• NEWS PORTAL

  • শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারি ২০২৬

বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বড় নিয়োগ, জানা গেলো আবেদন শুরুর তারিখ

প্রকাশিত: ১৩:১১, ৩০ জানুয়ারি ২০২৬

আপডেট: ১৩:১২, ৩০ জানুয়ারি ২০২৬

ফন্ট সাইজ
বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বড় নিয়োগ, জানা গেলো আবেদন শুরুর তারিখ

ছবি: বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)

বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বড় নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হতে যাচ্ছে। স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি প্রতিষ্ঠানে অধ্যক্ষ থেকে শুরু করে প্রধান শিক্ষকসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগের জন্য অনলাইন আবেদন গ্রহণ শুরু হবে আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি, যা চলবে ১৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।

বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম জানান, এবার প্রথমবারের মতো প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সহকারী প্রধান পর্যায়ের ১৩ হাজার ৫৫৯টি পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হচ্ছে।

২০০৫ সাল থেকে এনটিআরসিএ শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা আয়োজন করে আসছে এবং ২০১৫ সাল থেকে এন্ট্রি লেভেলের শিক্ষক নিয়োগে সুপারিশ করছে। তবে এতদিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান ও সহপ্রধান নিয়োগ হতো সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদ বা গভর্নিং বডির মাধ্যমে। এবার সেই দায়িত্ব যাচ্ছে এনটিআরসিএর হাতে।

তথ্য অনুযায়ী, এমপিওভুক্ত স্কুল-কলেজে প্রধান পদে শূন্য রয়েছে ১০ হাজার ২৭৮টি। এর মধ্যে স্নাতক কলেজ, উচ্চমাধ্যমিক কলেজ, মাধ্যমিক ও নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, প্রধান শিক্ষক ও সহকারী প্রধান শিক্ষকের পদ অন্তর্ভুক্ত। এছাড়া মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান মিলিয়ে আরও কয়েক হাজার পদে নিয়োগ দেওয়া হবে।

নিয়োগ পরীক্ষায় মোট নম্বর থাকবে ১০০। এর মধ্যে লিখিত (এমসিকিউ) পরীক্ষায় ৮০ নম্বর, শিক্ষাগত যোগ্যতায় ১২ নম্বর এবং মৌখিক পরীক্ষায় ৮ নম্বর বরাদ্দ থাকবে। লিখিত পরীক্ষায় ৮০টি এমসিকিউ প্রশ্ন থাকবে এবং প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য ০.২৫ নম্বর কাটা হবে। প্রতিটি ধাপে পাস করতে হবে কমপক্ষে ৪০ শতাংশ নম্বর পেয়ে।

পরীক্ষার প্রশ্ন বাংলা, ইংরেজি, আইসিটি, সাধারণ জ্ঞান, গণিত, মানসিক দক্ষতা ও প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা থেকে করা হবে। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানভেদে বিষয়ভিত্তিক জ্ঞান থেকেও প্রশ্ন আসতে পারে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সাম্প্রতিক পরিপত্র অনুযায়ী, এখন থেকে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ, প্রধান শিক্ষক, সুপারসহ এসব পদে নিয়োগের ক্ষমতা এনটিআরসিএর অধীনে থাকবে। লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার ভিত্তিতে মেধাক্রম তৈরি করে নিয়োগ সুপারিশ করা হবে।

লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মধ্য থেকে শূন্য পদের তিন গুণ প্রার্থীকে মৌখিক পরীক্ষার জন্য ডাকা হবে। এরপর লিখিত, মৌখিক ও শিক্ষাগত যোগ্যতার নম্বর মিলিয়ে চূড়ান্ত মেধাতালিকা প্রকাশ করা হবে।

চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের পাঁচটি শূন্য পদের বিপরীতে পছন্দ দেওয়ার সুযোগ থাকবে। পছন্দ ও মেধার ভিত্তিতে এনটিআরসিএ নিয়োগের সুপারিশ করবে। তবে ফৌজদারি বা বিভাগীয় মামলায় দণ্ডিত কেউ এই নিয়োগে আবেদন করতে পারবেন না।

বিভি/এমআর

মন্তব্য করুন: