বিএনপির ৩১ দফার খাল পুনঃখনন পরিকল্পনায় জাগছে মোংলার কৃষকের আশা
খাল ভরাট, লবণাক্ততা আর পানির সংকটে দীর্ঘদিন ধরে চাষাবাদ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন মোংলার অনেক কৃষক। কৃষিজমির পাশের অধিকাংশ খাল ভরাট হয়ে যাওয়ায় সেচের পানি না পেয়ে বছরের পর বছর পরিত্যক্ত পড়ে রয়েছে বিস্তীর্ণ জমি। এতে করে অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন উপকূলের হাজার হাজার কৃষক ও জমির মালিক।
তবে দীর্ঘ কয়েক যুগ পর আবারও আশার আলো দেখছেন মোংলার কৃষকরা। কৃষি বিপ্লবের মাধ্যমে কৃষকের ভাগ্য ফেরাতে খাল পুনঃখননের ঘোষণা ছিলো বিএনপির ৩১ দফায়। সেই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মোংলার মাদুরপ্লাটা এলাকায় অস্তিত্ব সংকটে পড়া চারটি খালের পুনঃখনন কাজ শুরু হয়েছে। খালগুলো পুনঃখনন শুরু হওয়ায় পরিত্যক্ত পড়ে থাকা জমিতে আবারও চাষাবাদের স্বপ্ন দেখছেন স্থানীয় কৃষকরা। তাদের আশা, খালে পানি ফিরলে কৃষিকাজও ফিরবে পুরোদমে।
কৃষকরা বলছেন, খালগুলো পুনঃখনন হলে সেচের পানির সংকট অনেকটাই কমবে। এতে ধানসহ বিভিন্ন ফসল উৎপাদন করা সম্ভব হবে। ফলে দীর্ঘদিনের অভাব-অনটন থেকে মুক্তি পেতে পারে উপকূলের কৃষক পরিবারগুলো।
কৃষি কর্মকর্তারা বলছেন, খাল পুনঃখননের মাধ্যমে উপকূলীয় এলাকায় কৃষি উৎপাদন বাড়ানোর বড় সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। সঠিকভাবে প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে আবারও কৃষিতে ফিরতে পারবেন অনেক কৃষক।
কৃষকের ভাগ্য ফেরাতে বিএনপির ঘোষিত ৩১ দফার পরিকল্পনা অনুযায়ী দেশজুড়ে খাল পুনঃখননের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান বাগেরহাট-৩ আসনের সাংসদ ও পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম। এসময় তিনি প্রভাবশালীদের দখলে থাকা খালগুলোও দখলমুক্ত করার কথাও জানান।
উপকূলের ভরাট খালগুলো আবারও পানিতে ভরে উঠলে বদলে যেতে পারে মোংলার কৃষি চিত্র। আর সেই সঙ্গে ঘুরে দাঁড়াতে পারে হাজারো কৃষক পরিবারের ভাগ্য এমনটাই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
বিভি/এসজি



মন্তব্য করুন: