২০২৬ সালের দাখিল পরীক্ষার রুটিন প্রকাশ
বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড ২০২৬ সালের দাখিল পরীক্ষার সময়সূচি (রুটিন) প্রকাশ করেছে। আগামী ২৬ এপ্রিল কুরআন পরীক্ষার মধ্য দিয়ে এ বছরের পরীক্ষা শুরু হবে। সোমবার (২৬ জানুয়ারি) বোর্ডের নিয়ন্ত্রক প্রফেসর ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসানের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ সময়সূচি জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, এবারের দাখিল পরীক্ষা সকাল ১০টা থেকে শুরু হবে। প্রথম দিন ২১ এপ্রিল, মঙ্গলবার কুরআন মাজিদ ও তাজভিদ বিষয়ের পরীক্ষা দিয়ে শুরু হবে এ পরীক্ষা। ২৩ এপ্রিল বৃহস্পতিবার আরবি প্রথম পত্র, ২৬ এপ্রিল রবিবার গণিত বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর ২৮ এপ্রিল মঙ্গলবার আরবি দ্বিতীয় পত্র, ৩০ এপ্রিল বৃহস্পতিবার বাংলা প্রথম পত্র, ৩ মে রবিবার বাংলা দ্বিতীয় পত্র, ৫ মে মঙ্গলবার ইংরেজি প্রথম পত্র এবং ৭ মে বৃহস্পতিবার ইংরেজি দ্বিতীয় পত্রের পরীক্ষা হবে।
১০ মে রবিবার হাদিস শরিফ, ১১ মে সোমবার আকাইদ ও ফিকহ বিষয়ের পরীক্ষা নেওয়া হবে। ১২ মে মঙ্গলবার একযোগে পৌরনীতি ও নাগরিকতা, কৃষিশিক্ষা (তত্ত্বীয়), গার্হস্থ্যবিজ্ঞান (তত্ত্বীয়), মানতিক, উর্দু, ফার্সি এবং বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
১৩ মে বুধবার ইসলামের ইতিহাস ও পদার্থবিজ্ঞান (তত্ত্বীয়), ১৪ মে বৃহস্পতিবার তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, ১৭ মে রোববার রসায়ন (তত্ত্বীয়), তাজভিদ নসর ও নজম (মুজাব্বিদ গ্রুপ) এবং তাজভিদ (হিফজুল কুরআন) বিষয়ের পরীক্ষা হবে। ২০ মে বুধবার জীববিজ্ঞান (তত্ত্বীয়) এবং ২৪ মে রোববার উচ্চতর গণিত (তত্ত্বীয়) বিষয়ের পরীক্ষা দিয়ে তত্ত্বীয় পরীক্ষার সমাপ্তি ঘটবে।
ব্যবহারিক ও মৌখিক পরীক্ষা ৭ জুন থেকে ১৪ জুনের মধ্যে অনুষ্ঠিত হবে। ১৮ জুনের মধ্যে ব্যবহারিক পরীক্ষার নম্বরফর্দ ও উত্তরপত্র বোর্ডে জমা দিতে হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে কিছু বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে পরীক্ষার্থীদের আসন গ্রহণ করতে হবে। প্রশ্নপত্রে উল্লিখিত সময় অনুযায়ী পরীক্ষা নেওয়া হবে। প্রথমে বহুনির্বাচনি ও পরে সৃজনশীল বা রচনামূলক পরীক্ষা হবে এবং উভয়ের মধ্যে কোনো বিরতি থাকবে না। পরীক্ষার্থীরা পরীক্ষা শুরুর কমপক্ষে তিন দিন আগে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠান প্রধানের কাছ থেকে প্রবেশপত্র সংগ্রহ করবে।
আর শারীরিক শিক্ষা, স্বাস্থ্যবিজ্ঞান ও খেলাধুলা এবং ক্যারিয়ার শিক্ষা বিষয় দুটি ধারাবাহিক মূল্যায়নের মাধ্যমে নম্বর দেওয়া হবে। পরীক্ষার্থীদের অবশ্যই ওএমআর ফরমে রোল নম্বর, রেজিস্ট্রেশন নম্বর ও বিষয় কোড সঠিকভাবে লিখতে ও বৃত্ত ভরাট করতে হবে। উত্তরপত্র ভাঁজ করা যাবে না। পরীক্ষার্থীকে সৃজনশীল, বহুনির্বাচনি ও ব্যবহারিক অংশে পৃথকভাবে পাস করতে হবে। সাধারণ সায়েন্টিফিক ক্যালকুলেটর ব্যবহারের অনুমতি থাকবে। কেন্দ্রসচিব ছাড়া অন্য কেউ মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে পারবেন না। ব্যবহারিক ও মৌখিক পরীক্ষা সাধারণত স্ব-স্ব কেন্দ্রেই হবে।
মুজাব্বিদ বিভাগের কিরআতে তারতিল ও হাদর এবং হিফজুল কুরআন বিভাগের হিফজুল কুরআন দাওর ও তাজভিদের মৌখিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ফল প্রকাশের পর সাত দিনের মধ্যে এসএমএসের মাধ্যমে উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণ আবেদন করা যাবে বলেও জানানো হয়েছে।
বিভি/এসজি



মন্তব্য করুন: