• NEWS PORTAL

  • বৃহস্পতিবার, ০১ জানুয়ারি ২০২৬

সাতক্ষীরা রেঞ্জে কাঁকড়া আহরণে দুই মাসের নিষেধাজ্ঞা

প্রকাশিত: ১১:৪৩, ১ জানুয়ারি ২০২৬

ফন্ট সাইজ
সাতক্ষীরা রেঞ্জে কাঁকড়া আহরণে দুই মাসের নিষেধাজ্ঞা

কাঁকড়ার প্রজনন মৌসুম শুরু হওয়ায় সুন্দরবন সাতক্ষীরা রেঞ্জের নদ-নদীতে আজ বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) থেকে কাঁকড়া আহরণে দুই মাসের নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকবে আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। 

এদিকে, নিষেধাজ্ঞা দেওয়ায় গহীন সুন্দরবন থেকে লোকালয়ে ফিরতে শুরু করেছেন জেলেরা। তবে, এসময় মাছ ধরার অনুমতি অব্যাহত থাকবে বলে জানান বনবিভাগ।

বুড়িগোয়ালিনী বনবিভাগের স্টেশন কর্মকর্তা (এসও) মোঃ জিয়াউর রহমান জানান, সুন্দরবনে নদ-নদীতে কাঁকড়া প্রজনন বৃদ্ধি করার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে দুই মাস ব্যপী কাঁকড়া আহরণ বন্ধ থাকবে। সুন্দরবন সাতক্ষীরা রেঞ্জের নদ-নদীতে বিভিন্ন প্রজাতির কাঁকড়া পাওয়া যায়। সাগর হতে ঝাঁকে ঝাঁকে কাঁকড়া নদীতে উঠে আসে এবং ডিম পাড়ে। কাঁকড়া প্রজনন নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে টহল জোরদার করা হয়েছে।

বন বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, সুন্দরবনের বাংলাদেশ অংশের জলভাগে ১৪ প্রজাতির কাঁকড়া রয়েছে। শ্যামনগর উপজেলার মুন্সিগঞ্জের চুনকুড়ি নদীর তীরে লোকালয়ে ফিরে আসা অসংখ্য কাঁকড়া ধরা নৌকা দেখা যায়।

ফিরে আসা কাঁকড়া ধরা জেলে হরিনগর গ্রামের বাসিন্দা নূর হোসেন জানান, বনদস্যুদের ভয়ে এবার খুব বেশি কাঁকড়া ধরতে পারেননি তারা। তাই নিষেধাজ্ঞা চলাকালীন সংসার চালানোর মতো সঞ্চয় তার কাছে নেই। মহাজনদের কাছ থেকে ঋণ নিয়ে চলতে হবে। এ সময় সরকারি সহায়তার দাবি জানান তিনি।

শ্যামনগর উপজেলা মৎস্য অফিস সূত্রে জানা যায়, শ্যামনগর উপজেলায় নিবন্ধিত জেলের সংখ্যা ২২ হাজার ২২০ জন। এর প্রায় অর্ধেকই কাঁকড়া ধরা জেলে।

সুন্দরবন সাতক্ষীরা রেঞ্জের সহকারী বনসংরক্ষক (এসিএফ) মো. ফজলুল হক জানান, কাঁকড়া বৈদেশিক মুদ্রার্জনের অন্যতম হাতিয়ার। কাঁকড়া প্রজনন বৃদ্ধি করার জন্য বনবিভাগের পক্ষ থেকে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। জেলেদের প্রজননের এই সময়ে কাঁকড়া আহরণ না করার জন্য কঠোরভাবে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। একই সাথে নিষেধাজ্ঞার এই সময়ে কাঁকড়া আহরণের সকল পাস পারমিট বন্ধ রাখা হয়েছে। তবে, এসময় মাছ ধরার অনুমতি অব্যাহত থাকবে বলে তিনি আরও জানান। 

বিভি/এআই

মন্তব্য করুন:

সর্বাধিক পঠিত
Drama Branding Details R2
Drama Branding Details R2