• NEWS PORTAL

  • বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

স্পিকারের সঙ্গে ঢাকায় নিযুক্ত জার্মান রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

প্রকাশিত: ১৯:৪৩, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ফন্ট সাইজ
স্পিকারের সঙ্গে ঢাকায় নিযুক্ত জার্মান রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম এমপির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত জার্মানির রাষ্ট্রদূত ড. রুডিগার লোটজ। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) স্পিকারের কার্যালয়ে এ সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

সাক্ষাতে বাংলাদেশ ও জার্মানির মধ্যকার দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা তুলে ধরেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বিদ্যমান। সর্বশেষ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জার্মানির পর্যবেক্ষক দলের উপস্থিতি দুই দেশের প্রচলিত বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নিয়েছে।

স্পিকার বলেন, জার্মানি ও বাংলাদেশ উভয়ই গণতান্ত্রিক ক্ষেত্রে ভ্রাতৃপ্রতিম দেশ। বাংলাদেশ দীর্ঘ সময় ধরে শোষণের শিকার হয়েছে। পাকিস্তান আমলে দেশে গণতান্ত্রিক বৈষম্য প্রকট আকার ধারণ করেছিল। পরবর্তীতে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে দেশ স্বাধীন হলেও বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণ বারবার ক্ষুণ্ন হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগের দীর্ঘ ১৫ বছরের শাসনে দেশের মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছিল। গুম, খুন, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড ও প্রহসনের নির্বাচনের বিরুদ্ধে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান সংঘটিত হয়। সেই প্রেক্ষাপটে দেশে পুনরায় গ্রহণযোগ্য ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে। স্পিকার বলেন, এ দেশের মানুষ গণতন্ত্রের জন্য বারবার নিজেদের উৎসর্গ করেছে। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার দীর্ঘ লড়াইয়ে তারা কখনো বিচ্যুত হয়নি।

জার্মানির রাষ্ট্রদূত ড. রুডিগার লোটজ বলেন, বাংলাদেশ দীর্ঘ ১৫ বছরের শাসন থেকে বেরিয়ে গণতন্ত্রের পথে যাত্রা সুগম করেছে। বর্তমান নির্বাচিত সরকারের সামনে অনেক চ্যালেঞ্জ রয়েছে। বাংলাদেশের গণতন্ত্রকে কার্যকর করতে জার্মান সরকারের সর্বোচ্চ সহায়তার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।

সাক্ষাতে বাংলাদেশ-জার্মানি সংসদীয় কমিটি গঠন, মৈত্রী গ্রুপের মাধ্যমে সংসদীয় কূটনীতির প্রসার এবং অর্থনৈতিক বিনিয়োগ বৃদ্ধির বিষয়েও আলোচনা হয়। এ ছাড়া বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় তেল ও গ্যাসের কূপ অনুসন্ধান এবং সার কারখানা স্থাপনের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

এ সময় স্পিকার বাংলাদেশের সমুদ্রসীমা ও উপকূলীয় এলাকায় গ্যাস ও তেলসম্পদ অনুসন্ধানে জার্মানির বিশেষজ্ঞ দলকে আমন্ত্রণ জানান। বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ অর্থনীতি জ্বালানি সম্পদের ওপর নির্ভরশীল- এমন বিষয়ও রাষ্ট্রদূতকে অবহিত করেন তিনি। অনুষ্ঠানে জার্মান দূতাবাসের প্রতিনিধি এবং বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বিভি/পিএইচ

মন্তব্য করুন: