• NEWS PORTAL

  • বৃহস্পতিবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০২২

নোরাকে নিয়ে অনুমতি ছাড়া ব্যবসার অভিযোগ

প্রকাশিত: ১৩:৪৭, ২৩ নভেম্বর ২০২২

ফন্ট সাইজ
নোরাকে নিয়ে অনুমতি ছাড়া ব্যবসার অভিযোগ

নোহা ফাতেহি ঢাকায় আসার আগে থেকে শুরু হয়েছে আলোচনা। এ দেশ থেকে ফিরে যাওয়ার পরও সেই আলোচনার রেশ যেন কাটছেই না। আয়োজক প্রতিষ্ঠান উইমেন লিডারশিপ করপোরেশনের বিরুদ্ধে এবার নোরাকে নিয়ে অনুমতি ছাড়া ব্যবসা করার অভিযোগ উঠেছে। 

মঙ্গলবার (২২ নভেম্বর) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে সংবাদ সম্মেলনে এমনটা দাবি করেন মাসিক বিজনেস ও লাইফস্টাইল ম্যাগাজিন ‘মিরর’র ব্যবস্থাপনা সম্পাদক ও প্রকাশক শাহাজাহান ভূঁইয়া রাজু। উইমেন লিডারশিপ করপোরেশনের সভাপতি ইশরাত জাহান মারিয়াকে অভিযুক্ত করেন তিনি। 

শাহাজাহান ভূঁইয়া রাজু বলেন, ‘ডকুমেন্টারি শুটিংয়ের আড়ালে বাণিজ্যিক লাভের উদ্দেশে নোহা ফাতেহিকে ঢাকায় আনা হয়। আমার পাওনা পরিশোধ না করে মিথ্যা মামলা দিয়ে  সুনাম ক্ষুণ্ন করেছেন মারিয়া। নোরা ফাতেহিকে বাংলাদেশে আনার অনুমতি ছিল ডকুমেন্টারি শুটিংয়ের জন্য। কিন্তু উইমেন লিডারশিপ করপোরেশন এর আড়ালে বাণিজ্যিক লাভের উদ্দেশ্যে বিনা অনুমতিতে উচ্চ মূল্যে টিকিট বিক্রি ও অ্যাওয়ার্ড প্রোগ্রামের আয়োজন করেছে।’

এক লিখিত বক্তব্যে রাজু বলেন, ‘মিরর গ্রুপ নোরা ফাতেহিকে বাংলাদেশে আনার কথা ছিল। কিন্তু সরকারের অনুমতি না পেয়ে গ্রুপটি এই আয়োজন থেকে সরে আসে এবং নোরা ফাতেহিকে লিগ্যাল নোটিশ দেয়। মিরর গ্রুপের চুক্তি বহাল জেনেও উইমেন লিডারশিপ করপোরেশনের সভাপতি ইশরাত জাহান মারিয়া নোরাকে নিয়ে অনুষ্ঠান আয়োজন করেন।’

রাজু আরও বলেন, নোরা ফাতেহিকে নিয়ে ৯ সেপ্টেম্বর মিরর গ্রুপ একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করার কথা ছিল। এ বিষয়ে নোরা ফাতেহির সঙ্গে অগ্রিম সম্মানি পরিশোধ সাপেক্ষে মিরর গ্রুপের চুক্তি হয়। কিন্তু দেশে ডলার সংকটের কারণ দেখিয়ে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় নোরার আগমনের অনুমতি দেয়নি। নিষেধাজ্ঞার কারণে পরে পাওনা ফেরত চেয়ে নোরাকে লিগ্যাল নোটিশ দেওয়া হয়। কিন্তু মিরর গ্রুপের চুক্তি বহাল জেনেও ইশরাত জাহান মারিয়া ১৮ নভেম্বর নোরা ফাতেহিকে নিয়ে অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন।

তিনি বলেন, ‘লিগ্যাল নোটিশ ও আমাদের পাওনার বিষয়টি জানতে পেরে মারিয়া স্বেচ্ছায় আমার সঙ্গে দেখা করেন। তিনি ওই পাওনা পরিশোধ করবেন বলে মিরর গ্রুপের সঙ্গে চুক্তি করেন এবং তিনটি চেক দেন।’

চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, আমরা লিগ্যাল নোটিশ প্রত্যাহার করে সরকারের সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরে এডিসহ রেজিস্ট্রি ডাকযোগে চিঠি পাঠাই। কিন্তু চুক্তি অনুযায়ী মারিয়া টাকা পরিশোধ না করে উল্টো মিথ্যা মামলা দিয়ে আমাকে হয়রানি এবং আমার ব্যবসায়িক সুনাম ক্ষুণ্ন করেছেন।

এদিকে উইমেন লিডারশিপের সভাপতি ইশরাত জাহান মারিয়া পাল্টা অভিযোগ করেন। তার ভাষ্য, ‘রাজু প্রতারণা করে তার কাছ থেকে চেক নিয়েছেন। আর সেই চেক ফেরত পেতে তিনি মামলা করেছেন। রাজু আমাদের অনুষ্ঠান আয়োজনে বিবিধভাবে সহায়তা করার কথা ছিল। সে উদ্দেশ্যেই তাকে ব্যাংক চেক দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তিনি কোনো সহায়তাই করেননি। তিনি প্রতারণা করে আমার কাছ থেকে চেকগুলো নিয়েছেন।’

বিভি/জোহা

মন্তব্য করুন: