• NEWS PORTAL

  • শনিবার, ৩০ আগস্ট ২০২৫

Drama: Jamai Bou Chor
Drama: Jamai Bou Chor

তিন শিক্ষকের বিরুদ্ধে সনদ জালিয়াতির অভিযোগ, ১৯ বছর বেতন-ভাতা উত্তোলন

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ২০:৫২, ১২ আগস্ট ২০২৫

আপডেট: ২১:১৮, ১২ আগস্ট ২০২৫

ফন্ট সাইজ
তিন শিক্ষকের বিরুদ্ধে সনদ জালিয়াতির অভিযোগ, ১৯ বছর বেতন-ভাতা উত্তোলন

সাতক্ষীরার বিনেরপোতা এলাকার অ্যাড. আব্দুর রহমানের কলেজের তিন শিক্ষকের বিরুদ্ধে সনদ জালিয়াতির মাধ্যমে এমপিওভুক্ত করে দীর্ঘ ১৯ বছর যাবত সরকারি কোষাগার থেকে বেতন-ভাতা উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দীর্ঘ তদন্ত শেষে ওই তিন শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হলেও তাদের বেতন-ভাতা ফেরত না দিয়ে বহাল তবিয়তে চাকরি করছেন।

সম্প্রতি ওই তিন শিক্ষকের এমপিও বাতিল ও অবৈধভাবে উত্তোলিত বেতন-ভাতা ফেরতের ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য কলেজের প্রভাষক মোঃ আমিনুর রহমান শিক্ষা উপদেষ্টা বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযোগে বলা হয়েছে, গার্হস্থ্য অর্থনীতি, পরিসংখ্যান এবং অর্থনীতি ও বাণিজ্যিক ভূগোল এই তিনটি বিষয় কলেজে না থাকলেও সুরাইয়া সুলতানা (গার্হস্থ্য অর্থনীতি), হুমায়ুন কবির (পরিসংখ্যান) এবং শাহাজান কবির (অর্থনীতি ও বাণিজ্যিক ভূগোল) বিভাগে ২০০৬ সালে এমপিওভুক্ত হন। এমপিও ভুক্ত হওয়ার পর থেকেই তারা কোনো পাঠদান না করেই বেতন-ভাতা নিচ্ছেন। শিক্ষা মন্ত্রণালয় ২০১৭ সালের ২ জুলাই অভিযুক্ত তিনজনকে উত্তোলিত সমুদয় অর্থ চালানের মাধ্যমে ফেরতের নির্দেশও দেন। তবে, টাকা ফেরত না দিয়ে সুরাইয়া সুলতানা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মনীতি লঙ্ঘন করে এবং জ্যেষ্ঠতা উপেক্ষা করে সন্ত্রাসীদের সহায়তায় ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের পদ দখল করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। 

এদিকে, চলতি বছরের গত ২৪ এপ্রিল সাংবাদিকরা উক্ত কলেজে গেলে আরও তথ্য বেরিয়ে আসে। 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কলেজের কয়েকজন শিক্ষক-কর্মচারী ওই সময় জানান, উল্লিখিত বিষয়গুলো কলেজে নেই। অথচ, উক্ত তিনজন শিক্ষক ১৯ বছর ধরে কোনো পাঠদান না করেই বেতনভাতা তুলছেন। এর আগে গত ১৯ ফেব্রুয়ারি কলেজের পরিচালনা পরিষদের সভাপতি ও সাতক্ষীরা সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার শোয়াইব আহমাদের কাছে অভিযোগ দায়ের করা হলেও তিনি তেমন কোন ব্যবস্থা নেননি বলে কলেজের একাধিক শিক্ষক অভিযোগ করেছেন। 

অভিযোগের বিষয়ে কলেজটির পরিচালনা পরিষদের সভাপতি ও সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার শোয়াইব আহমাদ জানান, কেউ দায়িত্ব নিতে চাচ্ছে না, যে কারণে সুরাইয়া সুলতানাকে বরখাস্ত করা যাচ্ছে না।

এ ব্যাপারে কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সুরাইয়া সুলতানার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জাল সনদে চাকুরির বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, আমার সনদ সঠিক আছে। এছাড়া বেতন ভাতা ফেরতের বিষয়টি ইতেfমধ্যে মিমাংসা হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

বিভি/পিএইচ

মন্তব্য করুন: