• বৃহস্পতিবার, ২৬ মে ২০২২ | ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯

কিংবদন্তী কত্থকশিল্পী বিরজু মহারাজের জীবনাবসান

প্রকাশিত: ১৬:৪৭, ১৭ জানুয়ারি ২০২২

ফন্ট সাইজ
কিংবদন্তী কত্থকশিল্পী বিরজু মহারাজের জীবনাবসান

কিংবদন্তী কত্থকশিল্পী বিরজু মহারাজ

চলে গেলেন উপমহাদেশের কিংবদন্তী কত্থকশিল্পী বিরজু মহারাজ। পরিসমাপ্তি ঘটলো ভারতীয় শাস্ত্রীয় নৃত্যের জগতে এক অসামান্য অধ্যায়ের। বিরজু মহারাজ বলতেন, হৃদয়ের কম্পনই তো নাচ! সেই হৃৎস্পন্দন, সেই নাচ থেমে গেলো চিরতরে।

রবিবার (১৬ জানুয়ারি) রাতে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তাঁর মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছে সংবাদ সংস্থা এএনআই। বেশ কিছুদিন ধরেই কিডনির সমস্যায় ভুগছিলেন তিনি। 

পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, রবিবার রাতে বাড়িতে বসে নাতির সংগে খেলার সময় হঠাৎ তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। এরপর দ্রুত তাকে দিল্লির সাকেত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। 

কত্থকের ‘মহারাজা’ পরিবারে ১৯৩৭ সালে তাঁর জন্ম হয়। সাত পুরুষ ধরে তাঁদের পরিবারে কত্থক নাচের চর্চা। তাঁর দুই কাকা শম্ভু মহারাজ এবং লচ্ছু মহারাজও ছিলেন বিখ্যাত শিল্পী। বাবা অচ্চন মহারাজই ছিলেন বিরজু’র গুরু।

শিশুশিল্পী হিসাবেই বাবার সংগে মঞ্চ ভাগ করে নিতেন তিনি। কৈশোরে পা দেওয়ার দিতেই ‘গুরু’ তকমা জুড়ে গিয়েছিল তাঁর নামের আগে। রামপুরের নবাবের দরবারে নৃত্য পরিবেশন করতেন বিরজু মহারাজ।  

১৯৮৩ সালে ভারত সরকারে পক্ষ থেকে পদ্মবিভূষণ পান বিরজু মহারাজ। পেয়েছেন কালীদাস সম্মাননাও। এই কত্থক গুরু বেশ কিছু ছবিতে কোরিওগ্রাফির দায়িত্বভার সামলেছেন। কাজ করেছেন সত্যজিৎ রায়ের ‘শতরঞ্জ কি খিলাড়ি’ ছবিতে।

নতুন শতাব্দীতে ‘দেবদাস’, ‘বাজিরাও মস্তানি’র মতো ছবিতে বিরজু মহারাজের কোরিওগ্রাফি মুগ্ধ করেছে আপামর ভারতীয়কে। ‘বিশ্বরূপম’ ছবিতে কোরিওগ্রাফির জন্য চলচ্চিত্রে জাতীয় পুরস্কারও পেয়েছিলেন বিরজু মহারাজ।

বিভি/এসডি

মন্তব্য করুন: