• NEWS PORTAL

  • বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬

আগামীকাল ঈদ পালন করবে ভোলার ১৭ গ্রামের ৬ হাজার পরিবার

বাসস

প্রকাশিত: ২০:১৬, ১৯ মার্চ ২০২৬

ফন্ট সাইজ
আগামীকাল ঈদ পালন করবে ভোলার ১৭ গ্রামের ৬ হাজার পরিবার

ফাইল ছবি

সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে আগামীকাল শুক্রবার (২০ মার্চ) ভোলার পাঁচ উপজেলার ১৭টি গ্রামে ঈদুল ফিতর পালিত হবে। এসব এলাকার প্রায় ছয় হাজার পরিবার একদিন আগেই ঈদ উদ্যাপন করবে।

স্থানীয় প্রবীণদের সাথে কথা বলে জানা যায়, সৌদি আরবে চাঁদ দেখা যাওয়ায় জেলার বিভিন্ন গ্রামের এই পরিবারগুলো আগামীকাল ঈদুল ফিতর উদযাপন করবে।

আগামীকাল শুক্রবার সকাল ৯টায় জেলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার টবগী ইউনিয়নের টবগী গ্রামে খলিফা মজনু মিয়ার বাড়ির আঙিনায় ঈদের প্রথম জামাত অনুষ্ঠিত হবে। 

শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার সুরেশ্বর দরবার পীরের মুরিদ ও ভোলা জেলার দায়িত্বে নিয়োজিত খলিফা মজনু মিয়া সেখানে ঈদের জামায়াতের ইমামতি করতেন। তার মৃত্যু হওয়ায় এবছর তার পুত্র  রাসেদুল ইসলাম বাবু ইমামতি করবেন।

এদিন একই গ্রামের চৌকিদার বাড়ির জামে মসজিদে সকাল ৯টায় ঈদের জামাতে ইমামতি করবেন অপর মুরিদ মওলানা সিহাব উদ্দিন। ওই গ্রামের পঞ্চায়েত বাড়ির জামে মসজিদে সকাল সাড়ে ৯টায় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। এ ছাড়া আগামীকাল সকাল ৯টা থেকে ১০টার মধ্যে জেলার বিভিন্ন জায়গায় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে।

জানা যায়, ভোলা সদর উপজেলার ইলিশা ও রতনপুর গ্রাম, বোরহানউদ্দিন উপজেলার টবগী ও মুলাইপত্তন গ্রাম, তজুমদ্দিন উপজেলার শিবপুর, খাসেরহাট, চাঁদপুর ও চাঁচড়া গ্রাম, লালমোহন উপজেলার পৌর শহর,ফরাসগঞ্জ গ্রাম এবং চরফ্যাশন উপজেলার পৌর শহর, দুলারহাট, ঢালচর ও চর পাতিলা, চর কুকরী-মুকরী, চর বাসনভাঙ্গা গ্রামের প্রায় ছয়হাজার পরিবার প্রতি বছর একদিন আগেই ঈদুল ফিতর  ও ঈদুল আজহা পালন করে থাকেন।

সুরেশ্বর পীরের মুরিদ ছাড়াও চট্টগ্রামের সাতকানিয়া এবং ভান্ডারি শরিফ পীরের মুরিদের পরিবারের সদস্যরাও শতবছর ধরে সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে  রোজা, ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহা পালন করে আসছেন। 

ভোলার পুলিশ সুপার মো. শহিদুল্লাহ কাউছার গণমাধ্যমকে জানান, জেলার বিভিন্ন উপজেলার যেসব গ্রামে ঈদ উদ্যাপন হচ্ছে সেসব গ্রামের ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের জন্য স্থানীয় থানা পুলিশের সমন্বয়ে সার্বিক নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। সুন্দর ও সুশৃঙ্খলভাবে নির্বিঘ্নে ঈদ উদ্যাপন করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সদা প্রস্তুত। 

বিভি/এজেড

মন্তব্য করুন:

সর্বাধিক পঠিত