যুদ্ধাবস্থার মাঝেও আন্তর্জাতিক বাজারে কমলো স্বর্ণের দাম
ছবি: সংগৃহীত
ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা আর মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধাবস্থার মাঝেও কমেছে স্বর্ণের দাম। মার্কিন ডলারের শক্তিশালী অবস্থান আর সুদের হার কমার সম্ভাবনা কমে যাওয়ায় মূল্যবান ধাতুটির দামে এই পতন।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, মার্কিন ডলার তিন মাসেরও বেশি সময়ের মধ্যে সর্বোচ্চ অবস্থানে উঠেছে। ফলে অন্যান্য মুদ্রা ব্যবহারকারীদের জন্য সোনা কেনা আরও ব্যয়বহুল হয়ে পড়েছে।
সোমবার (৯ মার্চ) স্পট মার্কেটে স্বর্ণের দাম প্রায় ১.৭ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৫০৮২ ডলারে নেমে আসে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রে এপ্রিল ডেলিভারির স্বর্ণ ফিউচার প্রায় ১.৪ শতাংশ কমে ৫০৯৯ ডলারে দাঁড়ায়। দিনের শুরুতে তা ২ শতাংশের মতো কমে গিয়েছি।
বিশ্লেষকদের মতে, ডলারের মূল্য বাড়ায় অন্যান্য মুদ্রাধারীদের জন্য স্বর্ণ কেনা তুলনামূলকভাবে ব্যয়বহুল হয়ে উঠেছে। একই সঙ্গে মার্কিন ১০ বছরের ট্রেজারি বন্ড এক মাসের সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে, যা সুদবিহীন সম্পদ হিসেবে স্বর্ণের আকর্ষণ কমিয়ে দেয়।
এছাড়া জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় মূল্যস্ফীতি নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে এবং নিকট ভবিষ্যতে সুদের হার কমার সম্ভাবনাও কমে গেছে।
কেএমসি ট্রেডের প্রধান মার্কেট বিশ্লেষক ও বাজার বিশ্লেষক টিম ওয়াটারার বলেন, উচ্চ তেলের দাম মূল্যস্ফীতির আশঙ্কা বাড়াচ্ছে। এতে ডলার শক্তিশালী হচ্ছে এবং সুদের হার কমার প্রত্যাশাও কমে যাচ্ছে। এই কারণেই বাজারে অস্থিরতা থাকা সত্ত্বেও স্বর্ণের দাম চাপে রয়েছে।
বৈশ্বিক উত্তেজনার মাঝে স্বর্ণের দাম কমলেও অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর দামও কমেছে। স্পট মার্কেটে রুপার দাম ২.২ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৮২.৫০ ডলারে, প্লাটিনাম ২.৮ শতাংশ কমে ২০৭৬ ডলারে এবং প্যালাডিয়াম ১.২ শতাংশ কমে ১৬০৫ ডলারে নেমে এসেছে। যার প্রভাব দেশের বাজারেও পড়েছে। সোমবার বাজুস দুটি ধাতুর দামই কমেছে।
বিভি/এআই



মন্তব্য করুন: