ইবি শিক্ষক আসমা হত্যাকাণ্ড: ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন
কুষ্টিয়ায় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতি ও সহযোগী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনা হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন ইবি প্রশাসন। কমিটিকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের অনুরোধ করা হয়েছে।
শনিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের এক জরুরী সভায় ইসলামী বিশ্ববিদ্যায়ের হিসাব বিজ্ঞান ও তথ্য পদ্ধতি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো: মিজানুর রহমানকে আহ্বায়ক ও উপ-রেজিষ্টার (শিক্ষা) মো: গোলাম মওলাকে সদস্য সচিব করে ৫ সদস্যের এই তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।
কমিটি অন্য সদস্যরা হলেন- বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. রশিদুজ্জামান, ছাত্র উপদেষ্টা এবং লালন শাহ হলের প্রভোষ্ট।
বিষয়টি নিশ্চিত করে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিষ্টার (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. মো: মনজুরুল হক জানান, ‘ইবি ক্যাম্পাসে একজন শিক্ষককে কেনো এবং কোন প্রেক্ষাপটে এমন নৃসশ হত্যাকান্ড ঘটেছে তার সঠিক চিত্র তুলে ধরে দ্রুততম সময়ের মধ্যে রিপোর্ট দেয়ার অনুরোধ করা হয়েছে।
কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মো: মিজানুর রহমান মুঠোফোনে আলাপকালে জানান, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজ কল্যাণ বিভাগের শিক্ষক আসমা সাদিয়া রুনাকে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ইবি কর্তৃপক্ষ যে তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন সে বিষয়টি আমি শুনেছি। তবে এখনও দাপ্তরিকভাবে কাগজপত্র হাতে পায়নি। কাগজপত্র পেলেই কমিটির সব সদস্যদের সাথে কথা বলেই কর্মকৌশল ঠিক করা হবে। আমরাও চেষ্টা করবো যত দ্রুত সময়ের মধ্যে সম্ভব হয় তদন্ত শেষ করে প্রতিবেদন দেয়া হবে।
উল্লেখ্য গতকাল বুধবার (০৪ মার্চ) বিকেল আনুমানিক সাড়ে ৪টার দিকে থিওলজি অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ অনুষদ ভবনের সমাজকল্যাণ বিভাগে নিজ কক্ষে বসে থাকা অবস্থায় ছুরিকাঘাত করে তাকে হত্যা করে ঘাতক ইবির কর্মচারী ফজলুর রহমান নিজের গলায় ছুরি চালিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন।
ফজলুর রহমান বর্তমানে কুষ্টিয়া আড়াইশ শয্যার জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
এ ঘটনায় নিহত ইবি শিক্ষক আসমা সাদিয়া রুনার স্বামী বাদি হয়ে ইবি থানায় কর্মচারী ফজলুর রহমানসহ দুইজন বিভাগীয় শিক্ষক এবং একজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগে মামলা করেছেন।
ইবি শিক্ষক হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদ, জড়িতদের গ্রেফতার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে শনিবার কুষ্টিয়া প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন করেছে শিক্ষক শিক্ষার্থী ও নিহতের স্বজনরা।
বিভি/এজেড



মন্তব্য করুন: