ঢাকা-১৮ আসনে নিরাপত্তা নিয়ে জোটপ্রার্থী আরিফুল ইসলামের শঙ্কা প্রকাশ
রাজধানীর খিলক্ষেতে বিএনপি নেতাকর্মীদের দ্বারা অতর্কিত হামলার ঘটনায় নিজের ও দলীয় নেতাকর্মীদের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন ঢাকা-১৮ আসনে জামায়াত-এনসিপি ১০ দলীয় জোট সমর্থিত শাপলা কলি প্রতীকের প্রার্থী মো. আরিফুল ইসলাম।
আজ সোমবার (২৬ জানুয়ারি) দুপুরে উত্তরার বিএনএস সেন্টারে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এ শঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে আরিফুল ইসলাম বলেন, সকাল সাড়ে আটটার দিকে আমরা খিলক্ষেতের ডুমনি এলাকায় নির্বাচনী প্রচারণায় যাই। নূরপাড়া আলিম মাদ্রাসা মাঠে পৌঁছানোর পর বিএনপির স্থানীয় ৪৩ ওয়ার্ড নেতা দিদার মোল্লার নেতৃত্বে আমাদের ওপর পরিকল্পিত হামলা চালানো হয়। তার সঙ্গে ছিলেন মোহাম্মদ সেলিম মিয়া, মো. ইসরাফিল, মোহাম্মদ নাহিন, মোহাম্মদ রানা আহমেদ ও সোহেল আহমেদ।
তিনি জানান, এই হামলায় মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন, ইসলামের স্থানীয় কর্মী রিয়াজুল হোসেন, ইনসাফের সাইফুল ইসলামসহ আরও অনেকে আহত হয়েছেন এবং তাদের প্রকাশ্যে মারধর করা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে নিজ ও নেতাকর্মীদের নিরাপত্তা শঙ্কা জানিয়ে আরিফুল ইসলাম বলেন, ওসমান হাদি যেমন সাধারণ মানুষ ছিলেন। তেমনি আমি ও আমাদের নেতাকর্মীরা সাধারণ পরিবার থেকে উঠে আসা এবং আমরা সাধারণ মানুষদের নিয়েই চলি। নেতাকর্মীদের ওপর অতর্কিত হামলার ঘটনায় আমি নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করছি।
আসনে বিএনপি প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন ও তার নেতাকর্মীদের ওপর অভিযোগ এনে আরিফুল বলেন, আব্দুল্লাহপুরে আমাদের নির্বাচনী অফিসের ব্যানার ছিঁড়ে ফেলা হয়েছে ও খিলক্ষেতে নির্বাচনী অফিস উদ্বোধনের সময় নেতাকর্মীদের হুমকি দেওয়া হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় আজ আমাদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে।
বিএনপি প্রার্থী সংঘাত সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে অভিযোগ করে আরিফুল আরও বলেন, আজ বিকাল ৪টা থেকে উত্তরার আজমপুর থেকে আমরা একটি গণমিছিলের আয়োজন করেছি। কিন্তু, একই স্থানে বিকাল ৩টায় প্রস্তুতি কর্মসূচি দিয়েছেন এস এম জাহাঙ্গীর। একই স্থানে কর্মসূচি দিয়ে একটা সংঘাতের পরিবেশ তৈরির চেষ্টা করা হচ্ছে।
সংবাদ সম্মেলনে খিলক্ষেতের ডুমনি এলাকায় ১০ দলীয় জোটের নেতাকর্মীদের ওপর হামলায় জড়িতদের আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে গ্রেফতারের দাবি জানানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, ২৬ জানুয়ারি (সোমবার) ঢাকা-১৮ আসনের অন্তর্ভূক্ত খিলক্ষেতের ডুমনী এলাকায় নির্বাচনী প্রচারণায় জামায়াত-এনসিপি ১০ দলীয় জোটপ্রার্থীর ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। এতে নেতৃত্ব দেয় স্থানীয় ৪৩নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি দিদার মোল্লা। হামলায় জামায়াত-এনসিপির একাধিক নেতাকর্মী আহত হন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পরা হামলার এক ভিডিওতে অভিযুক্ত দিদার মোল্লাকে মারমুখী অবস্থায় দেখা গেছে।
বিভি/এআই



মন্তব্য করুন: