• NEWS PORTAL

  • শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬

রাঙ্গামাটিতে আগ্নেয়াস্ত্র ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করেছে বিজিবি

রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ১৫:৪৮, ১০ এপ্রিল ২০২৬

ফন্ট সাইজ
রাঙ্গামাটিতে আগ্নেয়াস্ত্র ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করেছে বিজিবি

রাঙ্গামাটির সীমান্তবর্তী বাঘাইছড়ি উপজেলায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে পরিত্যক্ত অবস্থায় আগ্নেয়াস্ত্র, গোলাবারুদ ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ-২৭ (বিজিবি)। 

বৃহস্পতিবার (১০ এপ্রিল) রাতে অভিযান চালিয়ে অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়। 

উদ্ধারকৃত সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে, ১টি ৭.৬৫ মি.মি. বিদেশি পিস্তল (চায়না, মডেল ঈত৮৩), ১ রাউন্ড তাজা গুলি, ৯টি খালি গুলির খোসা, পিস্তল বহনের ব্যাগ ও কভার, ১টি দেশীয় একনলা বন্দুক ও ৭টি খালি খোসা, ৫টি চাইনিজ চাপাতি (বড় ২টি, ছোট ৩টি), ২টি দেশীয় ধারালো দা, ১টি লোহার হাতুড়ি, ১টি বাটুল গুলটি, ২৬টি কাঁচের মার্বেল ও ৫টি স্টিলের মার্বেল, ১টি পুরাতন স্কুল ব্যাগ।

বিজিবি কর্তৃপক্ষ জানায়, ৯ এপ্রিল মারিশ্যা ব্যাটালিয়ন (২৭ বিজিবি) এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল জাহিদুল ইসলাম জাহিদ, পিএসসি এর নেতৃত্বে জীপতলী ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় একটি বিশেষ টহল দল জীপতলী ব্রিজ এলাকায় অবস্থান নেয়। অভিযানের নেতৃত্ব দেন মারিশ্যা ব্যাটালিয়ন (২৭ বিজিবি) ক্যাপ্টেন অমিত কুমার সাহা (অপারেশন অফিসার), সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ হাফিজুর রহমান’সহ বিজিবির একটি টহল দল।

টহলকালে ৩-৪ জন সন্দেহভাজন চোরাকারবারীরা ঘটনাস্থলের কাছে আসলে বিজিবি সদস্যরা তাদের ধাওয়া করে। এ সময় চোরাকারবারীরা তাদের সাথে থাকা ব্যাগ ফেলে পাহাড়ের গভীর জঙ্গলে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। পরে বিজিবি সদস্যরা ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে একটি বিদেশি পিস্তলসহ বিভিন্ন ধরনের অস্ত্র ও সরঞ্জাম উদ্ধার করে বিজিবি। 

বিজিবি সূত্রে আরও জানা গেছে, ইয়াবা ও বিদেশি অবৈধ সিগারেটের একটি বড় চালান পাচারের উদ্দেশ্যে চোরাকারবারীরা এই এলাকায় অবস্থান করছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। উদ্ধারকৃত এসব অস্ত্র ও সরঞ্জাম অবৈধ চোরাচালান এবং সিগারেট পাচারসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে ব্যবহৃত হয়ে আসছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।  

মারিশ্যা জোন (২৭ বিজিবি) এর জোন কমান্ডার লে. কর্নেল জাহিদুল ইসলাম জাহিদ বলেন মারিশ্যা জোনের দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় নিয়মিত চোরাচালান প্রতিরোধ কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। এছাড়াও মারিশ্যা জোনের দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় চোরাকারবারী কর্তৃক বিভিন্ন অভিনব পদ্ধতিতে চোরাচালানী তৎপরতা বৃদ্ধি পেয়েছে বিধায় মারিশ্যা জোন কর্তৃক উক্ত চোরাচালান প্রতিরোধকল্পে সর্বদা গোয়েন্দা তৎপরতা বৃদ্ধির পাশাপাশি আভিযানিক টহল কার্যক্রমের মাধ্যমে চোরাচালান দমন কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে এবং ভবিষ্যতেও এই ধারা অব্যাহত থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও আটকের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়ে মারিশ্যা জোন কমান্ডার।
 

বিভি/টিটি

মন্তব্য করুন: