ডেপুটি স্পিকারের সঙ্গে মন্টেনিগ্রো পার্লামেন্ট সদস্যের সাক্ষাৎ
বাংলাদেশ ও মন্টেনিগ্রোর সংসদের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক জোরদার, সংসদীয় গণতন্ত্রের অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং পার্লামেন্টারি ফ্রেন্ডশিপ গ্রুপ (সংসদীয় মৈত্রী গ্রুপ) গঠনের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। এ সময় দুই দেশের সংসদের মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানোর আগ্রহ প্রকাশ করেন উভয় পক্ষ। সোমবার (৫ অক্টোবর) জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল এমপির সঙ্গে তার কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন মন্টেনিগ্রো পার্লামেন্টের সদস্য গোরদান স্তোয়োভিচ (Gordan Stojovic)।
সাক্ষাৎকালে ডেপুটি স্পিকার বলেন, সংসদ বা আইনসভা জনগণের সরাসরি নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নিয়ে গঠিত হওয়ায় গণতান্ত্রিক চর্চা অব্যাহত রাখা, ক্ষমতার ভারসাম্য রক্ষা এবং সরকার ও জনগণের মধ্যে নিবিড় সম্পর্ক স্থাপনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
মন্টেনিগ্রো পার্লামেন্টের সদস্য গোরদান স্তোয়োভিচ বলেন, মন্টেনিগ্রো পার্লামেন্টও বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের মতো এককক্ষবিশিষ্ট। দেশটির পার্লামেন্টে সদস্য সংখ্যা ৮১ জন।
এ সময় দুই দেশের সংসদের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক উন্নয়ন, পার্লামেন্টারি ডেমোক্রেসি, সংসদীয় অভিজ্ঞতা ও বেস্ট প্র্যাকটিস বিনিময়ের লক্ষ্যে পার্লামেন্টারি ফ্রেন্ডশিপ গ্রুপ গঠনের অভিপ্রায় ব্যক্ত করেন গোরদান স্তোয়োভিচ। ডেপুটি স্পিকার এ বিষয়ে ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করেন।
সাক্ষাৎকালে ডেপুটি স্পিকার বলেন, বাংলাদেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নের জন্য রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা অপরিহার্য। একটি উন্নত জাতি গঠনে বিরোধী দলের গঠনমূলক ভূমিকা প্রয়োজন উল্লেখ করে তিনি বলেন, শুধু বিরোধিতা করার জন্য সংসদে বিরোধী দল থাকা উচিত নয়।
মন্টেনিগ্রো পার্লামেন্টের সদস্য বলেন, দেশটির সংসদীয় কমিটিগুলো নির্বাহী বিভাগের সার্বিক কর্মকাণ্ড পরীক্ষা-নিরীক্ষায় নিবিড়ভাবে কাজ করে।
ডেপুটি স্পিকার আরও বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশে সংসদীয় গণতন্ত্র চর্চায় নতুন যাত্রা শুরু হয়েছে। এই প্রক্রিয়া দেশের মানুষের ভাগ্যোন্নয়ন ও অর্থনৈতিক মুক্তির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
সাক্ষাৎকালে জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বিভি/পিএইচ













মন্তব্য করুন: