ঢাকা-মালে রুটে মালদিভিয়ান এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট পুনরায় শুরু
মালদ্বীপের জাতীয় পতাকাবাহী বিমান সংস্থা মালদিভিয়ান থেকে পুনরায় ঢাকা-মালে-ঢাকা রুটে সরাসরি বিমান চলাচল শুরু করেছে। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ঐতিহ্যবাহী পানি ছিটিয়ে সম্ভাষণ জানানোর মাধ্যমে বিমানটিকে স্বাগত জানানো হয়। আসন্ন ঈদুল ফিতরের আগে এই দুই দক্ষিণ এশীয় দেশের মধ্যে সরাসরি আকাশপথের যোগাযোগ পুনরায় স্থাপিত হলো।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) ভোর ৫টা ২০ মিনিটে এয়ারবাস এ–৩২০ ধরনের উদ্বোধনী বিমানটি পূর্ণ যাত্রী নিয়ে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। এরপর সকাল ৬টা ২০ মিনিটে বিমানটি পুনরায় মালের উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করে।
বিমানবন্দরে অবতরণের পর যাত্রীদের অভ্যর্থনা জানান মালদিভিয়ান এয়ারলাইন্সের স্থানীয় সাধারণ বিক্রয় প্রতিনিধির দায়িত্বে থাকা গ্যালাক্সি এভিয়েশন সার্ভিসের কর্মকর্তারা।
প্রাথমিকভাবে বিমান সংস্থাটি প্রতি সপ্তাহে রবিবার ও বৃহস্পতিবার এই রুটে দুটি বিমান পরিচালনা করবে। ঢাকা–মালে–ঢাকা রুটে আসা-যাওয়ার সর্বনিম্ন ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৯৯ মার্কিন ডলার (প্রায় ৪৭ হাজার ৮৮০ টাকা)।
এই বিমানে যাত্রীরা ৩০ কেজি পর্যন্ত মালপত্র বহনের সুবিধা এবং যাত্রাপথে বিনামূল্যে খাবার পাবেন। মালদিভিয়ানের নিজস্ব ওয়েবসাইট, মোবাইল প্রয়োগ এবং কলসেবার (১৬৭১) মাধ্যমে টিকিট সংগ্রহ করা যাবে।
এর আগে গত ২৩ ফেব্রুয়ারি মালদিভিয়ানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ ইব্রাহিম ইয়াসির এবং গ্যালাক্সি বাংলাদেশ গ্রুপের সভাপতি ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আহমেদ ইউসুফ ওয়ালিদের মধ্যে এ সংক্রান্ত একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
বিমান চলাচল উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে নিযুক্ত মালদ্বীপের রাষ্ট্রদূত শিউনিন রশিদ, মালদিভিয়ান এয়ারলাইন্সের ভূমি পরিচালনা পরিচালক আহমেদ ইব্রাহিম এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্য বিভাগের মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ সাফাহ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রদূত শিউনিন রশিদ বলেন, এই আকাশপথ পুনরায় সচল হওয়ায় বাংলাদেশ ও মালদ্বীপের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এবং জনগণের মধ্যে যোগাযোগ আরও সুদৃঢ় হবে।
রমজান ও ঈদুল ফিতরের ভ্রমণের মৌসুমে এই বিমান চলাচল চালু হওয়ায় দেশে ফেরা প্রবাসী বাংলাদেশি এবং মালদ্বীপগামী যাত্রীদের যাতায়াত আরও সহজ হবে।
বর্তমানে মালদিভিয়ান এয়ারলাইন্সের বহরে একটি এয়ারবাস এ–৩৩০ বৃহৎ যাত্রীবাহী বিমান, এয়ারবাস এ–৩২০, এটিআর, ড্যাশ–৮ টার্বোপ্রপ এবং টুইন ওটারসহ মোট ২৬টি বিমান রয়েছে। এসব বিমান দিয়ে সংস্থাটি অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গন্তব্যে যাত্রী পরিবহন করে আসছে।
বিভি/পিএইচ



মন্তব্য করুন: