• NEWS PORTAL

  • রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬

টাঙ্গাইলে চলন্ত বাসে দলবদ্ধ ধর্ষণ: ৩ আসামির যাবজ্জীবন ও অর্থদণ্ড

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ১৭:১১, ২৫ অক্টোবর ২০২৬

আপডেট: ১৭:১১, ২৫ অক্টোবর ২০২৬

ফন্ট সাইজ
টাঙ্গাইলে চলন্ত বাসে দলবদ্ধ ধর্ষণ: ৩ আসামির যাবজ্জীবন ও অর্থদণ্ড

টাঙ্গাইলে চলন্ত বাসে এক নারী যাত্রীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের মামলায় ৩ আসামিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাদের প্রত্যেককে দুই লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। রবিবার (২৫ অক্টোবর) টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক ও জেলা দায়রা জজ আ. ন. ম. ইলিয়াস এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলার নান্দেড়াই গ্রামের আব্দুর রবের ছেলে বাসচালক মো. আলতাফ (২৫), সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলার শিবপুর গ্রামের মো. খোকন মিয়ার ছেলে মো. রাব্বি (২১) এবং ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার মো. চিন্নু মাতাব্বরের ছেলে বাসের কন্ডাক্টর সাগর ওরফে সজীব মাতুব্বর (২৪)।

সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) ওমরাও খান দিপু জানান, ২০২৬ সালের ১৪ জানুয়ারি রাতে ভুক্তভোগী নারী সাভার যাওয়ার উদ্দেশ্যে ‘সাভার পরিবহন’-এর একটি বাসে ওঠেন। পথে অন্য যাত্রীরা নেমে গেলে বাসটি গাজীপুরের কালিয়াকৈর থানাধীন চন্দ্রা বাসস্ট্যান্ডে পৌঁছানোর পর চালক মো. আলতাফ, কন্ডাক্টর সাগর ওরফে সজীব এবং তাদের সহযোগী মো. রাব্বি ও নাছির মিলে ওই নারীকে বাসের ভেতরে জোরপূর্বক দলবদ্ধ ধর্ষণ করেন। এ সময় আসামিরা ভুক্তভোগীর কানের স্বর্ণের দুল, ব্যবহৃত আইফোন ১৩ প্রো ম্যাক্স এবং নগদ টাকা ছিনিয়ে নেন।

পরদিন ১৫ জানুয়ারি দুপুরে বাসটি টাঙ্গাইল সদর থানাধীন করটিয়া বাইপাস এলাকায় পৌঁছালে ভুক্তভোগী নারী কৌশলে মহাসড়কে দায়িত্ব পালনরত হাইওয়ে পুলিশকে বিষয়টি জানান। পরে হাইওয়ে পুলিশ বাসসহ আসামিদের টাঙ্গাইল সদর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। এ ঘটনায় ওই দিনই টাঙ্গাইল সদর থানায় মামলা করা হয়।

টাঙ্গাইল সদর থানার পরিদর্শক ভিক্টর ব্যানার্জী তদন্ত শেষে ২৯ এপ্রিল আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। ১৫ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত এ রায় দেন।

রায় ঘোষণার পর দণ্ডপ্রাপ্ত তিন আসামিকে পুলিশি হেফাজতে টাঙ্গাইল জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

বিভি/পিএইচ

মন্তব্য করুন:

সর্বাধিক পঠিত