• NEWS PORTAL

  • শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জাতিসংঘের প্রশাসনিক দায়িত্বে জাইমা রহমান, লিগ্যাল অফিসারের কাজ কী?

প্রকাশিত: ১৫:১৪, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আপডেট: ১৫:২২, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ফন্ট সাইজ
জাতিসংঘের প্রশাসনিক দায়িত্বে জাইমা রহমান, লিগ্যাল অফিসারের কাজ কী?

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি খলিলুর রহমানের কার্যালয়ে লিগ্যাল অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন জাইমা রহমান। যুক্তরাজ্যের কুইন মেরি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইনে স্নাতক ডিগ্রিধারী জাইমা রহমান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও ডা. জুবাইদা রহমানের একমাত্র মেয়ে। 

জাতিসংঘের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে প্রকাশিত দফতরের কর্মকর্তাদের তালিকায় জাইমা রহমানের নাম ও পদবি উল্লেখ করা হয়েছে। জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, সাধারণ পরিষদের সভাপতির দফতরে বিভিন্ন পদে ৪০ জন কর্মকর্তা ও কর্মী দায়িত্ব পালন করছেন। তাদের মধ্যে জাইমা রহমানসহ ছয়জন বাংলাদেশি রয়েছেন।

জাতিসংঘের প্রকাশিত জীবনীতে বলা হয়েছে, জাইমা রহমান একজন ব্যারিস্টার এবং আইন ও নীতিবিষয়ক পেশাজীবী। তিনি যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশে কাজের অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন। তার আগ্রহের প্রধান ক্ষেত্রগুলোর মধ্যে রয়েছে সুশাসন, অন্তর্ভুক্তিমূলক জননীতি, ন্যায়বিচারে প্রবেশাধিকার, শিক্ষা, লিঙ্গসমতা, ডিজিটাল নিরাপত্তা এবং সামাজিক অন্তর্ভুক্তি।

জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, সভাপতির কার্যালয়ের সার্বিক আইনি বিষয় ও কার্যক্রম আইনি কাঠামোর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণভাবে পরিচালনা করাই একজন লিগ্যাল অফিসারের মূল কাজ। যার মধ্যে রয়েছে সাধারণ পরিষদে উত্থাপিত বিভিন্ন চুক্তি, প্রস্তাবনা ও নীতিনির্ধারণী দলিলের আইনি দিকগুলো নিরীক্ষা করা। সেই সাথে জাতিসংঘের সনদ ও অভ্যন্তরীণ কার্যপ্রণালী মেনে সভাগুলো অনুষ্ঠিত হচ্ছে কি না তা পর্যবেক্ষণ করা এবং সভাপতির পক্ষে প্রয়োজনীয় আইনি বিশ্লেষণ ও দাপ্তরিক নথি প্রস্তুত করা তার প্রধান দায়িত্বের অন্তর্ভুক্ত।

এছাড়াও লিগ্যাল অফিসার হিসেবে তাকে বিভিন্ন সদস্য রাষ্ট্র, আন্তর্জাতিক সংস্থা এবং অংশীদারদের সাথে সম্পাদিত চুক্তি সম্পাদনা এবং চূড়ান্তকরণে সহায়তা করতে হবে। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার, জলবায়ু কূটনীতি ও গ্লোবাল গভর্নেন্স-এর মতো ক্ষেত্রগুলোতে নীতির সঠিক প্রয়োগ নিশ্চিত করতে আইনগত গবেষণার কাজ করবেন জাইমা রহমান।

জাইমা রহমান যুক্তরাজ্যে তার মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সম্পন্ন করেন। পরবর্তীতে যুক্তরাজ্যের বিখ্যাত কুইন মেরি ইউনিভার্সিটি অব লন্ডন থেকে আইন ও রাজনীতি বিষয়ে ডিগ্রি অর্জন করেন। আইনি ডিগ্রি অর্জনের পর যুক্তরাজ্যে আইন পেশা অনুশীলনের জন্য তিনি দ্য অনারেবল সোসাইটি অব দি ইনার টেম্পল থেকে পেশাদার বার-অ্যাট-ল সনদ অর্জন করেন। এরপর তিনি সংবিধানিক আইন, কর্পোরেট আইন এবং সামাজিক কল্যাণমূলক আইন নিয়ে কাজ শুরু করেন। ২০২৫ সালের ২৫ ডিসেম্বর, তিনি তার বাবা-মায়ের সাথে বাংলাদেশে ফিরে আসেন।


 

বিভি/এমএফআর

মন্তব্য করুন:

সর্বাধিক পঠিত