• NEWS PORTAL

  • শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে ড. মিজানের গল্পভিত্তিক বই ‘বুদ্ধি ২.০’

রোহান চিশতী, নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়

প্রকাশিত: ১৭:৪৯, ১৩ মার্চ ২০২৬

ফন্ট সাইজ
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে ড. মিজানের গল্পভিত্তিক বই ‘বুদ্ধি ২.০’

অমর একুশে বইমেলা ২০২৬-এ অসংখ্য বইয়ের ভিড়ে প্রকাশিত হয়েছে আধুনিক যুগের অন্যতম আকর্ষণ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নিয়ে গল্পভিত্তিক বই ‘বুদ্ধি ২.০’। বইটি লিখেছেন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রফেসর ড. মো. মিজানুর রহমান।

বইটি প্রকাশ করেছে ‘আদর্শ’ প্রকাশনী। এবারের অমর একুশে বইমেলায় বইটি পাওয়া যাচ্ছে ৭৭২-৭৭৬ নম্বর স্টলে। পাশাপাশি অনলাইন প্ল্যাটফর্ম রকমারি থেকেও সংগ্রহ করা যাবে বইটি। ১৯৬ পৃষ্ঠার বইটির বিশেষ ছাড়ে বর্তমান মূল্য ৩৬০ টাকা।

লেখক জানান, ‘বুদ্ধি ২.০’ কম্পিউটার বিজ্ঞানে আগ্রহী এক গবেষকের কল্পনাপ্রসূত অনুসন্ধান—একটি কল্পগল্প, যেখানে যন্ত্র প্রশ্ন তোলে, “আমি কে?” এ গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র ‘এডিএ’, যা একটি আত্মসচেতন এআই। আরিব নামক এক গবেষকের সঙ্গে তার সম্পর্ককে ঘিরে গল্পে ফুটে ওঠে প্রযুক্তি ও মানবিকতার দার্শনিক দ্বন্দ্ব এবং সহাবস্থানের স্বপ্ন। মানুষ ও কৃত্রিম সত্তার সেতুবন্ধনকারী হিসেবে রয়েছে মেহরীমাহ, যিনি মানুষের হৃদয়, কৃত্রিম চেতনা এবং ভবিষ্যতের স্বপ্ন একসাথে ধারণ করেন। বইয়ের ১২টি পর্বে দেখা যাবে এআই কীভাবে আত্মসচেতন হয়ে ওঠে এবং কীভাবে ভালোবাসা, অস্তিত্ব ও মানবিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলে।

প্রফেসর ড. মিজানুর রহমান বলেন, ‘বুদ্ধি ২.০’ বইটি বিজ্ঞান, কল্পনা ও মানবিক অনুভূতির এক সংমিশ্রণ; যা পাঠককে শুধু জানাবে না, অনুভবও করাবে। যারা মনে করেন ভবিষ্যৎ শুধু প্রযুক্তির নয়, সহযোগিতারও—তাদের জন্যই এই বই। বিশ্বজুড়ে বর্তমানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে আলোচনা যেমন প্রযুক্তিগত, তেমনি নৈতিক ও দার্শনিকও। এআই কি মানুষের সহকারী হবে, নাকি প্রতিদ্বন্দ্বী? মানুষের আবেগ ও মূল্যবোধ কি কোনোদিন যন্ত্রে প্রতিফলিত হতে পারে? ‘বুদ্ধি ২.০’ এই প্রশ্নগুলোর সরল উত্তর দেওয়ার পাশাপাশি পাঠককে ভাবতে শেখাবে।

লেখক আরও বলেন, বাংলা ভাষায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে সাধারণ পাঠকের জন্য গল্পভিত্তিক বই এখনো খুব বেশি নেই। সেই জায়গায় ‘বুদ্ধি ২.০’ একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন হতে পারে। বইটি প্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও মানবচিন্তার ভবিষ্যৎ পটভূমিতে রচিত হওয়ায় বইপ্রেমী পাঠক, শিক্ষার্থী, গবেষক এবং প্রযুক্তিতে আগ্রহী তরুণদের জন্য এটি এক নতুন অভিজ্ঞতা হতে পারে।

প্রসঙ্গত, প্রফেসর ড. মিজানুর রহমান ২০০৮ সাল থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করছেন। শিক্ষকতার পাশাপাশি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে গবেষণা ও আগ্রহ থেকে লিখেছেন সায়েন্স ফিকশন বই ‘বুদ্ধি ২.০’। এর আগে তিনি ‘কম্পিউটার বিজ্ঞানীদের গল্প’ নামে একটি নন-ফিকশন বই এবং তিনটি একাডেমিক বই লিখেছেন।

বিভি/এজেড

মন্তব্য করুন: