তেঁতুলিয়ায় তাপমাত্রা ৬ ডিগ্রি, জনজীবন বিপর্যস্ত
ছবি: সংগৃহীত
পঞ্চগড়ে জেঁকে বসেছে হাড়কাঁপানো শীত। ঘন কুয়াশা আর উত্তরের হিমেল বাতাসে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে হিমালয় পাদদেশের এই জেলার স্বাভাবিক জনজীবন।
শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) ভোরে তেঁতুলিয়ায় চলতি মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৬ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তীব্র শীতে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন খেটে খাওয়া মানুষ, দিনমজুর, যানবাহন চালক, শিশু ও বয়স্করা।
তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, আজ ভোর ৬টায় জেলার চলতি শীত মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৬ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিলো ১০০ শতাংশ এবং বাতাসের গতিবেগ ছিলো ঘণ্টায় ১০ থেকে ১২ কিলোমিটার।
এর আগে বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিলো ৯ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিলো ১৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তারও আগে বুধবার (৭ জানুয়ারি) সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে এসেছিলো ৭ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। ওই দিন সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিলো ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
গত কয়েক দিন ধরে দুপুরের পর সূর্যের দেখা মিললেও কাঙ্ক্ষিত উষ্ণতা পাওয়া যাচ্ছে না। শুক্রবার ভোর থেকেই জেলার গ্রাম ও শহরের সড়ক-মহাসড়ক ঘন কুয়াশায় ঢেকে যায়। কুয়াশার কারণে দৃশ্যমানতা কমে যাওয়ায় মহাসড়কে যানবাহন চলাচল ব্যাহত হচ্ছে; চালকদের ধীরগতিতে যানবাহন চালাতে দেখা গেছে।
টানা শীত ও কুয়াশার প্রভাবে জেলার বিভিন্ন এলাকার দিনমজুর ও নিম্ন আয়ের মানুষ চরম সংকটে পড়েছেন। কনকনে শীতের কারণে অনেকেই ভোরে কাজে বের হতে পারছেন না। শীত নিবারণের জন্য ভোর থেকে গ্রাম ও শহরের বিভিন্ন স্থানে খড়কুটো, শুকনো পাতা ও কাঠ জ্বালিয়ে আগুন পোহাতে দেখা গেছে অনেককে।
তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্রনাথ রায় গণমাধ্যমকে বলেন, গত কয়েক দিন ধরে তেঁতুলিয়ায় তাপমাত্রার ওঠানামা করছে। উত্তরের হিমেল বাতাস ও ঘন কুয়াশার কারণে শীতের তীব্রতা বেড়েছে। আগামী কয়েক দিন এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকতে পারে বলে তিনি জানান।
বিভি/এআই




মন্তব্য করুন: