• NEWS PORTAL

  • বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬

কপ ৩১ সম্মেলনে অনুদানভিত্তিক অর্থায়ন ও কার্যকর সহায়তা চাইবে বাংলাদেশ: পরিবেশমন্ত্রী

প্রকাশিত: ১৯:১১, ৫ নভেম্বর ২০২৬

আপডেট: ১৯:১২, ৫ নভেম্বর ২০২৬

ফন্ট সাইজ
কপ ৩১ সম্মেলনে অনুদানভিত্তিক অর্থায়ন ও কার্যকর সহায়তা চাইবে বাংলাদেশ: পরিবেশমন্ত্রী

আসন্ন জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলনে (কপ৩১) অনুদানভিত্তিক জলবায়ু অর্থায়ন ও জলবায়ুজনিত ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলায় কার্যকর সহায়তা চাইবে বাংলাদেশ। বিশেষ করে অভিযোজন ও জলবায়ুজনিত ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলায় ঋণের বোঝা না বাড়িয়ে অনুদান বৃদ্ধি এবং জলবায়ু তহবিলের আবেদন ও অনুমোদন প্রক্রিয়া সহজ করার দাবি জানানো হবে।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সচিবালয়ে আগামী ৯ থেকে ২০ নভেম্বর তুরস্কের আনতালিয়া শহরে অনুষ্ঠেয় কপ৩১ সম্মেলন উপলক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু এসব কথা জানান। 

তিনি বলেন, তুরস্ক সরকারের আমন্ত্রণে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী সম্মেলনের উচ্চপর্যায়ের অধিবেশনে অংশগ্রহণ করবেন। এর মাধ্যমে জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ মানুষের স্বার্থ, বাংলাদেশের জাতীয় অগ্রাধিকার এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তা সর্বোচ্চ রাজনৈতিক পর্যায়ে তুলে ধরার সুযোগ সৃষ্টি হবে।

পরিবেশমন্ত্রী জানান, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে ঘূর্ণিঝড়, বন্যা, লবণাক্ততা, খরা ও তাপপ্রবাহ মানুষের জীবন ও উন্নয়নকে মারাত্মক ঝুঁকির মুখে ফেলছে। তাই বাংলাদেশ এ সম্মেলনে জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ মানুষের সুরক্ষা, জলবায়ু ন্যায়বিচার এবং জাতীয় পরিকল্পনা বাস্তবায়নে অর্থায়ন ও প্রযুক্তি সহায়তাকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে। উপকূল ও খরাপ্রবণ এলাকার মানুষের নিরাপত্তা এবং জলবায়ুজনিত ক্ষতি মোকাবিলায় নতুন ও অতিরিক্ত সহায়তা প্রয়োজন। বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে সীমিত রাখার প্রচেষ্টায় উন্নত দেশগুলোকে নেতৃত্ব দিতে হবে। পাশাপাশি কৃষি, শিল্প, পরিবহন ও জ্বালানি খাতে পরিবেশবান্ধব রূপান্তর এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে সাশ্রয়ী প্রবেশাধিকার বাংলাদেশের অগ্রাধিকারে থাকবে।

সংবাদ সম্মেলনে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী সাইমুম পারভেজ জানান, স্বল্পোন্নত দেশগুলোর জোট, জি-৭৭ এবং সমমনা জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদল জাতীয় স্বার্থে কাজ করবে। সম্মেলনস্থলে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে ১০০ বর্গমিটার আয়তনের একটি প্যাভিলিয়ন স্থাপন করা হচ্ছে। সেখানে বাংলাদেশের জলবায়ু ঝুঁকি, অভিযোজন অভিজ্ঞতা, কার্বন বাজার ও নবায়নযোগ্য জ্বালানির বিষয়গুলো তুলে ধরা হবে। পাশাপাশি একটি জুট বা পাট প্যাভিলিয়নও স্থাপন করা হবে।

সংবাদ সম্মেলনে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব ফাহমিদা খানম, অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ নাভিদ শফিউল্লাহ, পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক লুৎফর রহমান, বন অধিদফতরের প্রধান বন সংরক্ষক আমীর হোসাইন চৌধুরী এবং বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী রওনাকুল ইসলামসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।

বিভি/বিএস/এআই

মন্তব্য করুন:

সর্বাধিক পঠিত