• NEWS PORTAL

  • বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কে-পপ তারকাদের মতো ত্বকের খোঁজে দক্ষিণ কোরিয়াতে বিদেশিদের ভিড় 

প্রকাশিত: ১২:৫০, ৩০ মে ২০২৬

ফন্ট সাইজ
কে-পপ তারকাদের মতো ত্বকের খোঁজে দক্ষিণ কোরিয়াতে বিদেশিদের ভিড় 

কে-পপ ব্যান্ড। যার রঙিন দুনিয়া, ঝলমলে তারকাদের নিখুঁত গান আর গ্ল্যামারাস উপস্থিতি এখন মুগ্ধ করছে বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি তরুণ-তরুণীকে। বিটিএস, ব্ল্যাকপিঙ্ক কিংবা জনপ্রিয় কোরিয়ান ড্রামার তারকাদের মতো উজ্জ্বল ত্বক পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা থেকেই বাড়ছে ‘কে-বিউটি’র জনপ্রিয়তা। আর সেই মোহ এখন এতোটাই তুঙ্গে যে দক্ষিণ কোরিয়ায় ঘুরতে গিয়ে এখন অনেক বিদেশি পর্যটক শুধু দর্শনীয় স্থান নয়, বেছে নিচ্ছেন স্কিনকেয়ার ও সৌন্দর্যচর্চাভিত্তিক চিকিৎসাও।

কেউ নিচ্ছেন লেজার থেরাপি, কেউ বোটক্স, আবার কেউ করাচ্ছেন আলট্রাসাউন্ড স্কিন লিফটিং। তুলনামূলক কম খরচ, আধুনিক প্রযুক্তি আর দক্ষ চিকিৎসকদের কারণে দক্ষিণ কোরিয়া এখন সৌন্দর্যচর্চার অন্যতম গন্তব্যে পরিণত হয়েছে। বিশেষ করে সিউলের অভিজাত গ্যাংনাম এলাকার বিভিন্ন স্কিনকেয়ার ক্লিনিকে প্রতিদিনই ভিড় করছেন বিদেশি পর্যটকরা।

এখানে চিকিৎসা নেওয়া দশনার্থীরা জানান, কে-পপ গান শুনতে শুনতেই তার কোরিয়ার প্রতি আগ্রহ তৈরি হয়। পরে কোরিয়ান নাটক, খাবার আর সংস্কৃতির পাশাপাশি আকৃষ্ট হন কোরিয়ান স্কিন ট্রিটমেন্টে। তাদের ভাষায়, যুক্তরাষ্ট্রের তুলনায় একই চিকিৎসা এখানে দুই থেকে তিন গুণ কম খরচে পাওয়া যায়।

দুবাইভিত্তিক মেক্সিকান পরামর্শক মারিয়া জু বিট্রিশ সংবাদমাধ্যম রয়টার্সকে জানান, সৌন্দর্যচর্চার ক্ষেত্রে তারা দক্ষ ও নিরাপদ চিকিৎসাকেই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেন। আর সেই আস্থার জায়গা থেকেই কোরিয়াকে বেছে নিচ্ছেন অনেকে।

দক্ষিণ কোরিয়ার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য বলছে, ২০২৫ সালে প্রায় ২০ লাখ বিদেশি চিকিৎসার জন্য দেশটিতে গেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ‘Korea glow-up’ এর মতো হ্যাশট্যাগও এ প্রবণতাকে আরও জনপ্রিয় করে তুলেছে। ফলে গ্যাংনামের বিভিন্ন স্কিনকেয়ার ক্লিনিক এখন পর্যটকদের অন্যতম আকর্ষণ হয়ে উঠেছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, এখন পর্যটকরা শুধু ঘুরতে নয়, কোরিয়ান জীবনধারা নিজের মধ্যে ধারণ করতেও আগ্রহী। আর সেই কারণেই ‘কে-বিউটি’ এখন বিশ্বজুড়ে নতুন এক সৌন্দর্য উন্মাদনার নাম।
 

বিভি/এসজি

মন্তব্য করুন: