• NEWS PORTAL

  • মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২৬

ইসরাইলি লবির প্রভাব? ভিসা বাতিল ইস্যুতে যা বললেন শায়খ আহমাদুল্লাহ

প্রকাশিত: ১৯:০৯, ৬ এপ্রিল ২০২৬

ফন্ট সাইজ
ইসরাইলি লবির প্রভাব? ভিসা বাতিল ইস্যুতে যা বললেন শায়খ আহমাদুল্লাহ

শায়খ আহমাদুল্লাহ

অস্ট্রেলিয়া সফরে থাকার অবস্থায় নয় বরং দেশে ফিরে আসার পর ভিসা বাতিলের বিষয়টি জানতে পারেন বলে জানিয়েছেন ইসলামী স্কলার শায়খ আহমাদুল্লাহ। সোমবার তাঁর ফেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে এসব তথ্য জানান তিনি।

পাঠকের উদ্দেশ্যে তার পোস্ট হুবহু তুলে ধরা হলো-

প্রবাসী বাংলাদেশিদের আমন্ত্রণে গত সপ্তাহে অস্ট্রেলিয়ায় একটি অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেছিলাম আমি। এরপর একটি জরুরি কাজে গত শনিবার দেশে ফিরে এসে তাতে মনযোগ দিয়েছি। আজ সকালে জানতে পারলাম, আমার ভিসা বাতিল করা হয়েছে। উল্লেখ্য, গত বছরও সিডনিতে বাংলাদেশি কমিউনিটির একটি অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছিলাম।

ভিসা সংক্রান্ত লেটারটা ছিল অনেকটা ফরমাল। সেখানে উল্লেখ ছিল—আবেদনকারী যে উদ্দেশ্যে অস্ট্রেলিয়া এসেছিলেন, তা ইতোমধ্যে সম্পন্ন করে তিনি ফিরে গেছেন। তাই ভিসার উদ্দেশ্য আর অবশিষ্ট নেই। 

বিভিন্ন মিডিয়ায় বিষয়টা যেভাবে প্রচারিত হয়েছে, সেরকম কিছু আমি লেটারে দেখতে পাইনি। তবে অষ্ট্রেলিয়ার কয়েকজন বিরোধী রাজনীতিককে সোশ্যাল মিডিয়ায় আমার বিরুদ্ধে নেতিবাচক মন্তব্য করতে দেখেছি। সম্প্রতি কিছু চিহ্নিত ইসলাম বিদ্বেষী আমাদের কিছু বক্তব্যের খণ্ডিত অংশ এবং কিছু বক্তব্যের বিকৃত অনুবাদ করে সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচার করেছে। তার দ্বারা তারা প্রভাবিত হয়ে থাকতে পারেন।

আমি মনে করি, যে কোনো অভিযোগ আমলে নেওয়ার পূর্বে সঠিক তথ্য যাচাই-বাছাই এবং ন্যায্যতা ও নিরপেক্ষতা প্রতিফলিত হওয়া প্রয়োজন।

গত জানুয়ারি মাসে ইসলামোফোবিক কন্টেন্ট তৈরির অভিযোগে সামি ইয়াহুদ নামে একজন ইজরায়েলি ইনফ্লুয়েন্সারের ভিসা বাতিল করেছিল অস্ট্রেলিয়া সরকার। বিষয়টি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে ফলাও করে প্রচার করা হয় এবং বিষয়টা নিয়ে স্থানীয়ভাবে চাপ তৈরি হয়।

এদিকে একজন ইসরায়েলি ইনফ্লুয়েন্সারকে এভাবে বাধা দেয়া প্রবল শক্তিশালী ইসরায়েলি লবি মোটেই ভালোভাবে নেয়নি। সে ঘটনারই বিপরীত ক্রিয়া হিসেবে আমার বিরুদ্ধে এই প্রচারণা কি না, তা আমি নিশ্চিত নই।

কোনো ধর্ম, জাতি বা গোষ্ঠীর প্রতি আমাদের ব্যক্তিগত কোনো বিদ্বেষ নেই। বরং বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের প্রতি যেকোনো বিচ্ছিন্ন অন্যায় আচরণেরও আমরা বিরোধিতা করি।”

ওই একই পোস্টের কমেন্টে অস্ট্রেলিয়া থেকে পাওয়া চিঠিটি উল্লেখ করেছেন শায়খ আহমাদুল্লাহ। সেখানে লেখা ছিল- It appears the visa holder has travelled to Australia for the purposes the Temporary Activity (subclass 408) visa was granted. I find it reasonable to deduce that the visa holder attended the events for which the visa holder was invited as a keynote speaker and as the visa holder has now departed Australia, the particular fact or circumstance that the decision to grant the visa was based no longer exists.

এর আগে দেশের আরেক জনপ্রিয় বক্তা মিজানুর রহমান আজহারীরও ভিসা বাতিল করে অস্ট্রেলিয়া।

বিভি/এজেড

মন্তব্য করুন: