• NEWS PORTAL

  • সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬

গলাকাটা অবস্থায় জঙ্গলে হাঁটছিলো শিশুটি, কথা বলারও শক্তি ছিলো না

প্রকাশিত: ১৩:২২, ২ মার্চ ২০২৬

ফন্ট সাইজ
গলাকাটা অবস্থায় জঙ্গলে হাঁটছিলো শিশুটি, কথা বলারও শক্তি ছিলো না

ছবি: সংগৃহীত

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড বোটানিক্যাল গার্ডেন ও ইকোপার্কের গভীর অরণ্যে এক সাত বছর বয়সী শিশুকে গলা কেটে হত্যার চেষ্টা চালিয়েছে দুর্বৃত্তরা। রবিবার (১ মার্চ) দুপুরে রক্তাক্ত ও মুমূর্ষু অবস্থায় শিশুটিকে উদ্ধার করেন স্থানীয় শ্রমিকরা। বর্তমানে সে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রবিবার দুপুর ২টার দিকে ইকোপার্কের প্রায় ৫ কিলোমিটার গভীরে সড়ক উন্নয়নের কাজ করছিলেন শ্রমিকরা। এ সময় একটি স্কেভেটর চালক দেখতে পান, জঙ্গল থেকে টলমল পায়ে রক্তাক্ত অবস্থায় একটি শিশু রাস্তার দিকে এগিয়ে আসছে। শিশুটির শ্বাসনালী কাটা ছিলো এবং পরনের কাপড় রক্তে ভেজা থাকলেও দেহের নিচের অংশে কোনো পোশাক ছিলো না।

উদ্ধারকারী যুবক রবিউল হাসান ও আরিফুল ইসলাম রনি গণমাধ্যমকে জানান, শিশুটির অবস্থা দেখে তারা দ্রুত গলার কাটা অংশ কাপড় দিয়ে বেঁধে একটি ট্রাকে করে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।

সীতাকুণ্ড উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলতাব হোসেন এবং ডা. ইসরাত জাহান মুহুয়া গণমাধ্যমকে জানান, শিশুটির অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক। তার শ্বাসনালী কেটে যাওয়ায় সে কথা বলতে পারছে না। তবে প্রাথমিক আলামত ও পোশাকের অবস্থা দেখে ধারণা করছি, সে নৃশংস ধর্ষণের শিকার হয়েছে। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে জরুরি ভিত্তিতে চমেক হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

সীতাকুণ্ড থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আলমগীর হোসেন ও ওসি মহিনুল ইসলাম গণমাধ্যমকে জানান, মেয়েটিকে কুমিরা থেকে ফুসলিয়ে ইকোপার্কে নিয়ে আসা হয়েছিলো। ধারণা করা হচ্ছে, ধর্ষণের পর তাকে মৃত ভেবে ফেলে রেখে যায় অপরাধীরা।

চিকিৎসকের বরাত দিয়ে সীতাকুণ্ড থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আলমগীর হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, শিশুটির গলা কেটে তাকে কেউ হত্যা করতে চেয়েছিলো। কেউ তাকে ইকোপার্কে বেড়ানোর কথা বলে এনে গলা কেটে হত্যার চেষ্টা করে হয়তো মৃত ভেবে ফেলে যায়। হাসপাতালে আনার পর মেয়েটি অনেক কষ্টে তার নাম পরিচয় জানিয়েছে। পরিবারকে খবর দেওয়া হয়েছে। ঘটনার তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বিভি/এআই

মন্তব্য করুন:

সর্বাধিক পঠিত