• NEWS PORTAL

  • বুধবার, ০৮ এপ্রিল ২০২৬

‘ট্রাম্পের হুমকির মধ্যেই ৪৫ দিনের যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা’

প্রকাশিত: ১৪:৫৯, ৬ এপ্রিল ২০২৬

আপডেট: ১৫:০৩, ৬ এপ্রিল ২০২৬

ফন্ট সাইজ
‘ট্রাম্পের হুমকির মধ্যেই ৪৫ দিনের যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা’

ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে সম্ভাব্য ৪৫ দিনের যুদ্ধবিরতির আলোচনা নতুন করে আশার সঞ্চার করেছে। যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েলি ও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন সূত্রের বরাত দিয়ে মার্কিন সংবাদমাধ্যম এক্সিওস জানিয়েছে, দীর্ঘ এক মাসের বেশি সময় ধরে চলমান সংঘাতের পর এই যুদ্ধবিরতি কার্যকর হতে পারে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রস্তাবিত এই যুদ্ধবিরতি হবে দুই ধাপে। প্রথম ধাপে ইরান, যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েল পরস্পরের বিরুদ্ধে সামরিক হামলা থেকে ৪৫ দিনের জন্য বিরত থাকবে। এই সময়েই মধ্যস্থতাকারীদের উপস্থিতিতে স্থায়ী যুদ্ধবিরতির লক্ষ্যে আলোচনা শুরু হবে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর মধ্যে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো মনে করছে, এই আলোচনা সফল হলে তা একটি দীর্ঘমেয়াদি সমঝোতার পথ খুলে দিতে পারে।

এর আগে মার্চের শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে ১০ দিনের একটি সময়সীমা বেঁধে দেন। তিনি হরমুজ প্রণালী থেকে অবরোধ প্রত্যাহার এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি সমঝোতা চুক্তিতে পৌঁছানোর আহ্বান জানান। সেই ডেডলাইন শেষ হওয়ার আগেই তিনি আরও কঠোর অবস্থান নেন এবং রোববার ইরানকে ৪৮ ঘণ্টার নতুন আল্টিমেটাম দেন।

নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় ট্রাম্প সতর্ক করে বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ইরান যদি অবরোধ প্রত্যাহার না করে এবং আলোচনায় না আসে, তাহলে দেশটির গুরুত্বপূর্ণ বিদ্যুৎকেন্দ্র ধ্বংস করে দেওয়া হবে। তবে সংশ্লিষ্ট কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, এই ধরনের হুমকি ইরানের ওপর খুব একটা প্রভাব ফেলবে— এমন সম্ভাবনা কম।

বরং তারা মনে করছেন, আলোচনায় থাকা ৪৫ দিনের যুদ্ধবিরতিই বর্তমান সংকট নিরসনের সবচেয়ে কার্যকর পথ হতে পারে। ইতোমধ্যে এই প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে বলেও জানা গেছে।

এদিকে এক্সিওসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প নিজেও স্বীকার করেছেন, ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তাদের গভীর আলোচনা চলছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ঘোষিত সময়সীমা শেষ হওয়ার আগেই এই আলোচনার একটি ইতিবাচক ফলাফল পাওয়া যাবে।

সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায়, মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা না বাড়িয়ে কূটনৈতিক সমাধানের দিকেই ঝুঁকছে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো। এখন দেখার বিষয়, প্রস্তাবিত যুদ্ধবিরতি বাস্তবে রূপ নেয় কি না এবং তা স্থায়ী শান্তির পথে কতটা ভূমিকা রাখতে পারে। সূত্র: এক্সিওস


 

বিভি/এসআই

মন্তব্য করুন: