• NEWS PORTAL

  • মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের অঙ্গীকার বাস্তবায়নের দিন আজ, পাবেন যারা

প্রকাশিত: ০৯:২৩, ১০ মার্চ ২০২৬

আপডেট: ০৯:২৫, ১০ মার্চ ২০২৬

ফন্ট সাইজ
ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের অঙ্গীকার বাস্তবায়নের দিন আজ, পাবেন যারা

ফাইল ছবি

নিজ নির্বাচনী এলাকা ঢাকা-১৭-এ আজ ফ্যামিলি কার্ড প্রদানের অঙ্গীকার বাস্তবায়ন করতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মহাখালী টিএন্ডটি মাঠে কড়াইল এলাকার নারীদের হাতে এই কার্ড তুলে দেবেন তিনি। সুবিধাভোগী নারীদের মোবাইলে পৌঁছে যাবে প্রথম মাসের নগদ সহায়তা। প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে প্রতি মাসে আর্থিক সুবিধা পাবেন- এমন খবরে খুশি কড়াইলবাসী।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দীর্ঘ ১৭ বছর লন্ডনে নির্বাসনে থাকা অবস্থায় বিএনপির চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচনী অঙ্গীকার হিসেবে ফ্যামিলি কার্ডের ঘোষণা দিয়েছিলেন। ঢাকা-১৭ আসনের প্রার্থী হয়ে নির্বাচনী এলাকা কড়াইল বস্তির এক সমাবেশে তিনি এমন ঘোষণাই দিয়েছিলেন।

সেই ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার এক মাসেরও কম সময়ের মধ্যে নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়ন করতে যাচ্ছেন তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকাল ১০টায় রাজধানীর কড়াইল টিএন্ডটি মাঠে নারীদের হাতে এ কার্ডের কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন তিনি। পুরোদমে চলছে এই ঐতিহাসিক কার্ড উদ্বোধনের প্রস্তুতি।

কড়াইলের পাশাপাশি সাততলা, ভাষানটেকসহ মিরপুরের আরও কিছু বস্তিবাসীকেও শুরুতে দেওয়া হবে এই কার্ড। ফ্যামিলি কার্ডকে ঘিরে কড়াইলবাসীর মধ্যে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। এখানকার নিম্ন আয়ের নারীরা বলছেন, কার্ড পেতে নাম, মোবাইল নম্বর, জাতীয় পরিচয়পত্র, পরিবারের সদস্যসংখ্যাসহ বেশ কিছু তথ্য দিয়েছেন তারা।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কার্ড বিতরণের এ কার্যক্রমকে স্বাগত জানিয়েছে কড়াইল বস্তিবাসী। এর মাধ্যমে আর্থিক অস্বচ্ছলতা দূর হওয়া, সন্তানের পড়াশোনায় সহায়তা পাওয়া এবং আরও নানা উপকারের অপেক্ষায় রয়েছেন তারা। নারী সদস্যরা এ কার্ড পাচ্ছেন বলে পুরুষরাও খুশি।

উল্লেখ্য, পাইলটিং কর্মসূচিতে প্রথম পর্যায়ে দেশের ১৩টি জেলার ১৩ সিটি করপোরেশন/ইউনিয়নের ১৫টি ওয়ার্ডে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। পাইলটিং পর্যায়ে সারাদেশে মোট ৬৭ হাজার ৮৫৪টি নারী প্রধান পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। হতদরিদ্র, দরিদ্র ও নিম্ন মধ্যবিত্ত ৫১ হাজার ৮০৫টি খানার (Household) তথ্য যাচাইয়ে ৪৭ হাজার ৭৭৭টি খানার তথ্য সঠিক পাওয়া যায়। প্রাপ্ত তথ্য থেকে ডাবল ডিপিং (একই ব্যক্তির একাধিক ভাতা গ্রহণ), সরকারি চাকরি, পেনশন ইত্যাদি কারণে চূড়ান্তভাবে ৩৭ হাজার ৫৬৭টি নারী প্রধান পরিবারকে ভাতা দেওয়ার জন্য চূড়ান্ত করা হয়েছে।

বিভি/পিএইচ

মন্তব্য করুন:

সর্বাধিক পঠিত