• NEWS PORTAL

  • বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬

হাইকোর্টে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইলেন ১০ আইনজীবী

প্রকাশিত: ২২:৪৮, ১১ মার্চ ২০২৬

আপডেট: ২৩:০৬, ১১ মার্চ ২০২৬

ফন্ট সাইজ
হাইকোর্টে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইলেন ১০ আইনজীবী

আদালত অবমাননার অভিযোগে হাইকোর্টে নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়েছেন বরিশাল আইনজীবী সমিতির ১০ সদস্য। তাদের সতর্ক করে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দিয়েছেন আদালত। 

বুধবার (১১ মার্চ) বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে এ বিষয়ে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।

শুনানিতে জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি সাদিকুর রহমান লিংকনসহ আইনজীবীরা সশরীরে উপস্থিত হয়ে লিখিতভাবে নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়ে আবেদন করেন।

বাকি ৯ জন আইনজীবী হলেন- জেলা আইনজীবী সমিতির সেক্রেটারি মির্জা রিয়াজুল ইসলাম, পিপি আবুল কালাম আজাদ ও নাজিমুদ্দিন পান্না, আইনজীবী মহসিন মন্টু, মিজানুর রহমান, মো. আবদুল বারেক, মো. আবদুল মালেক, মো. সাঈদ চৌধুরী ও হাফিজ উদ্দিন বাবলু।

এদিন আদালতে আইনজীবীদের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট গাজী কামরুল ইসলাম সজল ও মো. আনিসুর রহমান রায়হান। এছাড়া রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মুহাম্মদ শফিকুর রহমান।

তিনি জানান, আইনজীবীরা আদালতে হাজির হয়ে নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়ে আইনজীবীর মাধ্যমে আবেদন করেন। পরে আদালত আবেদন গ্রহণ করেন এবং ভবিষ্যতের জন্য তাদের সতর্ক করে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেন।

উল্লেখ্য, বরিশালের অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিচার চলাকালে এজলাস ভাঙচুর, সরকারি নথি ও মালামাল বিনষ্ট করা এবং বিচারককে ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগে গত ২৫ ফেব্রুয়ারি স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে আদালত অবমাননার রুল জারি করেন হাইকোর্ট। সেই সঙ্গে আদালত অবমাননার অভিযোগে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কেন ব্যবস্থা নেয়া হবে না, রুলে সেটিও জানতে চাওয়া হয়।

জানা গেছে, কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগের নেতাদের জামিন দেয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে গত ২৪ ফেব্রুয়ারি দুপুরে বরিশালের অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন আদালতের এজলাসে ঢুকে হট্টগোল করেন জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি সাদিকুর রহমান লিংকনসহ কয়েকজন আইনজীবী। তারা এজলাসে ঢুকে ধাক্কাধাক্কি ও চিৎকার করার পাশাপাশি কাগজপত্র তছনছ করেন। সেই সঙ্গে ডায়াসে থাকা মাইক্রোফোন ভাঙচুর করেন এবং কার্যতালিকা ছিঁড়ে ফেলেন। এছাড়াও এজলাসে থাকা টেবিল ভেঙে ফেলেন, বসার টুল উপড়ে ফেলেন এবং ধমক দিয়ে উপস্থিত আইনজীবী ও বিচার প্রার্থীদের কোর্ট থেকে বের করে দেন। এমনকি বিচারককে জোরপূর্বক এজলাস থেকে নেমে যেতে বাধ্য করেন তারা।

এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। পরে এ নিয়ে সংবাদমাধ্যমেও সংবাদ প্রকাশিত হয়। একপর্যায়ে বিষয়টি নজরে এলে হাইকোর্ট স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে আদালত অবমাননার অভিযোগে রুল জারি করেন।

বিভি/টিটি

মন্তব্য করুন: