসহ অন্য উপকরণের মূল্য বৃদ্ধির কারণ তাদের শাল চাদর তৈরির প্রধান প্রতিবন্ধকতা। অনেকে তাঁত বিক্রি করে বিদেশ চলে গেছে, অনেকে অল্প পুজি নিয়ে তারা শাল চাদর তৈরি করছেন। এ অঞ্চলে তৈরি ফ্যাশনেবল শাল চাদর ইতোমধ্যে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় চলে গেছে বিক্রির জন্য। 

টাঙ্গাইল জেলা তাঁত কর্মকর্তা মো. রবিউল ইসলাম জানান, তাঁতে তৈরি শাড়ির পাশাপাশি শাল চাদর শিল্পটির সম্প্রসারণের জন্য কাজ করছে জেলা তাঁত বোর্ড। এমনটাই জানিছেন এই কর্মকর্তা।

সুষ্ঠ বাজার ব্যবস্থাপনা, সরকারি-বেসরকারি প্রণোদনার পরিধি আরও বাড়ানো এবং সরকারিভাবে শীত প্রধান দেশগুলোতে ব্যাপকহারে শাল চাদর রফতানির উদ্যোগ নেওয়া গেলে আরও অনেক দূর এগিয়ে যাবে এ শিল্প। এমনটাই মনে করেন শিল্পর সঙ্গে জড়িতরা।

বিভি/এনএ

মন্তব্য করুন: